ঢাকা ০১:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দিনে ১০-১৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না শেরপুরে, বিপর্যস্ত জনজীবন গণপূর্তের সংস্থাপন শাখার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সারোয়ার জাহানের বিরুদ্ধে বদলী বানিজ্যের গুরুতর অভিযোগ নীলফামারীতে টিআরসি (পুলিশ কনস্টেবল) নিয়োগের প্রাথমিক বাছাই শুরু। রাজধানীর উত্তরায় মদের বারে নারী পুরুষসহ আটক ১৪০ জন।। ১৩ দিনেই পাল্টে গেল তদন্ত প্রতিবেদন, দোষী থেকে ‘নির্দোষ’ পিডি তবিবুর রাজশাহীতে হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১০ ধামরাইয়ে ঘরে ঢুকে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে কুপিয়ে হত্যা বিশ্বকাপের আগে ফ্রান্স ও রিয়াল মাদ্রিদকে দুশ্চিন্তায় ফেললেন এমবাপে পীরগঞ্জে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে নেই অভিযান, আতঙ্কে গ্রামবাসী নীলফামারী জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের অভিযানে ‘ভুয়া ডিবি ও ডলার প্রতারক’ চক্রের ০১ জন সক্রীয় সদস্য গ্রেফতার।
আলহাজ মকবুল হোসেন কলেজ

দূর্নীতির দায়ে বরখাস্তের পর ফের অধ্যক্ষ হিসেবে ফেরার তৎপরতায় রেজাউল

নানা অনিয়ম-দুর্নীতি আর আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগে প্রমাণ হওয়ার পর বরখাস্ত হওয়া রাজধানীর আলহাজ মকবুল হোসেন কলেজের অধ্যক্ষ আফম রেজাউল হাসান ফের অধ্যক্ষ হিসেবে ফিরতে শুরু করেছেন নানা তৎপরতা। এ জন্য বরখাস্তের এক বছরের পর ম্যানেজ করেছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি তদন্ত প্রতিবেদন মোটা অঙ্কের লেনদেনের বিনিময়ে নিয়েছেন নিজের পক্ষে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এই তদন্তে কোনো অনিয়ম না পেলেও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর ও কলেজের অভ্যন্তরীণ দুইটি পৃথক তদন্ত করে অনেক অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এই তদন্ত প্রতিবেদনকে কাজে লাগিয়ে কলেজে ফেরার চেষ্টা করায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তাদের মধ্যে বিরাজ করছে ক্ষোভ ও অসন্তোষ। তারা আরেকটি নিরপেক্ষ কমিটির মাধ্যমে অধ্যক্ষের কর্মকাণ্ড তদন্তের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে চিঠি দিয়েছেন।
কলেজ সূত্র জানায়, ঐতিহ্যবাহী এই কলেজের অধ্যক্ষ হওয়ার পর থেকেই নানা অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন অধ্যক্ষ রেজাউল হাসান। অনুমোদন না থাকা সত্ত্বেও প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা করে অর্ধ কোটি টাকার মতো বাসা ভাড়া নিয়েছেন। বিভিন্ন কোর্স পরিচালনা থেকে প্রতি মাসে নিতেন আরও প্রায় কয়েক লাখ টাকা।
২০০৯ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত কলেজের ক্যাশিয়ারকে সঙ্গে নিয়ে জাল রসিদ তৈরি করে আত্মসাৎ করেছেন সাত কোটি টাকার মতো। এছাড়াও পদোন্নতির আশ্বাস দিয়ে শিক্ষকদের পদত্যাগ করানো, বিভিন্ন পরীক্ষা পরিচালনার উদ্বৃত্ত খরচ আত্মসাৎ, নিজের আত্মীয়ের কাছ থেকে দ্বিগুণ দামে বিদ্যালয়ের জন্য জমি কেনা, নিজের স্বার্থে কলেজের ফান্ড থেকে ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতাদের মাসিক টাকা দেওয়াসহ নানা ড. অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন তিনি। মতের সঙ্গে না মেলায় তুচ্ছ কারণে রতন কুমার হালদার নামে এক শিক্ষককে মারধরের অভিযোগও রয়েছে। এসব অভিযোগের পর কলেজ কর্তৃপক্ষ নিজস্ব একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামানের নেতৃত্বে এই কমিটি এসব অনিয়মের প্রমাণ পায়। যদিও এর আগে ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর অধ্যক্ষ রেজাউল হাসানকে এসব অনিয়মের অভিযোগে বরখাস্ত করা হয়।
এদিকে শিক্ষকরা অধ্যক্ষের অনিয়মের অভিযোগগুলো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে চিঠি দিয়ে জানালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী মিজানুর রহমানকে আহ্বায়ক করে এক সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। এই কমিটি দুই দফা কলেজ পরির্দশন করে অধ্যক্ষ রেজাউল হাসানকে জোর করে পদত্যাগ করানো ও স্বেচ্ছায় অবসরের পত্রে স্বাক্ষর নেওয়া এবং তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণ হয়নি বলে প্রতিবেদন দিয়েছে। গত ২০ নভেম্বর এই প্রতিবেদনটি দেওয়া হয়েছে। এই প্রতিবেদন দেখে হতবাক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা, কর্মচারীরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েক শিক্ষক জানিয়েছেন, মিজানুর রহমান তদন্তে এসে ভুক্তভোগী কোনো শিক্ষকের সঙ্গে কথাই বলেননি। এমনকি আর্থিক অনিয়ম-সংশ্লিষ্ট যাচাই করে দেখেননি। মিজানুর রহমান অধ্যক্ষ রেজাউলের ঘনিষ্ঠ শিক্ষক শাহিনা বেগমের সঙ্গে আলোচনা করে চলে গেছেন। তারা আরও জানান, বড় অঙ্কের লেনদেনের বিনিময়েই এই তদন্ত প্রতিবেদনটি দেওয়া হয়েছে।
যদিও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্তের আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ‘দুদক’খ্যাত পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর পৃথক তদন্ত করে নানা অভিযোগের প্রমাণ পেয়েছে। গত ৩১ মে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, কলেজের টাকা ক্যাশ বইয়ের মাধ্যমে উত্তোলন করা হলেও মাস শেষে আয়-ব্যয়ে অধ্যক্ষের কোনো স্বাক্ষর নেই। প্রাপ্ততার বাইরে সম্মানী নিয়েছেন। প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য ৫৮ জেলা ঘুরে বিজ্ঞাপন প্রচার এবং গণমাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচার করা হলেও শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়েনি। এছাড়াও খরচ হতে ভ্যাট না কাটায় আটত্রিশ লাখ টাকার সরকারের ক্ষতি হয়েছে। কলেজে অভ্যন্তরীণ অডিট কমিটি থাকলেও নিয়মিত আয়-ব্যয়ের হিসাব যাচাই হয় না। ব্যয়ের বাউচার গার্ড ফাইলে সংরক্ষণ করা হয়নি। এছাড়াও নানা অনিয়ম পেয়েছে তদন্ত কমিটি।
এ প্রসঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. এএসএম আমান উল্লাহকে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোন ধরেননি।
আলহাজ মকবুল হোসেন কলেজের সভাপতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক মেজবাহ উল ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষকরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের চিঠির প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে নতুন তদন্ত কমিটি গঠনের জন্য আমার কাছে একটি আবেদন করেছেন। আমি মনে করি আরেকটি কমিটি করে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা উচিত।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দিনে ১০-১৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না শেরপুরে, বিপর্যস্ত জনজীবন

আলহাজ মকবুল হোসেন কলেজ

দূর্নীতির দায়ে বরখাস্তের পর ফের অধ্যক্ষ হিসেবে ফেরার তৎপরতায় রেজাউল

আপডেট সময় ১২:৩৪:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

নানা অনিয়ম-দুর্নীতি আর আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগে প্রমাণ হওয়ার পর বরখাস্ত হওয়া রাজধানীর আলহাজ মকবুল হোসেন কলেজের অধ্যক্ষ আফম রেজাউল হাসান ফের অধ্যক্ষ হিসেবে ফিরতে শুরু করেছেন নানা তৎপরতা। এ জন্য বরখাস্তের এক বছরের পর ম্যানেজ করেছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি তদন্ত প্রতিবেদন মোটা অঙ্কের লেনদেনের বিনিময়ে নিয়েছেন নিজের পক্ষে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এই তদন্তে কোনো অনিয়ম না পেলেও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর ও কলেজের অভ্যন্তরীণ দুইটি পৃথক তদন্ত করে অনেক অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এই তদন্ত প্রতিবেদনকে কাজে লাগিয়ে কলেজে ফেরার চেষ্টা করায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তাদের মধ্যে বিরাজ করছে ক্ষোভ ও অসন্তোষ। তারা আরেকটি নিরপেক্ষ কমিটির মাধ্যমে অধ্যক্ষের কর্মকাণ্ড তদন্তের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে চিঠি দিয়েছেন।
কলেজ সূত্র জানায়, ঐতিহ্যবাহী এই কলেজের অধ্যক্ষ হওয়ার পর থেকেই নানা অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন অধ্যক্ষ রেজাউল হাসান। অনুমোদন না থাকা সত্ত্বেও প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা করে অর্ধ কোটি টাকার মতো বাসা ভাড়া নিয়েছেন। বিভিন্ন কোর্স পরিচালনা থেকে প্রতি মাসে নিতেন আরও প্রায় কয়েক লাখ টাকা।
২০০৯ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত কলেজের ক্যাশিয়ারকে সঙ্গে নিয়ে জাল রসিদ তৈরি করে আত্মসাৎ করেছেন সাত কোটি টাকার মতো। এছাড়াও পদোন্নতির আশ্বাস দিয়ে শিক্ষকদের পদত্যাগ করানো, বিভিন্ন পরীক্ষা পরিচালনার উদ্বৃত্ত খরচ আত্মসাৎ, নিজের আত্মীয়ের কাছ থেকে দ্বিগুণ দামে বিদ্যালয়ের জন্য জমি কেনা, নিজের স্বার্থে কলেজের ফান্ড থেকে ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতাদের মাসিক টাকা দেওয়াসহ নানা ড. অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন তিনি। মতের সঙ্গে না মেলায় তুচ্ছ কারণে রতন কুমার হালদার নামে এক শিক্ষককে মারধরের অভিযোগও রয়েছে। এসব অভিযোগের পর কলেজ কর্তৃপক্ষ নিজস্ব একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামানের নেতৃত্বে এই কমিটি এসব অনিয়মের প্রমাণ পায়। যদিও এর আগে ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর অধ্যক্ষ রেজাউল হাসানকে এসব অনিয়মের অভিযোগে বরখাস্ত করা হয়।
এদিকে শিক্ষকরা অধ্যক্ষের অনিয়মের অভিযোগগুলো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে চিঠি দিয়ে জানালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী মিজানুর রহমানকে আহ্বায়ক করে এক সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। এই কমিটি দুই দফা কলেজ পরির্দশন করে অধ্যক্ষ রেজাউল হাসানকে জোর করে পদত্যাগ করানো ও স্বেচ্ছায় অবসরের পত্রে স্বাক্ষর নেওয়া এবং তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণ হয়নি বলে প্রতিবেদন দিয়েছে। গত ২০ নভেম্বর এই প্রতিবেদনটি দেওয়া হয়েছে। এই প্রতিবেদন দেখে হতবাক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা, কর্মচারীরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েক শিক্ষক জানিয়েছেন, মিজানুর রহমান তদন্তে এসে ভুক্তভোগী কোনো শিক্ষকের সঙ্গে কথাই বলেননি। এমনকি আর্থিক অনিয়ম-সংশ্লিষ্ট যাচাই করে দেখেননি। মিজানুর রহমান অধ্যক্ষ রেজাউলের ঘনিষ্ঠ শিক্ষক শাহিনা বেগমের সঙ্গে আলোচনা করে চলে গেছেন। তারা আরও জানান, বড় অঙ্কের লেনদেনের বিনিময়েই এই তদন্ত প্রতিবেদনটি দেওয়া হয়েছে।
যদিও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্তের আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ‘দুদক’খ্যাত পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর পৃথক তদন্ত করে নানা অভিযোগের প্রমাণ পেয়েছে। গত ৩১ মে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, কলেজের টাকা ক্যাশ বইয়ের মাধ্যমে উত্তোলন করা হলেও মাস শেষে আয়-ব্যয়ে অধ্যক্ষের কোনো স্বাক্ষর নেই। প্রাপ্ততার বাইরে সম্মানী নিয়েছেন। প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য ৫৮ জেলা ঘুরে বিজ্ঞাপন প্রচার এবং গণমাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচার করা হলেও শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়েনি। এছাড়াও খরচ হতে ভ্যাট না কাটায় আটত্রিশ লাখ টাকার সরকারের ক্ষতি হয়েছে। কলেজে অভ্যন্তরীণ অডিট কমিটি থাকলেও নিয়মিত আয়-ব্যয়ের হিসাব যাচাই হয় না। ব্যয়ের বাউচার গার্ড ফাইলে সংরক্ষণ করা হয়নি। এছাড়াও নানা অনিয়ম পেয়েছে তদন্ত কমিটি।
এ প্রসঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. এএসএম আমান উল্লাহকে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোন ধরেননি।
আলহাজ মকবুল হোসেন কলেজের সভাপতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক মেজবাহ উল ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষকরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের চিঠির প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে নতুন তদন্ত কমিটি গঠনের জন্য আমার কাছে একটি আবেদন করেছেন। আমি মনে করি আরেকটি কমিটি করে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা উচিত।