শ্রীনগরে বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে জাল সনদে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এডহক কমিটির সভাপতি হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ওই সনদে উপজেলার শ্রীনগর পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি হন। বিষয়টি যাচাই বাছাই করার জন্য দুই সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।
গত শনিবার (৮ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে তদন্ত কমিটির ২ সদস্য শ্রীনগর পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজে সরজমিনে তদন্তে আসেন।
জানা গেছে, শ্রীনগর পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজের আহ্বায়ক কমিটির সভাপতি হিসাবে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম মৃধাকে সভাপতি মনোনীত করে। এর পরই বোর্ডে দাখিলকৃত মো. শহিদুল ইসলামের দারুল ইহসান ইউনিভার্সিটির মাষ্টার্সের সার্টিফিকেট সঠিক নয় উল্লেখ করে গত ২৪ সেপ্টেম্বর মোহাম্মদ মোকাজ্জল নামে এক ব্যক্তি বোর্ডে অভিযোগ দায়ের করেন। এরই ধারাবাহিকতায় ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর মো. রিজাউল হক বোর্ডের সহকারী কলেজ পরিদর্শক মোহাম্মদ লোকমান মুন্সী ও সেকশন অফিসার হিরু শেখকে দায়িত্ব দিয়ে গত ৯ অক্টোবর তদন্ত কমিটি গঠন করেন। তদন্ত কমিটি শনিবার কলেজে তদন্তে আসলে স্থানীয় ভাবে বিষয়টি জানাজানি হয়। এর পরপরই নানা রকম কানা ঘুষা শুরু হয়।
শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও শ্রীনগর পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজের আহ্বায়ক কমিটির সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম মৃধার কাছে এই বিষয়ে জানার জন্য ফোন করা হলে তিনি বলেন, এখন ব্যস্ত আছি পরে কথা বলবো। শ্রীনগর পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আবুল হোসেন বলেন, সভাপতি মহোদয়ের সার্টিফিকেটের বিষয়ে বোর্ড থেকে ২ কর্মকর্তা তদন্তে এসেছিলেন। বিষয়টি তারাই ভাল বলতে পারবেন। তদন্ত কমিটির প্রধান ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সহকারী কলেজ পরিদর্শক মোহাম্মদ লোকমান মুন্সী সার্টিফিকেট তদন্তের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতি বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত করে আমরা প্রতিবেদন দাখিল করবো। এর বেশি কিছু আমাদের পক্ষে বলা সম্ভব নয়।
শ্রীনগর (মুন্সিগঞ্জ) প্রতিনিধি 



















