ঢাকা ০৩:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বঙ্গভবন ছাড়লেন মো. সাহাবুদ্দিন নীলফামারী সদরের ইটাখোলায় রাস্তার সংস্কার কাজ বিলম্ব করায় এলাকাবাসীর মানববন্ধন সাবেক রাষ্ট্রপতি আইন অনুযায়ী সব সুবিধা পাবেন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কসবায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে বাস, আহত অন্তত ২০ শতাধিক উদ্ভাবনী প্রকল্প নিয়ে শুরু আইপিএসসি বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক উৎসব হাসিনা-বেনজীরসহ ৮ জনের নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানালেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী রাজৈরে মাদারীপুর ২ আসনের সংসদ সদস্য উপজেলা নিজ অফিসে প্রথম কার্য দিবস শুরু স্পিকার থেকে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি: মেজর হাফিজ উদ্দিনকে ঘিরে তজুমদ্দিনে বিএনপির বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিল

ভোলার তজুমদ্দিনের এক ভুক্তভোগী নারীর আকুতি

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার মলংচড়া ইউনিয়নের আকলিমা (২৮) স্বামী-জামাল মাঝি, ১নং বড় মলংচড়া ৬ নং ওয়ার্ড আজ থেকে আরও ২ বছর আগে চর- জহির উদ্দিন এর জাহাঙ্গীর ভূঁইয়া(৪০) পিতা- রতন ভূঁইয়া, আওলাদ ভূঁইয়া(৩০) পিতা- রতন ভূঁইয়া।
আকলিমার স্বামীকে জোর পূর্বক ১,৩০,০০০/(এক লাখ ত্রিশ হাজার টাকা) দাধন বাবত দেন। নদীতে মাছ না থাকায় সঠিক সময মাছ না দেওয়ায় জাহাঙ্গীর ও আওলাদ ভূঁইয়া নৌকা, জাল ও ঘর থেকে আরও মালামালসহ যার বাজার মূল্য ৫০০,০০০/( পাঁচ লাখ টাকার) মত তারা নিয়ে যায়।
আকলিমা বেগমে আরও বলেন, আমাকে দাদন বাবত ১৩০,০০০/ টাকার বদলে ৫ লাখ টাকার মত নিয়ে যায়। বাকী টাকা চাইলে আমাকে উপজেলার চেয়ারম্যানের হুমকি দেয়।আমার স্বামী জামালকে ভয়ভীতি দেখায় বিধায় আমার স্বামী আমাদেরকে না জানিয়ে কোথায় চলে যায় আধো কোন খোঁজ খবর পাওয়া যায়নি। আমার ৩ টা সন্তান নিয়ে বাড়ীতে থাকতে পারিনা। প্রতিনিয়ত নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেছি।
আমি ভোলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সহায়তা চাই। এমনটাই বলেন ভুক্তভোগী আকলিমা বেগম। অভিযুক্তদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তাদের হাতের মোবাইল ফোন বন্ধ পাই। তার কিছুক্ষন পর কল ডুকলে কল রিসিভ করেননি।
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বঙ্গভবন ছাড়লেন মো. সাহাবুদ্দিন

ভোলার তজুমদ্দিনের এক ভুক্তভোগী নারীর আকুতি

আপডেট সময় ০১:০৭:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার মলংচড়া ইউনিয়নের আকলিমা (২৮) স্বামী-জামাল মাঝি, ১নং বড় মলংচড়া ৬ নং ওয়ার্ড আজ থেকে আরও ২ বছর আগে চর- জহির উদ্দিন এর জাহাঙ্গীর ভূঁইয়া(৪০) পিতা- রতন ভূঁইয়া, আওলাদ ভূঁইয়া(৩০) পিতা- রতন ভূঁইয়া।
আকলিমার স্বামীকে জোর পূর্বক ১,৩০,০০০/(এক লাখ ত্রিশ হাজার টাকা) দাধন বাবত দেন। নদীতে মাছ না থাকায় সঠিক সময মাছ না দেওয়ায় জাহাঙ্গীর ও আওলাদ ভূঁইয়া নৌকা, জাল ও ঘর থেকে আরও মালামালসহ যার বাজার মূল্য ৫০০,০০০/( পাঁচ লাখ টাকার) মত তারা নিয়ে যায়।
আকলিমা বেগমে আরও বলেন, আমাকে দাদন বাবত ১৩০,০০০/ টাকার বদলে ৫ লাখ টাকার মত নিয়ে যায়। বাকী টাকা চাইলে আমাকে উপজেলার চেয়ারম্যানের হুমকি দেয়।আমার স্বামী জামালকে ভয়ভীতি দেখায় বিধায় আমার স্বামী আমাদেরকে না জানিয়ে কোথায় চলে যায় আধো কোন খোঁজ খবর পাওয়া যায়নি। আমার ৩ টা সন্তান নিয়ে বাড়ীতে থাকতে পারিনা। প্রতিনিয়ত নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেছি।
আমি ভোলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সহায়তা চাই। এমনটাই বলেন ভুক্তভোগী আকলিমা বেগম। অভিযুক্তদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তাদের হাতের মোবাইল ফোন বন্ধ পাই। তার কিছুক্ষন পর কল ডুকলে কল রিসিভ করেননি।