ঢাকা ০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
১৭৫ কোটি টাকার রাজস্ব হারিয়েছে চসিক ময়মনসিংহে উপপরিচালক হারুনের পদোন্নতি নিয়ে অভিযোগ, তদন্তের দাবি স্বাধীনবাংলা সাহিত্য পরিষদের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা মণ্ডলী ঘোষণা (২০২৭–২০২৮) সেনবাগে সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সমন্বিত মানবিক সহায়তা কর্মসূচি-২০২৬ অনুষ্ঠিত কলেজ শিক্ষকের কাছে ডাকযোগে কাফনের কাপড়, তদন্তে পুলিশ চাঁপাইনবাবগঞ্জের আতাহারে ‘ব্যানানা ম্যাঙ্গো’: বছরে দুবার ফলন ও রপ্তানির স্বপ্নে বিভোর পলাশ চাঁপাইনবাবগঞ্জে জামায়াত সহ ১১ দলীয় জোটের  বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের আয়-ব্যয়ের হিসেব দিলেন প্রশাসক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ১২ ফুট দৈর্ঘ্যের কিং কোবরা সাপ উদ্ধার বয়সভিত্তিক দলে বিদেশি কোচ ও বিদেশে প্রস্তুতি ম্যাচের পরিকল্পনা

ভোলার তজুমদ্দিনের এক ভুক্তভোগী নারীর আকুতি

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার মলংচড়া ইউনিয়নের আকলিমা (২৮) স্বামী-জামাল মাঝি, ১নং বড় মলংচড়া ৬ নং ওয়ার্ড আজ থেকে আরও ২ বছর আগে চর- জহির উদ্দিন এর জাহাঙ্গীর ভূঁইয়া(৪০) পিতা- রতন ভূঁইয়া, আওলাদ ভূঁইয়া(৩০) পিতা- রতন ভূঁইয়া।
আকলিমার স্বামীকে জোর পূর্বক ১,৩০,০০০/(এক লাখ ত্রিশ হাজার টাকা) দাধন বাবত দেন। নদীতে মাছ না থাকায় সঠিক সময মাছ না দেওয়ায় জাহাঙ্গীর ও আওলাদ ভূঁইয়া নৌকা, জাল ও ঘর থেকে আরও মালামালসহ যার বাজার মূল্য ৫০০,০০০/( পাঁচ লাখ টাকার) মত তারা নিয়ে যায়।
আকলিমা বেগমে আরও বলেন, আমাকে দাদন বাবত ১৩০,০০০/ টাকার বদলে ৫ লাখ টাকার মত নিয়ে যায়। বাকী টাকা চাইলে আমাকে উপজেলার চেয়ারম্যানের হুমকি দেয়।আমার স্বামী জামালকে ভয়ভীতি দেখায় বিধায় আমার স্বামী আমাদেরকে না জানিয়ে কোথায় চলে যায় আধো কোন খোঁজ খবর পাওয়া যায়নি। আমার ৩ টা সন্তান নিয়ে বাড়ীতে থাকতে পারিনা। প্রতিনিয়ত নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেছি।
আমি ভোলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সহায়তা চাই। এমনটাই বলেন ভুক্তভোগী আকলিমা বেগম। অভিযুক্তদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তাদের হাতের মোবাইল ফোন বন্ধ পাই। তার কিছুক্ষন পর কল ডুকলে কল রিসিভ করেননি।
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১৭৫ কোটি টাকার রাজস্ব হারিয়েছে চসিক

ভোলার তজুমদ্দিনের এক ভুক্তভোগী নারীর আকুতি

আপডেট সময় ০১:০৭:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার মলংচড়া ইউনিয়নের আকলিমা (২৮) স্বামী-জামাল মাঝি, ১নং বড় মলংচড়া ৬ নং ওয়ার্ড আজ থেকে আরও ২ বছর আগে চর- জহির উদ্দিন এর জাহাঙ্গীর ভূঁইয়া(৪০) পিতা- রতন ভূঁইয়া, আওলাদ ভূঁইয়া(৩০) পিতা- রতন ভূঁইয়া।
আকলিমার স্বামীকে জোর পূর্বক ১,৩০,০০০/(এক লাখ ত্রিশ হাজার টাকা) দাধন বাবত দেন। নদীতে মাছ না থাকায় সঠিক সময মাছ না দেওয়ায় জাহাঙ্গীর ও আওলাদ ভূঁইয়া নৌকা, জাল ও ঘর থেকে আরও মালামালসহ যার বাজার মূল্য ৫০০,০০০/( পাঁচ লাখ টাকার) মত তারা নিয়ে যায়।
আকলিমা বেগমে আরও বলেন, আমাকে দাদন বাবত ১৩০,০০০/ টাকার বদলে ৫ লাখ টাকার মত নিয়ে যায়। বাকী টাকা চাইলে আমাকে উপজেলার চেয়ারম্যানের হুমকি দেয়।আমার স্বামী জামালকে ভয়ভীতি দেখায় বিধায় আমার স্বামী আমাদেরকে না জানিয়ে কোথায় চলে যায় আধো কোন খোঁজ খবর পাওয়া যায়নি। আমার ৩ টা সন্তান নিয়ে বাড়ীতে থাকতে পারিনা। প্রতিনিয়ত নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেছি।
আমি ভোলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সহায়তা চাই। এমনটাই বলেন ভুক্তভোগী আকলিমা বেগম। অভিযুক্তদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তাদের হাতের মোবাইল ফোন বন্ধ পাই। তার কিছুক্ষন পর কল ডুকলে কল রিসিভ করেননি।