ঢাকা ০৮:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ব্রাহ্মণপাড়ায় নবাগত ইউএনওর সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় কালিহাতীতে ২১৯ বোতল ফেন্সিডিলসহ রাজশাহীর শীর্ষ মাদককারবারি গ্রেপ্তার বড়লেখায় গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন পবিপ্রবি’র কৃষি অনুষদের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত কোটালীপাড়ায় দুই দলিল লেখক সাময়িক বহিস্কার আ.লীগ ছেড়ে কোরআন-সুন্নাহর আলোকে চলতে চান এই নেতা খুলনায় অস্ত্রসহ ধরা খেল আশিক বাহিনীর সদস্য হুথিদের হামলায় ইয়েমেনে ৩০ সৈন্য নিহত নদী দূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে অবহেলার সুযোগ নেই : প্রধানমন্ত্রী নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে আইন সংস্কারের সুপারিশ মহিলা পরিষদের

৩৩ গুণ বেশি দামে পণ্য কিনে ফাঁসলেন রেলের শীর্ষ ১৮ কর্মকর্তা

৩৩ গুণ পর্যন্ত বেশি দামে পণ্য ক্রয় করে সরকারের ২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বাংলাদেশ রেলওয়ের সাবেক দুই মহাপরিচালকসহ ১৮ জন সাবেক কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে প্রায় দুই কোটি ১৮ লাখ টাকার আত্মসাতের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির উপসহকারী পরিচালক মো. রোকনুজ্জামান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সংস্থাটির মহাপরিচালক আক্তার হোসন বিষয়টি জানিয়েছেন।

মামলার আসামিরা হলেন, বাংলাদেশ রেলওয়ের সাবেক মহাব্যবস্থাপক খোন্দকার শহিদুল ইসলাম, সাবেক সিওসি (পশ্চিম) খায়রুল আলম, সাবেক মহাব্যবস্থাপক (পশ্চিম) মজিবুর রহমান, সাবেক সিওসি (পশ্চিম) বেলাল হোসেন সরকার, সাবেক এসিওএস জাহিদ কাওছার, সাবেক ডেপুটি সিসিএম (পশ্চিম) ফুয়াদ হোসেন আনন্দ, সাবেক ডিএফএ শ্যামলী রাণী রায়, সাবেক উচ্চমান সহকারী (বর্তমানে সিওসি-পূর্ব) আলামিন তালুকদার, সাবেক ডিএফএ (অর্থ-পশ্চিম) আলমগীর হোসেন, সাবেক সিওপিএস (পশ্চিম) এ এম এম শাহনেওয়াজ, সাবেক এফএ অ্যান্ড সিএও (পশ্চিম) শরিফুল ইসলাম, সাবেক ডেপুটি সিওপিএস (পশ্চিম) মোছা. হাসিনা খাতুন, সাবেক এফএ অ্যান্ড সিএও (পশ্চিম) মসিহ উল হাসান, সাবেক এসিসিএম (পশ্চিম) শেখ আব্দুল জব্বার, সাবেক অতিরিক্ত এফএ অ্যান্ড সিএও (পশ্চিম) গোলাম রব্বানী, গোলাম রহমান, সাবেক এফএ অ্যান্ড সিও (পশ্চিম) সরোজ কান্তি দেব ও সাবেক সিসিএম (পশ্চিম) মিহির কান্তি গুহ।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা, জালিয়াতি ও অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে দপ্তরের ১৭ প্রকার পণ্য ক্রয়ে প্রকৃত বাজারদর যাচাই না করে ৩৩ গুণ পর্যন্ত বেশি দর নির্ধারণ করে। পরে মূল্যায়ন কমিটি, অনুমোদনকারী কর্মকর্তা ও ঠিকাদারেরর সহায়তায় ২ কোটি ১৮ লাখ ১৪ হাজার ১৯৬ টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে দুদকের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে।

২০১৭ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত সময়ের মধ্যে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রাহ্মণপাড়ায় নবাগত ইউএনওর সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময়

৩৩ গুণ বেশি দামে পণ্য কিনে ফাঁসলেন রেলের শীর্ষ ১৮ কর্মকর্তা

আপডেট সময় ০৫:৫৭:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

৩৩ গুণ পর্যন্ত বেশি দামে পণ্য ক্রয় করে সরকারের ২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বাংলাদেশ রেলওয়ের সাবেক দুই মহাপরিচালকসহ ১৮ জন সাবেক কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে প্রায় দুই কোটি ১৮ লাখ টাকার আত্মসাতের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির উপসহকারী পরিচালক মো. রোকনুজ্জামান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সংস্থাটির মহাপরিচালক আক্তার হোসন বিষয়টি জানিয়েছেন।

মামলার আসামিরা হলেন, বাংলাদেশ রেলওয়ের সাবেক মহাব্যবস্থাপক খোন্দকার শহিদুল ইসলাম, সাবেক সিওসি (পশ্চিম) খায়রুল আলম, সাবেক মহাব্যবস্থাপক (পশ্চিম) মজিবুর রহমান, সাবেক সিওসি (পশ্চিম) বেলাল হোসেন সরকার, সাবেক এসিওএস জাহিদ কাওছার, সাবেক ডেপুটি সিসিএম (পশ্চিম) ফুয়াদ হোসেন আনন্দ, সাবেক ডিএফএ শ্যামলী রাণী রায়, সাবেক উচ্চমান সহকারী (বর্তমানে সিওসি-পূর্ব) আলামিন তালুকদার, সাবেক ডিএফএ (অর্থ-পশ্চিম) আলমগীর হোসেন, সাবেক সিওপিএস (পশ্চিম) এ এম এম শাহনেওয়াজ, সাবেক এফএ অ্যান্ড সিএও (পশ্চিম) শরিফুল ইসলাম, সাবেক ডেপুটি সিওপিএস (পশ্চিম) মোছা. হাসিনা খাতুন, সাবেক এফএ অ্যান্ড সিএও (পশ্চিম) মসিহ উল হাসান, সাবেক এসিসিএম (পশ্চিম) শেখ আব্দুল জব্বার, সাবেক অতিরিক্ত এফএ অ্যান্ড সিএও (পশ্চিম) গোলাম রব্বানী, গোলাম রহমান, সাবেক এফএ অ্যান্ড সিও (পশ্চিম) সরোজ কান্তি দেব ও সাবেক সিসিএম (পশ্চিম) মিহির কান্তি গুহ।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা, জালিয়াতি ও অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে দপ্তরের ১৭ প্রকার পণ্য ক্রয়ে প্রকৃত বাজারদর যাচাই না করে ৩৩ গুণ পর্যন্ত বেশি দর নির্ধারণ করে। পরে মূল্যায়ন কমিটি, অনুমোদনকারী কর্মকর্তা ও ঠিকাদারেরর সহায়তায় ২ কোটি ১৮ লাখ ১৪ হাজার ১৯৬ টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে দুদকের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে।

২০১৭ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত সময়ের মধ্যে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।