ঢাকা ০৮:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ডিপ্লোমা পাস করার ৩ বছর পূর্বেই সহকারী কৃষি শিক্ষক নিয়োগ পেয়েছে আবুল কালাম আজাদ গণপূর্তের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সারোয়ার জাহানের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ বরিশালে কাস্টমস কর্মকর্তাকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ—ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলা, প্রত্যাহারে হুমকির দাবি এক মাসে দুইবার বাড়লো এলপিজির দাম, ১২ কেজি ১৯৪০ টাকা ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু সেই ভুয়া আজিজের সহযোগী ইউসুফ রিমান্ডে জ্বালানির সংকট নেই, অসাধু সিন্ডিকেটে পাম্পগুলোতে কৃত্রিম সংকট হচ্ছে তারাকান্দায় বিএনপির দুই গ্রুপের কর্মসূচি ঘিরে ১৪৪ ধারা জারি চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে হঠাৎ ছিটকে পড়ে বাসচাপায় ঠিকাদার নিহত চুয়াডাঙ্গায় ঘুমন্ত নারীকে কুপিয়ে হত্যা

যশোর বোর্ডে ২০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কেউই পাশ করেনি

যশোর শিক্ষাবোর্ডের অধীনে এ বছরের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় ২০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাশ করতে পারেনি। শতভাগ পাশ করেছে মাত্র ৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বৃহস্পতিবার সকালে যশোর বোর্ডের অধীনে ১০টি জেলার এইচএসসি পরীক্ষার ফল ঘোষণাকালে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. আব্দুল মতিন এ তথ্য দিয়েছেন। চলতি বছর যশোর শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ৫০.২০ শতাংশ। এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ হাজার ৯৯৫ শিক্ষার্থী। গত বারের তুলনায় পাশের হার যেমন কম, তেমনই কমেছে জিপিএ-৫ প্রাপ্তের সংখ্যাও দাঁড়িয়েছে অর্ধেকে। ২০২৪ সালে পাশের হার ছিল ৬৪.২৯ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ এর সংখ্যা ছিল ৯ হাজার ৭৪৯।

যশোর বোর্ডের অধীনে ১০ জেলা থেকে ৫৭৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে এক লাখ ১২ হাজার ৫৭৪ শিক্ষার্থী ২৪০টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেয়। এরমধ্যে পাশ করেছে মাত্র ৫৬ হাজার ৫০৯ জন। যশোর বোর্ডে এমন ফলের কারণ বিশ্লেষণে সংশ্লিষ্টদের অভিমত, এবার যারা পাশ করেছে সেসব শিক্ষার্থীরা পড়াশুনা করেই তাদের ফলাফল ভালো করেছে। যশোর শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার কমের কারণ হিসেবে বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানান, এ বছর ইংরেজিতে অনেক শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে। ওই বিষয়ে পাসের হার মাত্র ৫৪.৮২ শতাংশ। অর্থাৎ অকৃতকার্য হয়েছে প্রায় অর্ধেক।

যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভেন্যুকেন্দ্র ছিল, সেগুলো বাতিল, শিক্ষার্থীদের অনৈতিক সুবিধা বন্ধ সর্বোপরি রাজনৈতিক কোনো অসুস্থ প্রতিযোগিতা এবার মোটেও ছিল না। এসব কারণে এ বছর পাসের হারে তার একটা বড় প্রভাব পড়েছে বলে বলছেন প্রফেসর ড. আব্দুল মতিন। তিনি বলেন, এবারের পরীক্ষার আগে আমরা ৪৫টি ভেন্যুকেন্দ্র মূল কেন্দ্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত করেছি। সে কারণে যে প্রতিষ্ঠান, সেই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা গার্ড দেয়া, তাদের উত্তর বলে দেওয়ার মতো কাজ করতে পারেননি। বোর্ড থেকে সরবরাহ করা তথ্যে জানা গেছে, চলতি বছর যশোর শিক্ষাবোর্ডের ৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে।

এরমধ্যে ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ থেকে অংশ নেয় ৪৮ জন, যশোরের কেশবপুর উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা মহাবিদ্যালয়, পরীক্ষার্থী ছিল ৪ জন, সাতক্ষীরার আশাশুনী উপজেলার বুধহাটা মহিলা কলেজ, পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১জন, খুলনার ফুলতলা মিলিটারি কলেজিয়েট স্কুল, পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৯৪ এবং খালিশপুরের নেভি অ্যাঙ্করেজ স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে অংশ নেয় ৫১ জন।

অপরদিকে, একজন শিক্ষার্থীও পাস করেনি এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২০টি। এর মধ্যে যশোর জেলার রয়েছে ৪টি। সেগুলো হচ্ছে- ঝিকরগাছা উপজেলার বাঁকড়া হাজিরবাগ আইডিয়াল গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ (পরীক্ষার্থী ৭ জন), চৌগাছা উপজেলার মাড়ুয়া ইউসুফ খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ (পরীক্ষার্থী ২৬ জন), অভয়নগর উপজেলার শ্রীধরপুর ইউনিয়ন কলেজ (পরীক্ষার্থী ৭ জন) এবং কেশবপুর উপজেলার বুড়ুলি স্কুল অ্যান্ড কলেজ (পরীক্ষার্থী ১০ জন)। খুলনারও চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাসের হার শূন্য। সেগুলো হচ্ছে- ডুমুরিয়া মডেল মহিলা কলেজ, (পরীক্ষার্থী ১জন), হোম ইকনোমিকস কলেজ (পরীক্ষার্থী ১ জন), পাইকগাছার কপিলমুনি সঞ্চারী বিদ্যা মন্দির, (পরীক্ষার্থী ৫ জন) এবং তেরখাদা উপজেলার আদর্শ শিক্ষা নিকেতন (পরীক্ষার্থী ৮ জন)।

মাগুরা জেলার চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে এবার কেউই পাস করেনি। সেগুলো হচ্ছে- বুজরুক শ্রীকুণ্ডি কলেজ (পরীক্ষার্থী ৮ জন), রাউতাড়া এইচএন সেকেন্ডারি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, (পরীক্ষার্থী ৪ জন), মহম্মদপুরের কানাইনগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট, (পরীক্ষার্থী ৯ জন) এবং মহম্মদপুরের বীরেন শিকদার আইডিয়াল কলেজ, (পরীক্ষার্থী ১১ জন)।

সাতক্ষাীরা জেলার তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাসের হার শূন্য। সেগুলো হচ্ছে ইসলামিয়া মহিলা কলেজ, (পরীক্ষার্থী ৯ জন), আখড়াখোলা আইডিয়াল কলেজ, (পরীক্ষার্থী ৭জন) এবং সাতক্ষীরা কমার্স কলেজ, (পরীক্ষার্থী ২জন)। এছাড়া মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বিএন কলেজ, (পরীক্ষার্থী ১১ জন) বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার সিঙ্গোর গোপালপুর কলেজ, (পরীক্ষার্থী ১৮ জন), কুষ্টিয়ার আলহাজ এ. গণি কলেজ, (পরীক্ষার্থী ৪ জন), ঝিনাইদহের মুনুরিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ, (পরীক্ষার্থী ১৫ জন) এবং নড়াইলের লোহাগড়া মাকরাইল করিম খালেক সোলায়মান ইনস্টিটিউট, (পরীক্ষার্থী ৩৫ জন)।

শতভাগ শূন্য পাওয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে জানতে চাইলে যশোর শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. আব্দুল মতিন বলেন, বিগত ১৫-১৬ বছরে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে একেবারে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে আনা হয়েছিল, এটা অস্বীকার করার উপায় নেই। রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে পাসের হার বাড়ানো, বিনা পরীক্ষায় পাস (অটো পাস) এগুলো তো হয়েছে। যা হোক, যে ২০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে কেউই পাস করেনি, তাদের প্রতিষ্ঠান প্রধানদের আগামী সপ্তাহের মধ্যে আমরা ডাকবো। বিষয়টি চেয়ারম্যান মহোদয়কে অবহিত করেছি। তাদের কাছ থেকে আগে শুনতে চাই-এই ফলাফলের হেতু কী। যথাযথ জবাব না পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার সকালে যশোর শিক্ষাবোর্ডের প্রশাসনিক ভবনের হল রুমে এইচএসসির ফলাফল ঘোষণা করেন বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোছাম্মৎ আসমা বেগম।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সচিব প্রফেসর মাহবুবুল ইসলাম, কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর তৌহিদুজ্জামান, সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট জাহাঙ্গীর কবির প্রমুখ।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিপ্লোমা পাস করার ৩ বছর পূর্বেই সহকারী কৃষি শিক্ষক নিয়োগ পেয়েছে আবুল কালাম আজাদ

যশোর বোর্ডে ২০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কেউই পাশ করেনি

আপডেট সময় ০৫:৪৩:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

যশোর শিক্ষাবোর্ডের অধীনে এ বছরের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় ২০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাশ করতে পারেনি। শতভাগ পাশ করেছে মাত্র ৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বৃহস্পতিবার সকালে যশোর বোর্ডের অধীনে ১০টি জেলার এইচএসসি পরীক্ষার ফল ঘোষণাকালে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. আব্দুল মতিন এ তথ্য দিয়েছেন। চলতি বছর যশোর শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ৫০.২০ শতাংশ। এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ হাজার ৯৯৫ শিক্ষার্থী। গত বারের তুলনায় পাশের হার যেমন কম, তেমনই কমেছে জিপিএ-৫ প্রাপ্তের সংখ্যাও দাঁড়িয়েছে অর্ধেকে। ২০২৪ সালে পাশের হার ছিল ৬৪.২৯ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ এর সংখ্যা ছিল ৯ হাজার ৭৪৯।

যশোর বোর্ডের অধীনে ১০ জেলা থেকে ৫৭৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে এক লাখ ১২ হাজার ৫৭৪ শিক্ষার্থী ২৪০টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেয়। এরমধ্যে পাশ করেছে মাত্র ৫৬ হাজার ৫০৯ জন। যশোর বোর্ডে এমন ফলের কারণ বিশ্লেষণে সংশ্লিষ্টদের অভিমত, এবার যারা পাশ করেছে সেসব শিক্ষার্থীরা পড়াশুনা করেই তাদের ফলাফল ভালো করেছে। যশোর শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার কমের কারণ হিসেবে বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানান, এ বছর ইংরেজিতে অনেক শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে। ওই বিষয়ে পাসের হার মাত্র ৫৪.৮২ শতাংশ। অর্থাৎ অকৃতকার্য হয়েছে প্রায় অর্ধেক।

যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভেন্যুকেন্দ্র ছিল, সেগুলো বাতিল, শিক্ষার্থীদের অনৈতিক সুবিধা বন্ধ সর্বোপরি রাজনৈতিক কোনো অসুস্থ প্রতিযোগিতা এবার মোটেও ছিল না। এসব কারণে এ বছর পাসের হারে তার একটা বড় প্রভাব পড়েছে বলে বলছেন প্রফেসর ড. আব্দুল মতিন। তিনি বলেন, এবারের পরীক্ষার আগে আমরা ৪৫টি ভেন্যুকেন্দ্র মূল কেন্দ্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত করেছি। সে কারণে যে প্রতিষ্ঠান, সেই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা গার্ড দেয়া, তাদের উত্তর বলে দেওয়ার মতো কাজ করতে পারেননি। বোর্ড থেকে সরবরাহ করা তথ্যে জানা গেছে, চলতি বছর যশোর শিক্ষাবোর্ডের ৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে।

এরমধ্যে ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ থেকে অংশ নেয় ৪৮ জন, যশোরের কেশবপুর উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা মহাবিদ্যালয়, পরীক্ষার্থী ছিল ৪ জন, সাতক্ষীরার আশাশুনী উপজেলার বুধহাটা মহিলা কলেজ, পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১জন, খুলনার ফুলতলা মিলিটারি কলেজিয়েট স্কুল, পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৯৪ এবং খালিশপুরের নেভি অ্যাঙ্করেজ স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে অংশ নেয় ৫১ জন।

অপরদিকে, একজন শিক্ষার্থীও পাস করেনি এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২০টি। এর মধ্যে যশোর জেলার রয়েছে ৪টি। সেগুলো হচ্ছে- ঝিকরগাছা উপজেলার বাঁকড়া হাজিরবাগ আইডিয়াল গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ (পরীক্ষার্থী ৭ জন), চৌগাছা উপজেলার মাড়ুয়া ইউসুফ খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ (পরীক্ষার্থী ২৬ জন), অভয়নগর উপজেলার শ্রীধরপুর ইউনিয়ন কলেজ (পরীক্ষার্থী ৭ জন) এবং কেশবপুর উপজেলার বুড়ুলি স্কুল অ্যান্ড কলেজ (পরীক্ষার্থী ১০ জন)। খুলনারও চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাসের হার শূন্য। সেগুলো হচ্ছে- ডুমুরিয়া মডেল মহিলা কলেজ, (পরীক্ষার্থী ১জন), হোম ইকনোমিকস কলেজ (পরীক্ষার্থী ১ জন), পাইকগাছার কপিলমুনি সঞ্চারী বিদ্যা মন্দির, (পরীক্ষার্থী ৫ জন) এবং তেরখাদা উপজেলার আদর্শ শিক্ষা নিকেতন (পরীক্ষার্থী ৮ জন)।

মাগুরা জেলার চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে এবার কেউই পাস করেনি। সেগুলো হচ্ছে- বুজরুক শ্রীকুণ্ডি কলেজ (পরীক্ষার্থী ৮ জন), রাউতাড়া এইচএন সেকেন্ডারি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, (পরীক্ষার্থী ৪ জন), মহম্মদপুরের কানাইনগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট, (পরীক্ষার্থী ৯ জন) এবং মহম্মদপুরের বীরেন শিকদার আইডিয়াল কলেজ, (পরীক্ষার্থী ১১ জন)।

সাতক্ষাীরা জেলার তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাসের হার শূন্য। সেগুলো হচ্ছে ইসলামিয়া মহিলা কলেজ, (পরীক্ষার্থী ৯ জন), আখড়াখোলা আইডিয়াল কলেজ, (পরীক্ষার্থী ৭জন) এবং সাতক্ষীরা কমার্স কলেজ, (পরীক্ষার্থী ২জন)। এছাড়া মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বিএন কলেজ, (পরীক্ষার্থী ১১ জন) বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার সিঙ্গোর গোপালপুর কলেজ, (পরীক্ষার্থী ১৮ জন), কুষ্টিয়ার আলহাজ এ. গণি কলেজ, (পরীক্ষার্থী ৪ জন), ঝিনাইদহের মুনুরিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ, (পরীক্ষার্থী ১৫ জন) এবং নড়াইলের লোহাগড়া মাকরাইল করিম খালেক সোলায়মান ইনস্টিটিউট, (পরীক্ষার্থী ৩৫ জন)।

শতভাগ শূন্য পাওয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে জানতে চাইলে যশোর শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. আব্দুল মতিন বলেন, বিগত ১৫-১৬ বছরে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে একেবারে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে আনা হয়েছিল, এটা অস্বীকার করার উপায় নেই। রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে পাসের হার বাড়ানো, বিনা পরীক্ষায় পাস (অটো পাস) এগুলো তো হয়েছে। যা হোক, যে ২০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে কেউই পাস করেনি, তাদের প্রতিষ্ঠান প্রধানদের আগামী সপ্তাহের মধ্যে আমরা ডাকবো। বিষয়টি চেয়ারম্যান মহোদয়কে অবহিত করেছি। তাদের কাছ থেকে আগে শুনতে চাই-এই ফলাফলের হেতু কী। যথাযথ জবাব না পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার সকালে যশোর শিক্ষাবোর্ডের প্রশাসনিক ভবনের হল রুমে এইচএসসির ফলাফল ঘোষণা করেন বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোছাম্মৎ আসমা বেগম।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সচিব প্রফেসর মাহবুবুল ইসলাম, কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর তৌহিদুজ্জামান, সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট জাহাঙ্গীর কবির প্রমুখ।