ঢাকা ০৩:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নওগাঁয় বাবার সঙ্গে স্ত্রীর পরকিয়া, অভিমানে ছেলের আত্মহত্যা

নওগাঁর মান্দা উপজেলায় পারিবারিক বিরোধ ও অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ত্বালহা (২২) নামে এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনা এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। ঘটনাটি উপজেলার ভালাইন ইউনিয়নের তুড়ুকগ্রামে ঘটেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পেশায় টাইলস মিস্ত্রি ত্বালহার সঙ্গে তার স্ত্রী ও বাবা তাইজুল ইসলামের সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। পরিবারের সদস্যদের দাবি, এ বিষয়ে ত্বালহার সন্দেহ ছিল এবং তা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই কলহ হতো।
অভিযোগ রয়েছে, সম্প্রতি ত্বালহা তার বাবা ও স্ত্রীকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান। পরে মোবাইল ফোনে কিছু ছবি ও ভিডিও দেখতে পাওয়ার পর তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। বিষয়টির সুরাহার জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের দ্বারস্থ হন তিনি। ঈদুল আজহার আগের রাতে এ নিয়ে একটি সালিশি বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও সেখানে সন্তোষজনক সমাধান হয়নি বলে পরিবারের দাবি।
পরিবার ও স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ঈদের দিন বিকেলে অসুস্থ অবস্থায় ত্বালহাকে উদ্ধার করে প্রথমে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকালে তার মৃত্যু হয়। ময়নাতদন্ত শেষে সোমবার সন্ধ্যায় পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে।
এদিকে, ঘটনার পর অভিযুক্ত স্ত্রী তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এলাকাবাসীর একাংশ অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নওগাঁয় বাবার সঙ্গে স্ত্রীর পরকিয়া, অভিমানে ছেলের আত্মহত্যা

আপডেট সময় ০১:২৬:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
নওগাঁর মান্দা উপজেলায় পারিবারিক বিরোধ ও অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ত্বালহা (২২) নামে এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনা এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। ঘটনাটি উপজেলার ভালাইন ইউনিয়নের তুড়ুকগ্রামে ঘটেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পেশায় টাইলস মিস্ত্রি ত্বালহার সঙ্গে তার স্ত্রী ও বাবা তাইজুল ইসলামের সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। পরিবারের সদস্যদের দাবি, এ বিষয়ে ত্বালহার সন্দেহ ছিল এবং তা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই কলহ হতো।
অভিযোগ রয়েছে, সম্প্রতি ত্বালহা তার বাবা ও স্ত্রীকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান। পরে মোবাইল ফোনে কিছু ছবি ও ভিডিও দেখতে পাওয়ার পর তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। বিষয়টির সুরাহার জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের দ্বারস্থ হন তিনি। ঈদুল আজহার আগের রাতে এ নিয়ে একটি সালিশি বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও সেখানে সন্তোষজনক সমাধান হয়নি বলে পরিবারের দাবি।
পরিবার ও স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ঈদের দিন বিকেলে অসুস্থ অবস্থায় ত্বালহাকে উদ্ধার করে প্রথমে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকালে তার মৃত্যু হয়। ময়নাতদন্ত শেষে সোমবার সন্ধ্যায় পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে।
এদিকে, ঘটনার পর অভিযুক্ত স্ত্রী তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এলাকাবাসীর একাংশ অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।