চিনি, পরিশোধিত সয়াবিন তেল ও মসুর ডাল ক্রয়ে মোট ৫১৯ কোটি ৩৭ লাখ ৭২ হাজার ৫০০ টাকা ব্যয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পৃথক তিনটি প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে এসব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ক্রয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।
জানা যায়, অনুমোদিত প্রস্তাবের মধ্যে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ২৫ হাজার মেট্রিক টন চিনি কেনা হবে। এতে প্রতি মেট্রিক টন চিনির দর ধরা হয়েছে ৫১৪ মার্কিন ডলার। চিনি কিনতে মোট ব্যয় হবে ১৫৭ কোটি ৮৬ লাখ ২২ হাজার ৫০০ টাকা। সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইন্দোনেশিয়ার ‘পিটি ট্রিনিটি চাহয়া এনার্জি’ সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছে।
একই ডিস্ট্রিবিউটর বা সরবরাহকারী পিটি ট্রিনিটি চাহয়া এনার্জির কাছ থেকে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে আরও ২ কোটি লিটার পরিশোধিত সয়াবিন তেল কেনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এতে মোট ব্যয় হবে ২৮২ কোটি ৫৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। প্রতি লিটার তেলের দর নির্ধারণ করা হয়েছে ১ দশমিক ১৫০ মার্কিন ডলার।
এ ছাড়া দেশীয় বাজার থেকে জাতীয় উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ১০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল ক্রয়ের প্রস্তাবটি অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা কমিটি। এতে মোট খরচ হবে ৭৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। প্রতি কেজি মসুর ডালের দাম ধরা হয়েছে ৭৮ টাকা ৯৬ পয়সা। ৫০ কেজির বস্তায় এ ডাল সরবরাহ করবে রাজশাহীর পবা উপজেলার ‘নাবিল নাবা ফুডস লিমিটেড’।
উল্লেখ্য, আজকের বৈঠকে স্থানীয়ভাবে ২ কোটি লিটার পরিশোধিত পাম অলিন ক্রয়ের একটি প্রস্তাব উত্থাপিত হলেও পরবর্তীতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে তা সভা থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। ফলে পাম অলিন কেনার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত বা মূল্য অনুমোদন করা হয়নি।
নিজস্ব প্রতিবেদক 
























