ঢাকা ০৯:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিষ মেশানো ভাত খেয়ে কাতরাচ্ছিলেন স্বামী, স্ত্রী এনে দিলেন বিষাক্ত শরবত হলিস্টিক গ্রুপের দুই শত কোটি টাকার প্রতারণা পবিপ্রবিতে গ্রেটার রাজশাহী স্টুডেন্ট অ্যালায়েন্সের নবীনবরণ ও বিদায় সংবর্ধনা গাজী নজরুল ইসলামকে বাদ দিয়েই সংসদীয় কমিটি গঠন রেলওয়ের প্রকৌশলী শাহ আলমের কুলখানি ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মঠবাড়িয়ায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে দুটি  বিস্ফোরক ও হত্যা মামলার আসামী আল মামুন  অটোরিকশায় যুক্ত হচ্ছে কিউআর কোড ও ডিজিটাল ট্র্যাকিং সিস্টেম অটোরিকশায় বছরে ৪ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘নিউ মেক্সিকো’র নাম পরিবর্তন করে ‘নিউ আমেরিকা’ রাখার প্রস্তাব ট্রাম্পের বাসা থেকে অফিসের কাজ সামলাচ্ছেন বিদ্যুৎমন্ত্রী, শিগগির ফিরবেন কর্মস্থলে

৫১৯ কোটি টাকার চিনি, সয়াবিন তেল ও মসুর ডাল কিনছে সরকার

চিনি, পরিশোধিত সয়াবিন তেল ও মসুর ডাল ক্রয়ে মোট ৫১৯ কোটি ৩৭ লাখ ৭২ হাজার ৫০০ টাকা ব্যয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পৃথক তিনটি প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে এসব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ক্রয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১২ আগস্ট) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।
জানা যায়, অনুমোদিত প্রস্তাবের মধ্যে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ২৫ হাজার মেট্রিক টন চিনি কেনা হবে। এতে প্রতি মেট্রিক টন চিনির দর ধরা হয়েছে ৫১৪ মার্কিন ডলার। চিনি কিনতে মোট ব্যয় হবে ১৫৭ কোটি ৮৬ লাখ ২২ হাজার ৫০০ টাকা। সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইন্দোনেশিয়ার ‘পিটি ট্রিনিটি চাহয়া এনার্জি’ সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছে।

একই ডিস্ট্রিবিউটর বা সরবরাহকারী পিটি ট্রিনিটি চাহয়া এনার্জির কাছ থেকে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে আরও ২ কোটি লিটার পরিশোধিত সয়াবিন তেল কেনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এতে মোট ব্যয় হবে ২৮২ কোটি ৫৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। প্রতি লিটার তেলের দর নির্ধারণ করা হয়েছে ১ দশমিক ১৫০ মার্কিন ডলার।

এ ছাড়া দেশীয় বাজার থেকে জাতীয় উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ১০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল ক্রয়ের প্রস্তাবটি অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা কমিটি। এতে মোট খরচ হবে ৭৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। প্রতি কেজি মসুর ডালের দাম ধরা হয়েছে ৭৮ টাকা ৯৬ পয়সা। ৫০ কেজির বস্তায় এ ডাল সরবরাহ করবে রাজশাহীর পবা উপজেলার ‘নাবিল নাবা ফুডস লিমিটেড’।

উল্লেখ্য, আজকের বৈঠকে স্থানীয়ভাবে ২ কোটি লিটার পরিশোধিত পাম অলিন ক্রয়ের একটি প্রস্তাব উত্থাপিত হলেও পরবর্তীতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে তা সভা থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। ফলে পাম অলিন কেনার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত বা মূল্য অনুমোদন করা হয়নি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিষ মেশানো ভাত খেয়ে কাতরাচ্ছিলেন স্বামী, স্ত্রী এনে দিলেন বিষাক্ত শরবত

৫১৯ কোটি টাকার চিনি, সয়াবিন তেল ও মসুর ডাল কিনছে সরকার

আপডেট সময় ০৮:৩২:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

চিনি, পরিশোধিত সয়াবিন তেল ও মসুর ডাল ক্রয়ে মোট ৫১৯ কোটি ৩৭ লাখ ৭২ হাজার ৫০০ টাকা ব্যয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পৃথক তিনটি প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে এসব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ক্রয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১২ আগস্ট) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।
জানা যায়, অনুমোদিত প্রস্তাবের মধ্যে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ২৫ হাজার মেট্রিক টন চিনি কেনা হবে। এতে প্রতি মেট্রিক টন চিনির দর ধরা হয়েছে ৫১৪ মার্কিন ডলার। চিনি কিনতে মোট ব্যয় হবে ১৫৭ কোটি ৮৬ লাখ ২২ হাজার ৫০০ টাকা। সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইন্দোনেশিয়ার ‘পিটি ট্রিনিটি চাহয়া এনার্জি’ সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছে।

একই ডিস্ট্রিবিউটর বা সরবরাহকারী পিটি ট্রিনিটি চাহয়া এনার্জির কাছ থেকে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে আরও ২ কোটি লিটার পরিশোধিত সয়াবিন তেল কেনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এতে মোট ব্যয় হবে ২৮২ কোটি ৫৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। প্রতি লিটার তেলের দর নির্ধারণ করা হয়েছে ১ দশমিক ১৫০ মার্কিন ডলার।

এ ছাড়া দেশীয় বাজার থেকে জাতীয় উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ১০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল ক্রয়ের প্রস্তাবটি অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা কমিটি। এতে মোট খরচ হবে ৭৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। প্রতি কেজি মসুর ডালের দাম ধরা হয়েছে ৭৮ টাকা ৯৬ পয়সা। ৫০ কেজির বস্তায় এ ডাল সরবরাহ করবে রাজশাহীর পবা উপজেলার ‘নাবিল নাবা ফুডস লিমিটেড’।

উল্লেখ্য, আজকের বৈঠকে স্থানীয়ভাবে ২ কোটি লিটার পরিশোধিত পাম অলিন ক্রয়ের একটি প্রস্তাব উত্থাপিত হলেও পরবর্তীতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে তা সভা থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। ফলে পাম অলিন কেনার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত বা মূল্য অনুমোদন করা হয়নি।