ঢাকা ০১:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাফল্যের সুতোয় স্বপ্ন বুনে বিশ্বজয়ের পথে উইন্ডি গ্রুপ যারা দেশে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে তাদেরকে নজরদারিতে রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডেমরায় বাড়ি থেকে ২ বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার জাপানে ভারি বৃষ্টিতে ৮ জনের মৃত্যু, টোকিও বিমানবন্দরে আটকা হাজারো যাত্রী মোংলা নদীতে দশম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু নির্মাণ হবে : নৌপরিবহনমন্ত্রী যারা পালিয়ে যায়, তার আর দেশে ফিরতে পারে না: রিজভী শিক্ষার মানোন্নয়ন সভায় শিক্ষকদেরই ঠাঁই হলো না মঞ্চে; কালিহাতীতে তীব্র ক্ষোভ বিদ্যুৎ-গ্যাসের সমস্যা সমাধানে অন্তত দুই বছর লাগবে : অর্থমন্ত্রী বংশালে হেলমেটের গোডাউনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৭ ইউনিট অনার্স পর্যন্ত নারীদের ফ্রিতে পড়াশোনার ব্যবস্থা করা হবে : প্রধানমন্ত্রী

দেশের হয়ে খেলতে মালয়েশিয়া, জাকসুতে সর্বোচ্চ ভোট কিরণের

বাংলাদেশের ফুটবলে পরিচিত মুখ মাহমুদুল হাসান কিরণ। বাংলাদেশ অ-২৩ দলে খেলেছেন। প্রথমবারের মতো পুরুষ ফুটসাল দলেও আছেন। এএফসি ফুটসাল টুর্নামেন্টের বাছাই খেলতে মালয়েশিয়ায় থাকায় জাকসু নির্বাচনে ভোট দিতে পারেননি কিরণ। অথচ জাকসু নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ৫ হাজার ৭১৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

জাকসুর ফলাফল যখন ঘোষণা হয় তখন মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে ফুটসাল অনুশীলনে কিরণ। সেই অনুশীলন শেষে কিরণ মালয়েশিয়া থেকে উচ্ছাস প্রকাশ করলেন এভাবে, ‘আমি আমার জয়ের জন্যে প্রথমত সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞ। আমি সাধারণ শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জানাই যারা আমাকে না দেখেই বা আমার প্রতি বিশ্বাস রেখে ভোট দিয়েছেন।’

১১ সেপ্টেম্বর ছিল জাকসু নির্বাচন। বাংলাদেশ ফুটসাল দল ৭ সেপ্টেম্বর মালয়েশিয়ার উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করে। কিরণ দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হওয়ায় ঐদিনই তাকে যেতে হয়েছে। ফলে নির্বাচনের আগে সশরীরে জনসংযোগ করতে পারেননি। এমনকি নির্বাচনের দিনও অনুপস্থিত ছিলেন।

নিজের ভোট নিজে না দিতে পারলেও জাহাঙ্গীরনগরের শিক্ষার্থীরা কিরণকে বিপুল ভোটে দিয়েছেন। ভিপি, সেক্রেটারি বা সকল পদ এবং ব্যক্তির মধ্যে তিনি সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছেন। জাকসু নির্বাচনে চারটি পূর্ণাঙ্গ ও কয়েকটি আংশিক প্যানেল থাকলেও কিরণ কোনো প্যানেলে যাননি। স্বতন্ত্র নির্বাচন করেছেন। তাই তিনি তার জয়কে পুরো জাহাঙ্গীরনগরের বলেছেন, ‘আমার এই জয় পুরো জাহাঙ্গীর নগর এর, পুরো জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস ক্লাবের।’

নিজে জিতলেও তার ঘনিষ্ঠ জাতীয় বাস্কেটবল খেলোয়াড় সান্জু সহকারী ক্রীড়া সম্পাদক পদে হেরেছেন। সান্জুর পরাজয় ও চারুকলা বিভাগের শিক্ষিকার মৃত্যুতে অত্যন্ত ব্যথিত কিরণ, ‘জান্নাতুল ফেরদৌস ম্যামের মৃত্যু এবং আমার বন্ধু সাঞ্জু হেরেছে। দুটি বিষয় আমাকে খুবই ব্যথিত করেছে। আমার নিজের থেকে তার খবর বেশি নিয়েছি, কান্না ধরে রাখতে পারি নাই। যারা জয়ী হয়েছে তারা যোগ্যতা দিয়েই এসেছে।’

জাতীয় দল, ক্লাব ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলাধুলাতেও অনেক সক্রিয় কিরণ। তার নেতৃত্বেই সম্প্রতি বাংলা বিভাগ আন্তঃবিভাগ ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ফুটবল ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য খেলা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলোয়াড়দের পাশে কিরণ পাশে থাকেন সব সময়।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাফল্যের সুতোয় স্বপ্ন বুনে বিশ্বজয়ের পথে উইন্ডি গ্রুপ

দেশের হয়ে খেলতে মালয়েশিয়া, জাকসুতে সর্বোচ্চ ভোট কিরণের

আপডেট সময় ০৯:১০:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশের ফুটবলে পরিচিত মুখ মাহমুদুল হাসান কিরণ। বাংলাদেশ অ-২৩ দলে খেলেছেন। প্রথমবারের মতো পুরুষ ফুটসাল দলেও আছেন। এএফসি ফুটসাল টুর্নামেন্টের বাছাই খেলতে মালয়েশিয়ায় থাকায় জাকসু নির্বাচনে ভোট দিতে পারেননি কিরণ। অথচ জাকসু নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ৫ হাজার ৭১৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

জাকসুর ফলাফল যখন ঘোষণা হয় তখন মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে ফুটসাল অনুশীলনে কিরণ। সেই অনুশীলন শেষে কিরণ মালয়েশিয়া থেকে উচ্ছাস প্রকাশ করলেন এভাবে, ‘আমি আমার জয়ের জন্যে প্রথমত সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞ। আমি সাধারণ শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জানাই যারা আমাকে না দেখেই বা আমার প্রতি বিশ্বাস রেখে ভোট দিয়েছেন।’

১১ সেপ্টেম্বর ছিল জাকসু নির্বাচন। বাংলাদেশ ফুটসাল দল ৭ সেপ্টেম্বর মালয়েশিয়ার উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করে। কিরণ দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হওয়ায় ঐদিনই তাকে যেতে হয়েছে। ফলে নির্বাচনের আগে সশরীরে জনসংযোগ করতে পারেননি। এমনকি নির্বাচনের দিনও অনুপস্থিত ছিলেন।

নিজের ভোট নিজে না দিতে পারলেও জাহাঙ্গীরনগরের শিক্ষার্থীরা কিরণকে বিপুল ভোটে দিয়েছেন। ভিপি, সেক্রেটারি বা সকল পদ এবং ব্যক্তির মধ্যে তিনি সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছেন। জাকসু নির্বাচনে চারটি পূর্ণাঙ্গ ও কয়েকটি আংশিক প্যানেল থাকলেও কিরণ কোনো প্যানেলে যাননি। স্বতন্ত্র নির্বাচন করেছেন। তাই তিনি তার জয়কে পুরো জাহাঙ্গীরনগরের বলেছেন, ‘আমার এই জয় পুরো জাহাঙ্গীর নগর এর, পুরো জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস ক্লাবের।’

নিজে জিতলেও তার ঘনিষ্ঠ জাতীয় বাস্কেটবল খেলোয়াড় সান্জু সহকারী ক্রীড়া সম্পাদক পদে হেরেছেন। সান্জুর পরাজয় ও চারুকলা বিভাগের শিক্ষিকার মৃত্যুতে অত্যন্ত ব্যথিত কিরণ, ‘জান্নাতুল ফেরদৌস ম্যামের মৃত্যু এবং আমার বন্ধু সাঞ্জু হেরেছে। দুটি বিষয় আমাকে খুবই ব্যথিত করেছে। আমার নিজের থেকে তার খবর বেশি নিয়েছি, কান্না ধরে রাখতে পারি নাই। যারা জয়ী হয়েছে তারা যোগ্যতা দিয়েই এসেছে।’

জাতীয় দল, ক্লাব ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলাধুলাতেও অনেক সক্রিয় কিরণ। তার নেতৃত্বেই সম্প্রতি বাংলা বিভাগ আন্তঃবিভাগ ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ফুটবল ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য খেলা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলোয়াড়দের পাশে কিরণ পাশে থাকেন সব সময়।