সংবাদ শিরোনাম ::
হামের টিকায় গাফিলতির প্রমাণ পেলে কঠোর ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন মিয়ানমারের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমের মানহানী মামলার প্রতিবাদে সাংবাদিকদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত কুমিল্লায় থানার সামনে দুপক্ষের সংঘর্ষ, আটক ৩ জয়পুরহাটে উদ্ধার হলো বিশাল আকৃতির গাঁজা গাছ কসবায় মোবাইল কোর্টের অভিযান: ৫ ফার্মেসিকে ৫৫ হাজার টাকা জরিমানা স্পেশাল বিসিএসের মাধ্যমে আরও ৫ হাজার ডাক্তার নেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী টাঙ্গাইলে যমজ দুই ভাইয়ের সঙ্গে দুই বোন লতা-পাতার বিয়ে প্রবাসীদের পাসপোর্ট ফি কমানোর প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে সরকার মাদক ও ধর্ষকের পক্ষে তদবির করলে নেতাদেরও হাজতে পাঠানো হবে: আইনমন্ত্রী
জাকসু নির্বাচন

আমরা হারার জন্য প্রস্তুত আছি : শিবির সমর্থিত জিএস প্রার্থী

  • সাভার (ঢাকা)
  • আপডেট সময় ০৫:৫১:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৬০৩ বার পড়া হয়েছে

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে ছাত্রশিবির সমর্থিত সমন্বিত শিক্ষার্থী জোটের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদপ্রার্থী মো. মাজহারুল ইসলাম বলেছেন, আমরা বলিনি আমরা জিততে চাই। শিক্ষার্থীরা ভোট প্রদান করে আমাদের যদি রায় দেয়, আমরা হারার জন্য প্রস্তুত আছি। কোনো প্রকার ও সহিংসতা কিংবা জোরপূর্বক জয়ের ব্যাপারে কোনো চেষ্টা করিনি।

বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মওলানা ভাসানী হল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
মাজহারুল ইসলাম বলেন,তাজউদ্দীন হলে প্রার্থী হয়েও জোর করে কেন্দ্রে ঢুকেছে। শিক্ষার্থীরা রুখে দাঁড়িয়েছেন। সামগ্রিক ব্যাপারগুলো আমাদের দিকে আসে না, অন্যদিকে যাচ্ছে এবং বিপরীত দিকে যাচ্ছে। এত কিছু থাকার পরও আমাদের যদি দায়ী করা হয়, টান্সপারেসি রক্ষার জন্য গতকাল রাত থেকে আমরা এফোর্ড দিয়েছি, গতকাল রাতে আমাদের পাশে কেউ ছিলেন না। শিক্ষার্থীরা আমাদের গ্রহণ করলেও মেনে নেব, গ্রহণ না করলেও মেনে নেব। নির্বাচন সুষ্ঠু করার জন্য আমরা যে কতটা আন্তরিক ছিলাম তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ গতকাল রাতে নির্বাচন কমিশনার অফিস যেখানে সবার এক্সেস থাকার কথা না, শুধুমাত্র নির্বাচন কমিশনের থাকার কথা, কিন্তু সেখানে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের প্রবেশ কতটা স্বচ্ছতাকে প্রশ্নবিদ্ধ হয়, তা আমরা নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছিলাম।

তিনি আরও বলেন, সকাল থেকে বলেছিলাম পোলিং এজেন্টরা যথাযথভাবে কাজ করতে পারেন এবং নির্বাচনে অনেকগুলো জটিলতা ছিল অতিরিক্ত ব্যালট পেপার রাখা। আমরা বলেছিলাম, যতজন শিক্ষার্থী ততগুলো যাতে ব্যালট পেপার রাখা হয়। আপনারা লক্ষ্য করে দেখেন আমাদের প্রত্যেকটা দাবি অত্যন্ত যৌক্তিক। আমরা কোনো গোঁজামিল ও ফাঁকফোকোর করে রাখিনি। তারা জোরপূর্বক হট্টগোল করেছে, স্বাভাবিক নখের কালির জন্য বলা হয়েছে নির্বাচনে কারচুপি করা হয়েছে। অনেক জনকে লিফটেড কেন বিতরণ করা হচ্ছে তাকে বলা হচ্ছে শিবির। তারপরও আমাদের প্রশ্নবিদ্ধ করা এটা অবান্তর।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হামের টিকায় গাফিলতির প্রমাণ পেলে কঠোর ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রী

জাকসু নির্বাচন

আমরা হারার জন্য প্রস্তুত আছি : শিবির সমর্থিত জিএস প্রার্থী

আপডেট সময় ০৫:৫১:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে ছাত্রশিবির সমর্থিত সমন্বিত শিক্ষার্থী জোটের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদপ্রার্থী মো. মাজহারুল ইসলাম বলেছেন, আমরা বলিনি আমরা জিততে চাই। শিক্ষার্থীরা ভোট প্রদান করে আমাদের যদি রায় দেয়, আমরা হারার জন্য প্রস্তুত আছি। কোনো প্রকার ও সহিংসতা কিংবা জোরপূর্বক জয়ের ব্যাপারে কোনো চেষ্টা করিনি।

বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মওলানা ভাসানী হল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
মাজহারুল ইসলাম বলেন,তাজউদ্দীন হলে প্রার্থী হয়েও জোর করে কেন্দ্রে ঢুকেছে। শিক্ষার্থীরা রুখে দাঁড়িয়েছেন। সামগ্রিক ব্যাপারগুলো আমাদের দিকে আসে না, অন্যদিকে যাচ্ছে এবং বিপরীত দিকে যাচ্ছে। এত কিছু থাকার পরও আমাদের যদি দায়ী করা হয়, টান্সপারেসি রক্ষার জন্য গতকাল রাত থেকে আমরা এফোর্ড দিয়েছি, গতকাল রাতে আমাদের পাশে কেউ ছিলেন না। শিক্ষার্থীরা আমাদের গ্রহণ করলেও মেনে নেব, গ্রহণ না করলেও মেনে নেব। নির্বাচন সুষ্ঠু করার জন্য আমরা যে কতটা আন্তরিক ছিলাম তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ গতকাল রাতে নির্বাচন কমিশনার অফিস যেখানে সবার এক্সেস থাকার কথা না, শুধুমাত্র নির্বাচন কমিশনের থাকার কথা, কিন্তু সেখানে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের প্রবেশ কতটা স্বচ্ছতাকে প্রশ্নবিদ্ধ হয়, তা আমরা নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছিলাম।

তিনি আরও বলেন, সকাল থেকে বলেছিলাম পোলিং এজেন্টরা যথাযথভাবে কাজ করতে পারেন এবং নির্বাচনে অনেকগুলো জটিলতা ছিল অতিরিক্ত ব্যালট পেপার রাখা। আমরা বলেছিলাম, যতজন শিক্ষার্থী ততগুলো যাতে ব্যালট পেপার রাখা হয়। আপনারা লক্ষ্য করে দেখেন আমাদের প্রত্যেকটা দাবি অত্যন্ত যৌক্তিক। আমরা কোনো গোঁজামিল ও ফাঁকফোকোর করে রাখিনি। তারা জোরপূর্বক হট্টগোল করেছে, স্বাভাবিক নখের কালির জন্য বলা হয়েছে নির্বাচনে কারচুপি করা হয়েছে। অনেক জনকে লিফটেড কেন বিতরণ করা হচ্ছে তাকে বলা হচ্ছে শিবির। তারপরও আমাদের প্রশ্নবিদ্ধ করা এটা অবান্তর।