ঢাকা ১০:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভাগ্নি-জামাই-ভাগিনা’দের দাপটে সক্রিয় আওয়ামী দুর্নীতিবাজরা দক্ষিণ আফ্রিকায় পরিত্যক্ত খনিতে ঢুকে ১৪ জনের মৃত্যু আউটসোর্সিং ঠিকাদার প্রথা বাতিল না হলে শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত হবে না: শিমুল বিশ্বাস মির্জাপুরে নবাগত ইউএনও হিসেবে জহিরুল আলমের যোগদান ৩ জন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদকে পবিপ্রবি’র রিজেন্ট বোর্ডের সদস্য মনোনয়ন দিলেন চ্যান্সেলর আদিতমারীতে সার আইন লঙ্ঘনে ২ ব্যবসায়ীকে জরিমানা ৫ মাদরাসায় শতভাগ ফেল করায় সিসিটিভিকে দায়ী করলেন অধ্যক্ষ কম্ব্যাট পাইলট হয়ে দেশ ও জাতির সেবা করতে চায় জুয়ারিয়া ১৮ আগস্ট থেকে কুমিল্লায় মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান, ‘কাউকে ছাড় নয়’ ধামরাইয়ে রাইস মিল ও ৩ মিষ্টির দোকানকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা

মুজিবনগর ইউএনও পলাশের বিরুদ্ধে ৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ 

  • বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় ০৫:২৩:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৮০০ বার পড়া হয়েছে

মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পলাশ মন্ডল ৮ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠেছে। গত ১০/০৯/২০২৫ তারিখে স্বজমিনে তদন্ত করে দেখা যায় যে, ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে জেলা প্রশাসক মেহেরপুর মহোদয়ের অনুকূলে টিআর। মুজিবনগর উপজেলায় ৩টা প্রকল্পের বরাদ্দকৃত ৮ লক্ষ টাকা উপজেলা নির্বাহী অফিসার পলাশ মন্ডল কাগজ কলমে তুলে নিয়েছে কিন্তু বাস্তবে আজ পর্যন্ত কাজ করেননি। প্রকল্প গুলো হলো মুজিবনগর সৃতি কমপ্লেক্স হইতে কেদারগঞ্জ বাজার পর্যন্ত রাস্তায় ও বাজারে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করার জন্য বরাদ্দকৃত ৩ লক্ষ টাকা, মুজিবনগর উপজেলা সম্মেলন কক্ষে ডিজিটাল ডিসপ্লে ও মাল্টিমিডিয়া স্থাপন করার জন্য বরাদ্দকৃত ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। মুজিবনগর পাঠাগার উন্নয়নের জন্য বরাদ্দকৃত ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার কাজ কাগজ কলমে খরচ হলেও বাস্তবে আজ পর্যন্ত হয়নি। কিন্তু স্বজমিনে তদন্ত করার সময় পাঠাগারের কোনো সাইনবোর্ড পাওয়া যায়নি। ২০ ফিট/৩০ ফিট আয়তনের ছোট্ট পাঠাগারটি যখন ছবি তুলছিলাম তখন স্থানীয় কয়েকজন মানুষের সাথে কথা বলে জানতে পারি পাঠাগারটি বছরে দুই একদিনের জন্যও কেউ খোলে না। এই পাঠাগারের উন্নয়নে গত ৫ মাসের মধ্যে কোনো কাজ হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তারা বলেন যে, মাস খানেক আগে শুধু মাত্র রং করেছে কিন্তু ১ মাস যেতে না যেতেই রং সব ওঠে পড়ছে। এই রং করা খরচের বিষয়ে একজন রং মিস্ত্রির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন যে ঘরটি রং করার জন্য সর্বচ্চো ১০ হাজার টাকা খরচ হতে পারে। বাকি ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা কাগজ কলমে খরচ হলেও বাস্তবে ঐ টাকা হয়তো ইউএনও সাহেবের পকেটে ঢুকেছে। এই বিষয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার পলাশ মন্ডল এর সাথে কথা বলার জন্য তার মোবাইল ফোনে ৪-৫ দিন ধরে ১০-২০ বার ফোন দিয়েছি কিন্তু তিনি ফোন ধরেননি। হোয়্যাটসঅ্যাপে ম্যাসেজ দিয়ে এই বিষয়ে জানার চেষ্টা করেছি কিন্তু তিনি ম্যাসেজের কোনো উত্তর দেয়নি। সরাসরি স্বাক্ষত করে এই বিষয় জানার চেষ্টা করেছি কিন্তু ইউএনও স্বাক্ষত পায়নি। এই বিষয় আরো জানার জন্য উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকৌশলী নিঞ্জন চক্রবর্তী কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন যে, আমি কয়েক মাস হলো এসেছি ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের কাজ এই বিষয় আমি কিছু বলতে পারবো না এইটা আগের উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বলতে পারবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভাগ্নি-জামাই-ভাগিনা’দের দাপটে সক্রিয় আওয়ামী দুর্নীতিবাজরা

মুজিবনগর ইউএনও পলাশের বিরুদ্ধে ৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ 

আপডেট সময় ০৫:২৩:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পলাশ মন্ডল ৮ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠেছে। গত ১০/০৯/২০২৫ তারিখে স্বজমিনে তদন্ত করে দেখা যায় যে, ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে জেলা প্রশাসক মেহেরপুর মহোদয়ের অনুকূলে টিআর। মুজিবনগর উপজেলায় ৩টা প্রকল্পের বরাদ্দকৃত ৮ লক্ষ টাকা উপজেলা নির্বাহী অফিসার পলাশ মন্ডল কাগজ কলমে তুলে নিয়েছে কিন্তু বাস্তবে আজ পর্যন্ত কাজ করেননি। প্রকল্প গুলো হলো মুজিবনগর সৃতি কমপ্লেক্স হইতে কেদারগঞ্জ বাজার পর্যন্ত রাস্তায় ও বাজারে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করার জন্য বরাদ্দকৃত ৩ লক্ষ টাকা, মুজিবনগর উপজেলা সম্মেলন কক্ষে ডিজিটাল ডিসপ্লে ও মাল্টিমিডিয়া স্থাপন করার জন্য বরাদ্দকৃত ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। মুজিবনগর পাঠাগার উন্নয়নের জন্য বরাদ্দকৃত ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার কাজ কাগজ কলমে খরচ হলেও বাস্তবে আজ পর্যন্ত হয়নি। কিন্তু স্বজমিনে তদন্ত করার সময় পাঠাগারের কোনো সাইনবোর্ড পাওয়া যায়নি। ২০ ফিট/৩০ ফিট আয়তনের ছোট্ট পাঠাগারটি যখন ছবি তুলছিলাম তখন স্থানীয় কয়েকজন মানুষের সাথে কথা বলে জানতে পারি পাঠাগারটি বছরে দুই একদিনের জন্যও কেউ খোলে না। এই পাঠাগারের উন্নয়নে গত ৫ মাসের মধ্যে কোনো কাজ হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তারা বলেন যে, মাস খানেক আগে শুধু মাত্র রং করেছে কিন্তু ১ মাস যেতে না যেতেই রং সব ওঠে পড়ছে। এই রং করা খরচের বিষয়ে একজন রং মিস্ত্রির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন যে ঘরটি রং করার জন্য সর্বচ্চো ১০ হাজার টাকা খরচ হতে পারে। বাকি ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা কাগজ কলমে খরচ হলেও বাস্তবে ঐ টাকা হয়তো ইউএনও সাহেবের পকেটে ঢুকেছে। এই বিষয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার পলাশ মন্ডল এর সাথে কথা বলার জন্য তার মোবাইল ফোনে ৪-৫ দিন ধরে ১০-২০ বার ফোন দিয়েছি কিন্তু তিনি ফোন ধরেননি। হোয়্যাটসঅ্যাপে ম্যাসেজ দিয়ে এই বিষয়ে জানার চেষ্টা করেছি কিন্তু তিনি ম্যাসেজের কোনো উত্তর দেয়নি। সরাসরি স্বাক্ষত করে এই বিষয় জানার চেষ্টা করেছি কিন্তু ইউএনও স্বাক্ষত পায়নি। এই বিষয় আরো জানার জন্য উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকৌশলী নিঞ্জন চক্রবর্তী কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন যে, আমি কয়েক মাস হলো এসেছি ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের কাজ এই বিষয় আমি কিছু বলতে পারবো না এইটা আগের উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বলতে পারবে।