ঢাকা ১০:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাদারীপুরের রাজৈর এ অনুষ্ঠিতব্য এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা -২০২৬ এর পরীক্ষা শুরু ডিপ্লোমা পাস করার ৩ বছর পূর্বেই সহকারী কৃষি শিক্ষক নিয়োগ পেয়েছে আবুল কালাম আজাদ গণপূর্তের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সারোয়ার জাহানের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ বরিশালে কাস্টমস কর্মকর্তাকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ—ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলা, প্রত্যাহারে হুমকির দাবি এক মাসে দুইবার বাড়লো এলপিজির দাম, ১২ কেজি ১৯৪০ টাকা ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু সেই ভুয়া আজিজের সহযোগী ইউসুফ রিমান্ডে জ্বালানির সংকট নেই, অসাধু সিন্ডিকেটে পাম্পগুলোতে কৃত্রিম সংকট হচ্ছে তারাকান্দায় বিএনপির দুই গ্রুপের কর্মসূচি ঘিরে ১৪৪ ধারা জারি চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে হঠাৎ ছিটকে পড়ে বাসচাপায় ঠিকাদার নিহত

মুজিবনগর ইউএনও পলাশের বিরুদ্ধে ৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ 

  • বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় ০৫:২৩:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৭৩৭ বার পড়া হয়েছে

মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পলাশ মন্ডল ৮ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠেছে। গত ১০/০৯/২০২৫ তারিখে স্বজমিনে তদন্ত করে দেখা যায় যে, ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে জেলা প্রশাসক মেহেরপুর মহোদয়ের অনুকূলে টিআর। মুজিবনগর উপজেলায় ৩টা প্রকল্পের বরাদ্দকৃত ৮ লক্ষ টাকা উপজেলা নির্বাহী অফিসার পলাশ মন্ডল কাগজ কলমে তুলে নিয়েছে কিন্তু বাস্তবে আজ পর্যন্ত কাজ করেননি। প্রকল্প গুলো হলো মুজিবনগর সৃতি কমপ্লেক্স হইতে কেদারগঞ্জ বাজার পর্যন্ত রাস্তায় ও বাজারে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করার জন্য বরাদ্দকৃত ৩ লক্ষ টাকা, মুজিবনগর উপজেলা সম্মেলন কক্ষে ডিজিটাল ডিসপ্লে ও মাল্টিমিডিয়া স্থাপন করার জন্য বরাদ্দকৃত ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। মুজিবনগর পাঠাগার উন্নয়নের জন্য বরাদ্দকৃত ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার কাজ কাগজ কলমে খরচ হলেও বাস্তবে আজ পর্যন্ত হয়নি। কিন্তু স্বজমিনে তদন্ত করার সময় পাঠাগারের কোনো সাইনবোর্ড পাওয়া যায়নি। ২০ ফিট/৩০ ফিট আয়তনের ছোট্ট পাঠাগারটি যখন ছবি তুলছিলাম তখন স্থানীয় কয়েকজন মানুষের সাথে কথা বলে জানতে পারি পাঠাগারটি বছরে দুই একদিনের জন্যও কেউ খোলে না। এই পাঠাগারের উন্নয়নে গত ৫ মাসের মধ্যে কোনো কাজ হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তারা বলেন যে, মাস খানেক আগে শুধু মাত্র রং করেছে কিন্তু ১ মাস যেতে না যেতেই রং সব ওঠে পড়ছে। এই রং করা খরচের বিষয়ে একজন রং মিস্ত্রির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন যে ঘরটি রং করার জন্য সর্বচ্চো ১০ হাজার টাকা খরচ হতে পারে। বাকি ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা কাগজ কলমে খরচ হলেও বাস্তবে ঐ টাকা হয়তো ইউএনও সাহেবের পকেটে ঢুকেছে। এই বিষয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার পলাশ মন্ডল এর সাথে কথা বলার জন্য তার মোবাইল ফোনে ৪-৫ দিন ধরে ১০-২০ বার ফোন দিয়েছি কিন্তু তিনি ফোন ধরেননি। হোয়্যাটসঅ্যাপে ম্যাসেজ দিয়ে এই বিষয়ে জানার চেষ্টা করেছি কিন্তু তিনি ম্যাসেজের কোনো উত্তর দেয়নি। সরাসরি স্বাক্ষত করে এই বিষয় জানার চেষ্টা করেছি কিন্তু ইউএনও স্বাক্ষত পায়নি। এই বিষয় আরো জানার জন্য উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকৌশলী নিঞ্জন চক্রবর্তী কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন যে, আমি কয়েক মাস হলো এসেছি ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের কাজ এই বিষয় আমি কিছু বলতে পারবো না এইটা আগের উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বলতে পারবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদারীপুরের রাজৈর এ অনুষ্ঠিতব্য এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা -২০২৬ এর পরীক্ষা শুরু

মুজিবনগর ইউএনও পলাশের বিরুদ্ধে ৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ 

আপডেট সময় ০৫:২৩:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পলাশ মন্ডল ৮ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠেছে। গত ১০/০৯/২০২৫ তারিখে স্বজমিনে তদন্ত করে দেখা যায় যে, ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে জেলা প্রশাসক মেহেরপুর মহোদয়ের অনুকূলে টিআর। মুজিবনগর উপজেলায় ৩টা প্রকল্পের বরাদ্দকৃত ৮ লক্ষ টাকা উপজেলা নির্বাহী অফিসার পলাশ মন্ডল কাগজ কলমে তুলে নিয়েছে কিন্তু বাস্তবে আজ পর্যন্ত কাজ করেননি। প্রকল্প গুলো হলো মুজিবনগর সৃতি কমপ্লেক্স হইতে কেদারগঞ্জ বাজার পর্যন্ত রাস্তায় ও বাজারে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করার জন্য বরাদ্দকৃত ৩ লক্ষ টাকা, মুজিবনগর উপজেলা সম্মেলন কক্ষে ডিজিটাল ডিসপ্লে ও মাল্টিমিডিয়া স্থাপন করার জন্য বরাদ্দকৃত ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। মুজিবনগর পাঠাগার উন্নয়নের জন্য বরাদ্দকৃত ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার কাজ কাগজ কলমে খরচ হলেও বাস্তবে আজ পর্যন্ত হয়নি। কিন্তু স্বজমিনে তদন্ত করার সময় পাঠাগারের কোনো সাইনবোর্ড পাওয়া যায়নি। ২০ ফিট/৩০ ফিট আয়তনের ছোট্ট পাঠাগারটি যখন ছবি তুলছিলাম তখন স্থানীয় কয়েকজন মানুষের সাথে কথা বলে জানতে পারি পাঠাগারটি বছরে দুই একদিনের জন্যও কেউ খোলে না। এই পাঠাগারের উন্নয়নে গত ৫ মাসের মধ্যে কোনো কাজ হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তারা বলেন যে, মাস খানেক আগে শুধু মাত্র রং করেছে কিন্তু ১ মাস যেতে না যেতেই রং সব ওঠে পড়ছে। এই রং করা খরচের বিষয়ে একজন রং মিস্ত্রির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন যে ঘরটি রং করার জন্য সর্বচ্চো ১০ হাজার টাকা খরচ হতে পারে। বাকি ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা কাগজ কলমে খরচ হলেও বাস্তবে ঐ টাকা হয়তো ইউএনও সাহেবের পকেটে ঢুকেছে। এই বিষয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার পলাশ মন্ডল এর সাথে কথা বলার জন্য তার মোবাইল ফোনে ৪-৫ দিন ধরে ১০-২০ বার ফোন দিয়েছি কিন্তু তিনি ফোন ধরেননি। হোয়্যাটসঅ্যাপে ম্যাসেজ দিয়ে এই বিষয়ে জানার চেষ্টা করেছি কিন্তু তিনি ম্যাসেজের কোনো উত্তর দেয়নি। সরাসরি স্বাক্ষত করে এই বিষয় জানার চেষ্টা করেছি কিন্তু ইউএনও স্বাক্ষত পায়নি। এই বিষয় আরো জানার জন্য উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকৌশলী নিঞ্জন চক্রবর্তী কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন যে, আমি কয়েক মাস হলো এসেছি ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের কাজ এই বিষয় আমি কিছু বলতে পারবো না এইটা আগের উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বলতে পারবে।