সংবাদ শিরোনাম ::
গুগলে দেখলাম দুর্নীতিতে এক নম্বরে রাজনীতিবিদরা, দুই নম্বরে আমলারা: রুমিন ফারহানা তালাকের নোটিশের পর শ্বশুরবাড়ি-জামাইপক্ষের বিরোধ, গরু ও মালামাল নেওয়ার অভিযোগ ডিএনসিসির সোহেল মিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ পবিপ্রবিতে ব্যবসায় প্রশাসন, সিএসই ও মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষকদের সঙ্গে উপাচার্যের মতবিনিময় বিআইডাব্লিউটিএর প্রকল্প পরিচালক আবুল কালামের দূর্নীতি তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার কর্মকর্তা মাহফুজের বিরুদ্ধে নারীকে মারধরের অভিযোগ ১৬তম গ্রেডের কর্মচারী, অথচ কোটি কোটি টাকার সম্পদের মালিক! শফিকুল ইসলামের সম্পদ নিয়ে প্রশ্ন চার্জে লাগিয়ে মোবাইল চালাতে গিয়ে বিস্ফোরণ, প্রাণ গেল মিজানের কমলনগরে ক্ষতিগ্রস্ত ৩ পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান  আমশিল্প ও ইপিজেড প্রতিষ্ঠায় বিশেষ গুরুত্বের দাবি, প্রস্তাবিত বাজেটকে স্বাগত চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বারের

সেমিকন্ডাক্টর নিয়ে প্রথম বাংলা বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

সেমিকন্ডাক্টর আজ বৈশ্বিক প্রযুক্তি শিল্পের প্রাণভোমরা। অথচ দেশের সাধারণ জনগণের কাছে আজও এক অচেনা সেক্টর। যা কেবল ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কাছেই সীমাবদ্ধ। সেই অচেনা সেক্টরকে দেশের সবস্তরের জনগণের কাছে পরিচিত করতে বাংলায় রচিত প্রথম সেমিকন্ডাক্টর নিয়ে বই ‘প্রযুক্তির অগ্রযাত্রায় সেমিকন্ডাক্টর ও বাংলাদেশের সম্ভাবনা’ –এর মোড়ক উন্মোচন হলো। বইটির লেখক বাংলাদেশের সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের পথিকৃৎ এবং উল্কাসেমির সিইও এবং প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ এনায়েতুর রহমান।

‘স্টুডেন্ট-ওয়েজ’ থেকে প্রকাশিত এই বইটি দেশের সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে লেখা প্রথম পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ। এতে সমসাময়িক বিষয় থেকে শুরু করে সেমিকন্ডাক্টরের মৌলিক ধারণা, বৈশ্বিক শিল্পে এর গুরুত্ব এবং বাংলাদেশের জন্য সম্ভাবনার রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে। বিশেষ করে প্রকৌশল শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীদের জন্য এতে রয়েছে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার সাথে মিলিয়ে অসংখ্য দিকনির্দেশনা।

মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে এনায়েতুর রহমান বলেন, যখন আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলোর দিকে তাকাই, আমি শুধু প্রতিযোগিতা দেখি না; আমি একটি কর্মপরিকল্পনা দেখি। বাংলাদেশ কেন এই সাফল্য অর্জন করতে পারবে না। আমাদের মেধাবী ছাত্রছাত্রীরাই সেই ভবিষ্যৎ গড়ার মূল চাবিকাঠি। আর তাদের সহযোগী হবে শিক্ষক ও তাদের অভিভাবক। তাই এই বইটি সবার জন্য।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিল ব্রুনাই হাইকমিশনের ফাস্ট সেক্রেটারি রোজাইমি আব্দুল্লাহ, মাইক্রোসফটের বাংলাদেশ, ভূটান ও নেপালের কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ইউসুপ ফারুক, উল্কাসেমির চেয়ারম্যান ডা. আরিফা চৌধুরী রহমান। এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আহসানুল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. ববি বড়ুয়া, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশের সহযোগী অধ্যাপক ড. শাহরিয়ার মাসুদ রিজভী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মাইনুল হোসেন, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের অধ্যাপক ড. জি. আর. আহমেদ জামাল, ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক মো. দারা আব্দুস সাত্তার ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. রেজওয়ানুল আহসান, ঢাকা ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (ডুয়েট), গাজীপুর-এর অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল আবেদীনসহ শিক্ষার্থী, প্রযুক্তি খাতের বিশেষজ্ঞ, তরুণ প্রযুক্তিপ্রেমী এবং উল্কাসেমির উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

উল্লেখ্য, বর্তমান প্রযুক্তি, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সেমিকন্ডাক্টর চিপের ওপর নির্ভরশীল। ভবিষ্যতের এই নেতৃত্বস্থানীয় প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে দেশের শীর্ষস্থানীয় সেমিকন্ডাক্টর প্রতিষ্ঠান উল্কাসেমি। প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুলেছে সাড়ে পাঁচশ বাংলাদেশি দক্ষ ইঞ্জিনিয়ারদের শক্তিশালী দল। ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের সেমিকন্ডাক্টর শিল্পকে মাল্টি বিলিয়ন ডলারের বাজারে রূপান্তরিত করার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গুগলে দেখলাম দুর্নীতিতে এক নম্বরে রাজনীতিবিদরা, দুই নম্বরে আমলারা: রুমিন ফারহানা

সেমিকন্ডাক্টর নিয়ে প্রথম বাংলা বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

আপডেট সময় ০৮:৩২:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সেমিকন্ডাক্টর আজ বৈশ্বিক প্রযুক্তি শিল্পের প্রাণভোমরা। অথচ দেশের সাধারণ জনগণের কাছে আজও এক অচেনা সেক্টর। যা কেবল ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কাছেই সীমাবদ্ধ। সেই অচেনা সেক্টরকে দেশের সবস্তরের জনগণের কাছে পরিচিত করতে বাংলায় রচিত প্রথম সেমিকন্ডাক্টর নিয়ে বই ‘প্রযুক্তির অগ্রযাত্রায় সেমিকন্ডাক্টর ও বাংলাদেশের সম্ভাবনা’ –এর মোড়ক উন্মোচন হলো। বইটির লেখক বাংলাদেশের সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের পথিকৃৎ এবং উল্কাসেমির সিইও এবং প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ এনায়েতুর রহমান।

‘স্টুডেন্ট-ওয়েজ’ থেকে প্রকাশিত এই বইটি দেশের সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে লেখা প্রথম পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ। এতে সমসাময়িক বিষয় থেকে শুরু করে সেমিকন্ডাক্টরের মৌলিক ধারণা, বৈশ্বিক শিল্পে এর গুরুত্ব এবং বাংলাদেশের জন্য সম্ভাবনার রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে। বিশেষ করে প্রকৌশল শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীদের জন্য এতে রয়েছে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার সাথে মিলিয়ে অসংখ্য দিকনির্দেশনা।

মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে এনায়েতুর রহমান বলেন, যখন আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলোর দিকে তাকাই, আমি শুধু প্রতিযোগিতা দেখি না; আমি একটি কর্মপরিকল্পনা দেখি। বাংলাদেশ কেন এই সাফল্য অর্জন করতে পারবে না। আমাদের মেধাবী ছাত্রছাত্রীরাই সেই ভবিষ্যৎ গড়ার মূল চাবিকাঠি। আর তাদের সহযোগী হবে শিক্ষক ও তাদের অভিভাবক। তাই এই বইটি সবার জন্য।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিল ব্রুনাই হাইকমিশনের ফাস্ট সেক্রেটারি রোজাইমি আব্দুল্লাহ, মাইক্রোসফটের বাংলাদেশ, ভূটান ও নেপালের কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ইউসুপ ফারুক, উল্কাসেমির চেয়ারম্যান ডা. আরিফা চৌধুরী রহমান। এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আহসানুল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. ববি বড়ুয়া, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশের সহযোগী অধ্যাপক ড. শাহরিয়ার মাসুদ রিজভী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মাইনুল হোসেন, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের অধ্যাপক ড. জি. আর. আহমেদ জামাল, ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক মো. দারা আব্দুস সাত্তার ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. রেজওয়ানুল আহসান, ঢাকা ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (ডুয়েট), গাজীপুর-এর অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল আবেদীনসহ শিক্ষার্থী, প্রযুক্তি খাতের বিশেষজ্ঞ, তরুণ প্রযুক্তিপ্রেমী এবং উল্কাসেমির উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

উল্লেখ্য, বর্তমান প্রযুক্তি, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সেমিকন্ডাক্টর চিপের ওপর নির্ভরশীল। ভবিষ্যতের এই নেতৃত্বস্থানীয় প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে দেশের শীর্ষস্থানীয় সেমিকন্ডাক্টর প্রতিষ্ঠান উল্কাসেমি। প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুলেছে সাড়ে পাঁচশ বাংলাদেশি দক্ষ ইঞ্জিনিয়ারদের শক্তিশালী দল। ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের সেমিকন্ডাক্টর শিল্পকে মাল্টি বিলিয়ন ডলারের বাজারে রূপান্তরিত করার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি।