ঢাকা ০৩:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লং মার্চ: কুমিল্লায় ১১ দলীয় ঐক্যের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় ইন্টারপোলের কাছে বেনজীরের অবস্থান জানতে চেয়ে পুলিশের চিঠি পীরগঞ্জে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ১৭৫ শিক্ষার্থীকে ছাত্রশিবিরের সংবর্ধনা দ্বিতীয় বাংলাদেশি বংশদ্ভূত তানভীর শাহনেওয়াজ কানাডার ফেডারেল পার্লামেন্টে এমপি নির্বাচিত বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ঝালকাঠিতে সুগন্ধা নদীতে মাছের পোনা অবমুক্ত গাড়িচালক মোসলেম উদ্দিনের বিরুদ্ধে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ সিআই মৃত্যুঞ্জয়ের বিরুদ্ধে অর্থ আদায়ের অভিযোগ আহমেদ বাওয়ানী একাডেমিতে অনিয়মের অভিযোগ পরিচালক আল ফাত্তাহকে ঘিরে ৩ হাজার কোটি টাকার অভিযোগ পূর্তে প্যারাডাইমের ফের দাপট, গুরুত্বপূর্ণ কাজ যাচ্ছে একই প্রতিষ্ঠানের ঝুড়িতে

কুড়িগ্রামের সাবেক ডিসি সুলতানা পারভীন কারাগারে

  • কুড়িগ্রাম
  • আপডেট সময় ০৫:৪১:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৬১৮ বার পড়া হয়েছে

সাংবাদিক নির্যাতনের মামলায় কুড়িগ্রামের সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) সুলতানা পারভীনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কুড়িগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোছাম্মৎ ইসমত আরা বেগম তার আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে বেলা ১১টায় সুলতানা পারভীন জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজিরা দিতে আসেন। এ সময় উৎসুক জনতা সাবেক জেলা প্রশাসককে একনজর দেখার জন্য আদালতে ভিড় জমায়।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হিসেবে ছিলেন কুড়িগ্রাম জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. বজলুর রশিদ ও অ্যাডভোকেট আজিজার রহমান দুলু। আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট ফখরুল ইসলাম।
প্রসঙ্গত, প্রশাসনের একটি পুকুরের নামকরণ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ ও নানা অনিয়ম নিয়ে অনুসন্ধান করায় ২০২০ সালের ১৩ মার্চ দিবাগত মধ্যরাতে সাংবাদিক আরিফুল ইসলাম রিগানের বাসায় অভিযান চালানো হয়। তাকে চোখ বেঁধে তুলে নিয়ে ক্রসফায়ারের হুমকি দেওয়া হয়। ডিসি অফিসে এনে নির্মম নির্যাতন করেন জেলা প্রশাসনের তৎকালীন আরডিসি নাজিম উদ্দিন, এনডিসি রাহাতুল ইসলাম ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিন্টু বিকাশ চাকমা। এরপর আরিফের বিরুদ্ধে আধা বোতল মদ ও দেড়শ গ্রাম গাঁজা পাওয়ার অভিযোগ এনে ওই রাতেই তাকে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়ে জেলে পাঠানো হয়।

কারামুক্ত হয়ে এ ঘটনায় সাংবাদিক আরিফুল ইসলাম রিগান জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলা করেন। ৫ বছর ধরে এই মামলা চলছে। সম্প্রতি সাবেক জেলা প্রশাসক হাইকোর্ট থেকে জামিন পেলেও স্থায়ী জামিন পাওয়ার জন্য মঙ্গলবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আসেন। আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লং মার্চ: কুমিল্লায় ১১ দলীয় ঐক্যের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়

কুড়িগ্রামের সাবেক ডিসি সুলতানা পারভীন কারাগারে

আপডেট সময় ০৫:৪১:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সাংবাদিক নির্যাতনের মামলায় কুড়িগ্রামের সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) সুলতানা পারভীনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কুড়িগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোছাম্মৎ ইসমত আরা বেগম তার আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে বেলা ১১টায় সুলতানা পারভীন জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজিরা দিতে আসেন। এ সময় উৎসুক জনতা সাবেক জেলা প্রশাসককে একনজর দেখার জন্য আদালতে ভিড় জমায়।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হিসেবে ছিলেন কুড়িগ্রাম জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. বজলুর রশিদ ও অ্যাডভোকেট আজিজার রহমান দুলু। আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট ফখরুল ইসলাম।
প্রসঙ্গত, প্রশাসনের একটি পুকুরের নামকরণ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ ও নানা অনিয়ম নিয়ে অনুসন্ধান করায় ২০২০ সালের ১৩ মার্চ দিবাগত মধ্যরাতে সাংবাদিক আরিফুল ইসলাম রিগানের বাসায় অভিযান চালানো হয়। তাকে চোখ বেঁধে তুলে নিয়ে ক্রসফায়ারের হুমকি দেওয়া হয়। ডিসি অফিসে এনে নির্মম নির্যাতন করেন জেলা প্রশাসনের তৎকালীন আরডিসি নাজিম উদ্দিন, এনডিসি রাহাতুল ইসলাম ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিন্টু বিকাশ চাকমা। এরপর আরিফের বিরুদ্ধে আধা বোতল মদ ও দেড়শ গ্রাম গাঁজা পাওয়ার অভিযোগ এনে ওই রাতেই তাকে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়ে জেলে পাঠানো হয়।

কারামুক্ত হয়ে এ ঘটনায় সাংবাদিক আরিফুল ইসলাম রিগান জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলা করেন। ৫ বছর ধরে এই মামলা চলছে। সম্প্রতি সাবেক জেলা প্রশাসক হাইকোর্ট থেকে জামিন পেলেও স্থায়ী জামিন পাওয়ার জন্য মঙ্গলবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আসেন। আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।