গাজীপুর ভবানিপুরের সাধারণ জনগণের মূর্তিমান আতঙ্ক মাদক সম্রাট আওয়ামিলীগ নেতা মালেক মোক্তার। তথ্য সূত্রে জানা যায়,বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে পুরো ভবানিপুর এলাকায় রাম রাজত্ব কায়েম করেছিল মালেক। এলাকায় মাদক বিক্রি,মাদক সেবন ও অন্যের জমি জবর দখল তার নিত্যদিনের কাজ ছিল। তথ্য সূত্রে আরো জানা যায়, মালেকের সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে পরিচিত মাদকের আরেক গডফাদার আমীনুল। আমিনুল অন্যের জমি দখল করে ছোট ঘর বানিয়ে মাদকের আখড়ায় পরিনত করেছে ভবানীপুর এলাকার সাধারণ জনগণ তাদের ভয়ে তটস্থ।কেউ আমীনুল ও মালেকের ভয়ে মুখ খুলছে না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার কয়েকজন লোক বলেন আমরা একাধিকবার প্রশাসনের কাছে প্রতিকার চেয়ে আবেদন জানিয়েছি কোন প্রকার প্রতিকার পাইনি। সাধারণ জনগণ বলেন আমিনুল ও মালেকের মাধ্যমে পুরো এলাকা মাদকের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। স্কুল ও কলেজ পড়ুয়া ছেলে মেয়েরা মাদকে আসক্ত হয়ে পড়াশোনা বাদ দিয়ে এলাকায় নানা ধরনের অনৈতিক কাজের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে পড়েছে। ভবানীপুর এলাকায় মাদক এখন মহামারির মতো ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিটি ঘরে ঘরে মাদক ছড়িয়ে পড়েছে। মাদকের টাকা না পেলে স্কুল কলেজের ছেলে মেয়েরা শুরু কর চুরি, ডাকাতি ও ধর্ষণের মতো ঘৃণিত কাজ। পুরো এলাকায় আবাল বৃদ্ধ বনিতা এখন মাদকের স্বর্গ রাজ্যে বিচরণ করছে। এব্যাপারে অভিযুক্ত মালেকের সাথে তার ব্যবহৃত মুঠো ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি কর্ম করি আর খাই। আপনারা যা শুনেছেন তা সঠিক নহে। তিনি আরো বলেন,আমি কখনো এই কাজের সাথে জড়িত নই। আমার মামা গাজীপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি। আপনারা এলাকায় এসে খবর নেন আমি কিরকম লোক।বন বিভাগের প্রায় পাঁচশত বিঘা জমি দখল করে মানুষের কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি কি জমি দখল করার মতো লোক। আপনারা প্রশাসন দিয়ে তদন্ত করেন । আমার যা শাস্তি দিবেন তা মাথা পেতে নেব।
অভিযুক্ত আমিনুলকে তার ব্যবহৃত মুঠো ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি আমার টাকা দিয়ে মাদক ও বিক্রি করি তাতে আপনার কি? আমাকে প্রশাসন সবসময় কাছে টেনে নেয়। প্রশাসন আমাদের টাকায় চলে ও আমাদেরকে সমিহ করে। মাদকের কড়াল থাবা থেকে বাঁচতে ও যুব সমাজকে বাঁচাতে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান করে মাদক সম্রাট মোক্তার ও আমিনুলকে গ্ৰেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিয়ে এলাকাকে মাদক মুক্ত করতে প্রশাসনের প্রতি দাবি জানান।
নিজস্ব প্রতিবেদক 





















