১৮ বছর অপেক্ষার পর আইপিএলের সর্বশেষ আসরে প্রথমবারের মতো শিরোপা জিতেছে বিরাট কোহলির রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। কিন্তু এমন আনন্দঘন মুহূর্ত বিষাদে রূপ নিতে সময় নেয়নি। আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরদিনই (৪ জুন) দর্শকদের জন্য বেঙ্গালুরুতে উৎসবের আয়োজন করা হয়। নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া সেই উৎসবে পদপিষ্ট হয়ে ১১ জন ভক্ত নিহত হয়েছেন। যা নিয়ে সেদিনই শোক জানিয়েছিল বেঙ্গালুরু।
ওই ঘটনায় পরবর্তী ৮৬ দিন পুরোপুরি নীরব ছিল আইপিএলের শিরোপাধারীরা। সাধারণত বড় লিগের ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো সারা বছরই নানা ক্রিকেটীয় মুহূর্ত নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে সরব থাকে। পুরো বছরে নিজেদের খেলাকেন্দ্রিক দুই মাসের ব্যস্ততা থাকলেও, বিশ্বজুড়ে সমর্থকদের সম্পৃক্ত রাখতে তারা প্রচারণা চালায় সবসময়। যা চ্যাম্পিয়ন হওয়া বেঙ্গালুরুর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। কিন্তু শোকাবহ মুহূর্ত কাটিয়ে উঠতে তারা তিন মাস সময় নিয়েছে।
কেবল ১১ জনের প্রাণহানিই নয়, বেঙ্গালুরুর এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে সেদিন আরও ৫৬ জন আহত হয়েছিলেন। যা আরও বড় আঘাতের কারণ হয়ে আসে কোহলি-হ্যাজলউডদের বেঙ্গালুরুর জন্য। ঘরোয়া প্রতিযোগিতা মহারাজা টি-টোয়েন্টি ট্রফিও আয়োজনের কথা ছিল চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে। তারা সেই প্রতিযোগিতার ছাড়পত্র পায়নি। ফলে খেলা সরিয়ে দেওয়া হয় মাইসুরুর শ্রীকান্তদত্ত স্টেডিয়ামে। তবে বেঙ্গালুরুতে মেয়েদের আসন্ন বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজন করতে জোরপ্রচেষ্টা চালিয়েছিল কর্ণাটক স্টেট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন।
স্পোর্টস ডেস্ক 

























