সংবাদ শিরোনাম ::
দুর্বল ব্যাংকের মালিকানায় আগের মালিকরা ফিরতে পারবেন না : অর্থমন্ত্রী তিন মামলায় জামিন পেলেন কণ্ঠশিল্পী মমতাজ পরিপূর্ণ সুস্থতার দিকে মির্জা আব্বাস, চলছে পায়ের থেরাপি অর্থবিল-২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস দাদির ভিডিও বার্তা দেখে কাঁদলেন ভিনিসিয়ুস গঙ্গাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে জসীমউদ্দীন বাবুলের পথচলায় দোয়া ও সমর্থন–জনগণের সেবায় সফলতা কামনা লক্ষ্মীপুরের সেরা ১০ উচ্চ বিদ্যালয়ের তালিকা প্রকাশ: শীর্ষে প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগে ভয়ংকর জালিয়াতির অভিযোগ ভোলাহাটে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি ২০২৬ শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত!  নবাগত শিশুকে স্বাগত জানিয়ে গাছ লাগাতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

দাদির ভিডিও বার্তা দেখে কাঁদলেন ভিনিসিয়ুস

  • ক্রীড়া ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৫৫:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • ৫০৭ বার পড়া হয়েছে

প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারের কড়া ট্যাকল ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে টলাতে পারে না। এমনকি বর্ণবাদী আচরণও ব্রাজিল তারকাকে হার মানাতে পারে না।

শারীরিক ও মানসিকভাবে এতটাই শক্তিশালী তিনি।
সেই ভিনিসিয়ুস কিনা ছোট্ট এক ভিডিও বার্তার কাছে নিজেকে সংযত রাখতে পারলেন না। ২৫ বছরের এক মানুষ কিনা ছোট্ট শিশুর মতো কাঁদলেন অঝোরে। প্রিয় মানুষের কাছ থেকে বার্তা পেলে অবশ্য যে কারোরই ভিনিসিয়ুসের মতো অবস্থা হওয়ার কথা।

বিশ্বকাপ চলাকালে প্রিয় মানুষটার কাছ থেকে বার্তা পেয়ে তাই দুচোখকে বাধা দিতে পারেননি ভিনিসিয়ুস। ভিডিও বার্তার সেই প্রিয় মানুষটি হচ্ছেন তার দাদি নিলজা। আজকের ভিনিসিয়ুস হতে যার অবদান কোনোদিনও ভোলার নয়।

ব্রাজিলের গ্লোবো নেটওয়ার্কের জনপ্রিয় টিভি অনুষ্ঠান ‘দোমিঙ্গোর’ লাইভে কাঁদতে কাঁদতে ভিনিসিয়ুস বলেন, ‘তিনি আমার জীবন বদলে দিয়েছেন।
যখন সময় পাই তখনি তার কাছে থাকি। কারণ আমি জানি, একদিন এমন সময় আসবে যাদের আমরা ভালোবাসি তাদেরকে আর কখনো পাওয়া যাবে না। আমার পরিবার এবং তার সঙ্গে কাটানো প্রতিটা মুহূর্ত আমি উপভোগ করেছি। কারণ, আমার স্বপ্ন পূরণ করতে তারা সবকিছু করেছে।

এবারের বিশ্বকাপে ৪ গোল করে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা ভিনিসিয়ুস আরও বলেছেন, ‘আমার জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একজন মানুষ, দাদিমা।
১৬ বছর বয়স পর্যন্ত তার সঙ্গে থেকেছি। আমাদের বাড়িটা খুব ছোট হওয়ায় উনার পাশেই ঘুমাতে হতো। তিনি এমন একজন মানুষ যিনি আমার জীবনকে তৈরি করে দিয়েছেন।’
তো ভিনিকে বলা দাদি নিলজার বার্তা কি ছিল? দাদি বলেছেন, ‘ও খুব লাজুক একটা বাচ্চা ছিল। ওর ধ্যানজ্ঞানই ছিল ফুটবল। ১৬ বছর বয়স পর্যন্ত ও আমার পাশেই ঘুমাত। মাঝেমাঝে ও আমাকে জড়িয়ে ধরত এবং চোখ মেলে নিশ্চিত হতো যে সে আমার পাশেই আছে তো। ভিনি, আমার নাতি, আওয়ার লেডি অফ আপারেসিডা (দেবী) যেন সবসময় তোমাকে রক্ষা করেন। দাদিমা তোমাকে অনেক অনেক ভালোবাসে।’

বিশ্বকাপে আজ বাঁচা-মরার ম্যাচ খেলতে নামবেন ভিনি। নকআউটের ম্যাচে আজ হিউস্টনে তাদের প্রতিপক্ষ জাপান। তার জাদুতে বর্তমানে দুর্দান্ত ছন্দে আছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। সেই জাদুই আরেকবার দেখানোর পালা রিয়াল মাদ্রিদের তারকার।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দুর্বল ব্যাংকের মালিকানায় আগের মালিকরা ফিরতে পারবেন না : অর্থমন্ত্রী

দাদির ভিডিও বার্তা দেখে কাঁদলেন ভিনিসিয়ুস

আপডেট সময় ০৭:৫৫:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারের কড়া ট্যাকল ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে টলাতে পারে না। এমনকি বর্ণবাদী আচরণও ব্রাজিল তারকাকে হার মানাতে পারে না।

শারীরিক ও মানসিকভাবে এতটাই শক্তিশালী তিনি।
সেই ভিনিসিয়ুস কিনা ছোট্ট এক ভিডিও বার্তার কাছে নিজেকে সংযত রাখতে পারলেন না। ২৫ বছরের এক মানুষ কিনা ছোট্ট শিশুর মতো কাঁদলেন অঝোরে। প্রিয় মানুষের কাছ থেকে বার্তা পেলে অবশ্য যে কারোরই ভিনিসিয়ুসের মতো অবস্থা হওয়ার কথা।

বিশ্বকাপ চলাকালে প্রিয় মানুষটার কাছ থেকে বার্তা পেয়ে তাই দুচোখকে বাধা দিতে পারেননি ভিনিসিয়ুস। ভিডিও বার্তার সেই প্রিয় মানুষটি হচ্ছেন তার দাদি নিলজা। আজকের ভিনিসিয়ুস হতে যার অবদান কোনোদিনও ভোলার নয়।

ব্রাজিলের গ্লোবো নেটওয়ার্কের জনপ্রিয় টিভি অনুষ্ঠান ‘দোমিঙ্গোর’ লাইভে কাঁদতে কাঁদতে ভিনিসিয়ুস বলেন, ‘তিনি আমার জীবন বদলে দিয়েছেন।
যখন সময় পাই তখনি তার কাছে থাকি। কারণ আমি জানি, একদিন এমন সময় আসবে যাদের আমরা ভালোবাসি তাদেরকে আর কখনো পাওয়া যাবে না। আমার পরিবার এবং তার সঙ্গে কাটানো প্রতিটা মুহূর্ত আমি উপভোগ করেছি। কারণ, আমার স্বপ্ন পূরণ করতে তারা সবকিছু করেছে।

এবারের বিশ্বকাপে ৪ গোল করে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা ভিনিসিয়ুস আরও বলেছেন, ‘আমার জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একজন মানুষ, দাদিমা।
১৬ বছর বয়স পর্যন্ত তার সঙ্গে থেকেছি। আমাদের বাড়িটা খুব ছোট হওয়ায় উনার পাশেই ঘুমাতে হতো। তিনি এমন একজন মানুষ যিনি আমার জীবনকে তৈরি করে দিয়েছেন।’
তো ভিনিকে বলা দাদি নিলজার বার্তা কি ছিল? দাদি বলেছেন, ‘ও খুব লাজুক একটা বাচ্চা ছিল। ওর ধ্যানজ্ঞানই ছিল ফুটবল। ১৬ বছর বয়স পর্যন্ত ও আমার পাশেই ঘুমাত। মাঝেমাঝে ও আমাকে জড়িয়ে ধরত এবং চোখ মেলে নিশ্চিত হতো যে সে আমার পাশেই আছে তো। ভিনি, আমার নাতি, আওয়ার লেডি অফ আপারেসিডা (দেবী) যেন সবসময় তোমাকে রক্ষা করেন। দাদিমা তোমাকে অনেক অনেক ভালোবাসে।’

বিশ্বকাপে আজ বাঁচা-মরার ম্যাচ খেলতে নামবেন ভিনি। নকআউটের ম্যাচে আজ হিউস্টনে তাদের প্রতিপক্ষ জাপান। তার জাদুতে বর্তমানে দুর্দান্ত ছন্দে আছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। সেই জাদুই আরেকবার দেখানোর পালা রিয়াল মাদ্রিদের তারকার।