ঢাকা ০৩:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জামালপুরে ১০ বছরেও শুরু হয়নি ৫০০ শয্যার হাসপাতাল ভবনের নির্মাণকাজ নেত্রকোণায় দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে নারী নিহত, আহত ২০ জঙ্গলে ২৭ বছর কাটিয়ে দেশে ফিরলেন নি‌খোঁজ মালয়েশিয়া প্রবাসী উল্টো পথে আসা পিকআপে অটোরিকশায় ধাক্কা, অন্তঃসত্ত্বাসহ আহত ৭ এনসিপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ‘রাজনৈতিক পর্ষদ’ সদস্য হলেন ২ এমপি গুম-নির্যাতের পেছনে দায়ী শেখ হাসিনা : জেরায় সাক্ষী পটুয়াখালীতে এসএসসি-সমমান পরীক্ষায় ৫৩৩ জন অনুপস্থিত বাংলাদেশি জাহাজকে কেন হরমুজ প্রণালি পার হতে দিচ্ছে না ইরান? অপতথ্যের বিস্তার রোধে ইউনেস্কোর সহযোগিতা চাইলেন তথ্যমন্ত্রী ঢাকায় মা‌র্কিন রাষ্ট্রদূ‌তের ১০০ দিন : বাণিজ্য চুক্তিকে বললেন ‘ঐতিহাসিক’

কঙ্গোতে ভারী বর্ষণের পর বন্যা-ভূমিধস, নিহত বেড়ে ১২০

মধ্য আফ্রিকার দেশ ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর (ডিআর কঙ্গো) রাজধানী কিনশাসায় ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে নিহত বেড়ে দাঁড়িয়েছে কমপক্ষে ১২০ জনে। প্রাথমিকভাবে এই সংখ্যা ৫০ জন বলে জানানো হয়েছিল।

মঙ্গলবার (১৩ ডিসেম্বর) রয়টার্সের দেখা সরকারি একটি নথিতে এই তথ্য উঠে এসেছে। বুধবার (১৪ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থাটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারী বর্ষণের পর কিনশাসা শহরের আশপাশের সকল এলাকা কর্দমাক্ত পানিতে প্লাবিত হয়ে যায় এবং রাস্তায় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বন্ধ হয়ে যাওয়া সড়কগুলোর মধ্যে এন১ হাইওয়ে রয়েছে যা কিনশাসাকে মাতাদির প্রধান সমুদ্র বন্দরের সাথে সংযুক্ত করেছে।

ডিআর কঙ্গোর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, এন১ হাইওয়ে ৩-৪ দিনের জন্য বন্ধ থাকতে পারে।

রয়টার্স বলছে, রাজধানী কিনশাসায় ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে নিহতের সংখ্যার হিসাব রাখছে দেশটির জেনারেল ম্যানেজমেন্ট অব মাইগ্রেশন। এটি আফ্রিকার এই দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি অংশ।

অবশ্য মৃতের সংখ্যা এখনও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী জিন-জ্যাক এমবুঙ্গানি এমবান্ডা রয়টার্সকে বলেছেন, তার মন্ত্রণালয় ১৪১ জনের প্রাণহানি হয়েছে বলে গণনা করেছে তবে এই সংখ্যাটি অন্যান্য বিভাগের গণনা করা সংখ্যার সঙ্গে ক্রস-চেক করা দরকার।

কঙ্গোর সরকারের মুখপাত্র প্যাট্রিক মুয়ায়া টুইটারে বেশ কিছু ছবি পোস্ট করেছেন। এসব ছবিতে প্রধান একটি রাস্তাকে পনিতে ডুবে গেছে বলে দেখা গেছে এবং জনতাকে সেদিকে তাকিয়ে থাকতে দেখা যায়।

দুর্বল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আর দ্রুত নগরায়নের বিকাশ ঘটায় ভারী বৃষ্টিপাতের পর আকস্মিক বন্যার জন্য ক্রমবর্ধমান ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে কিনশাসা। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দেশটিতে প্রায় ভারী বর্ষণ আর বন্যা দেখা যায়।

এর আগে, ২০১৯ সালে কিনশাসায় মুষলধারে বর্ষণের কারণে সেখানকার নিম্নাঞ্চলের কিছু জেলায় ভয়াবহ বন্যা দেখা দেয়। ওই সময় বন্যায় অন্তত ৩৯ জনের প্রাণহানি এবং অনেক বাড়িঘর ও সড়ক ধসে যায়।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে ১০ বছরেও শুরু হয়নি ৫০০ শয্যার হাসপাতাল ভবনের নির্মাণকাজ

কঙ্গোতে ভারী বর্ষণের পর বন্যা-ভূমিধস, নিহত বেড়ে ১২০

আপডেট সময় ১০:০২:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২২

মধ্য আফ্রিকার দেশ ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর (ডিআর কঙ্গো) রাজধানী কিনশাসায় ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে নিহত বেড়ে দাঁড়িয়েছে কমপক্ষে ১২০ জনে। প্রাথমিকভাবে এই সংখ্যা ৫০ জন বলে জানানো হয়েছিল।

মঙ্গলবার (১৩ ডিসেম্বর) রয়টার্সের দেখা সরকারি একটি নথিতে এই তথ্য উঠে এসেছে। বুধবার (১৪ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থাটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারী বর্ষণের পর কিনশাসা শহরের আশপাশের সকল এলাকা কর্দমাক্ত পানিতে প্লাবিত হয়ে যায় এবং রাস্তায় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বন্ধ হয়ে যাওয়া সড়কগুলোর মধ্যে এন১ হাইওয়ে রয়েছে যা কিনশাসাকে মাতাদির প্রধান সমুদ্র বন্দরের সাথে সংযুক্ত করেছে।

ডিআর কঙ্গোর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, এন১ হাইওয়ে ৩-৪ দিনের জন্য বন্ধ থাকতে পারে।

রয়টার্স বলছে, রাজধানী কিনশাসায় ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে নিহতের সংখ্যার হিসাব রাখছে দেশটির জেনারেল ম্যানেজমেন্ট অব মাইগ্রেশন। এটি আফ্রিকার এই দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি অংশ।

অবশ্য মৃতের সংখ্যা এখনও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী জিন-জ্যাক এমবুঙ্গানি এমবান্ডা রয়টার্সকে বলেছেন, তার মন্ত্রণালয় ১৪১ জনের প্রাণহানি হয়েছে বলে গণনা করেছে তবে এই সংখ্যাটি অন্যান্য বিভাগের গণনা করা সংখ্যার সঙ্গে ক্রস-চেক করা দরকার।

কঙ্গোর সরকারের মুখপাত্র প্যাট্রিক মুয়ায়া টুইটারে বেশ কিছু ছবি পোস্ট করেছেন। এসব ছবিতে প্রধান একটি রাস্তাকে পনিতে ডুবে গেছে বলে দেখা গেছে এবং জনতাকে সেদিকে তাকিয়ে থাকতে দেখা যায়।

দুর্বল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আর দ্রুত নগরায়নের বিকাশ ঘটায় ভারী বৃষ্টিপাতের পর আকস্মিক বন্যার জন্য ক্রমবর্ধমান ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে কিনশাসা। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দেশটিতে প্রায় ভারী বর্ষণ আর বন্যা দেখা যায়।

এর আগে, ২০১৯ সালে কিনশাসায় মুষলধারে বর্ষণের কারণে সেখানকার নিম্নাঞ্চলের কিছু জেলায় ভয়াবহ বন্যা দেখা দেয়। ওই সময় বন্যায় অন্তত ৩৯ জনের প্রাণহানি এবং অনেক বাড়িঘর ও সড়ক ধসে যায়।