অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ সচিব ড. মোঃ খায়েরুজ্জামান মজুমদার ও অতিরিক্ত সচিব দিলরুবা শাহীনা গত ১৫/০৪/২০২৫ খ্রিঃ তারিখের স্বাক্ষরিত সরকারের মন্ত্রণালয়/বিভাগ/সংস্থার/দপ্তর/রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্টান/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্টান এর আওতায় ‘দৈনিক ভিত্তিতে সাময়িক শ্রমিক নিয়োজিতকরণ নীতিমালা, ২০২৫” এ নীতিমালায় উল্লেখ আছে যে ১৮ বছরের নিচে ও ৫৮ বছরের উর্দ্ধে শ্রমিক দিয়ে কাজ করাতে পারবে না। সরকারের নীতিমালা অমান্য করে বিএডিসির চিৎলা পাটবীজ খামারের যুগ্ম পরিচালক মোঃ মোর্শেদুল ইসলাম তার ব্যাক্তিগত নিয়মনীতিতে শ্রমিকদের দিয়ে আজও কাজ করাচ্ছে। এই বিষয় তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর মেহেরপুর জেলার স্থানীয় শিশু কল্যাণ ফাউন্ডেশন এর সাধারণ সম্পাদক এস এম ফয়েজ একটি অভিযোগ করেছেন। ঐ অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিএডিসির পাটবীজ বিভাগের ব্যবস্থাপক মিজানুর রহমান ও মোঃ শফিকুর ইসলাম যুগ্ম পরিচালক যশোর অঞ্চল, যশোর (বিএডিসি) এই ২জন তদন্ত কর্মকর্তা গত১১/০৮/২০২৫ খ্রিঃ তারিখে মেহেরপুর চিলা পাটবীজ খামারে তদন্ত করতে আসে। অভিযোগকারীর কাছে তথ্য প্রমাণ নেওয়ার জন্য মেহেরপুর এসপি অফিসের পশ্চিমে বিএডিসির বীজ ক্রয় কেন্দ্র কন্ট্রাক্ট গ্রুপ অফিসে অভিযোগকারী কে মৌখিক ও লিখিত চিঠি দিয়ে ডেকে নিয়ে তদন্ত কর্মকর্তারা তথ্য প্রমাণ চাইলে ৪৬ জন ৫৮ বছর বয়স্ক শ্রমিকদের তালিকা তদন্ত কর্মকর্তাদের দেন। এরপর তদন্ত কর্মকর্তারা অভিযোগকারীর অভিযোগ জোর করে প্রত্যহার করিয়ে নেওয়ার জন্য চেষ্টা করেন। অভিযোগকারী অভিযোগ প্রত্যহার করতে না চাওয়ায় তথাকথিত বিএনপির নেতা নুর ইসলাম এর নেত্বীতে চিৎলা পাটবীজ খামারের শ্রমিক প্রায় ৫০ জন শ্রমিককে দিয়ে মবজাস্টিসের মাধ্যমে অভিযোগকারী সাংবাদিক ফয়েজ কে হত্য করার চেষ্টা করেন। মেহেরপুর জেলা পুলিশ সুপারের সহযোগীতায় অভিযোগকারী প্রাণে বেঁচে যায়। এরপর তদন্ত কর্মকর্তা পাটবীজ বিভাগের ব্যবস্থাপক মিজানুর রহমান ও চিৎলা পাটবীজ খামারের যুগ্ম পরিচালক ৫৮ বছর বয়স উর্দ্ধ শ্রমিকদের জন্য আবারো বিকল্প ব্যক্তিগত নিয়মনীতি তৈরি করে নিয়েছে। তাদের এই ব্যাক্তিগত নিয়মনীতিতে ৫৮ বছর বয়স উর্দ্ধ শ্রমিকরা বাস্তবে কাজ করবে কিন্তু হাজিরা হবে ৫৮ বছর বয়স উর্দ্ধ শ্রমিকদের পরিবারের যেকোনো একজন সদস্যর নামে অথবা অন্য শ্রমিকদের নামে। “শ্রমিক নীতিমালা ২০২৫” কে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে তাদের এই ব্যাক্তিগত নিয়মনীতির বিরুদ্ধে অভিযোগকারী ঢাকা থেকে প্রকাশিত “দৈনিক আমাদের মাতৃভূমি পত্রিকার ক্রাইম রিপোটার ও শিশু কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক বিষয়টি বিচ্ছুরিত উল্লেখ করে ৫৮ বছর বয়স্ক শ্রমিকদের মধ্যে যারা আজও রেগুলার কাজ করছেন তাদের মধ্যে কয়েকজন শ্রমিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা বলেন যে, গত ০৭/০৮/২০২৫ খ্রিঃ তারিখে রোজ বৃহঃপ্রতিবার খামারের গেস্ট হাউজে ক্রেডি সাহেবের সাথে এই বিষয় কথা বলার জন্য আমরা বসে ছিলাম জেডি সাহেব আমাদের বলেছেন আপনারা সবাই এক থাকেন আপনাদের মধ্যে ৫৮ বছর উর্দ্ধে বয়স্ক শ্রমিকরা বাস্তবে খামারে কাজ করবে কিন্তু ৫৮ বছরের উর্দ্ধে বয়স্ক যত শ্রমিক আছে তাদের নামে নীতিমালা অনুযায়ী হাজিরা করতে পারবো না তবে কাগজ কলমে বয়স্ক শ্রমিকদের পরিবারের সদস্য অথবা অন্য শ্রমিকদেও নামে হাজিরা করে টাকা দেওয়ার ব্যবস্থা করবো। তারা আরো বলেন যে নীতিমালা অনুযায়ী একজন শ্রমিকের নামে মাসে ৩০ দিনের হাজিরা না করে ২২ দিনের হাজিরা হবে বাকি ৮ দিনের হাজিরা অন্য শ্রমিকদের। নামে হাজিরা করে ৩০ দিনের টাকা দেওয়ার বিষয়ে আমাদের কে আশস্ত করেছেন। এই বিষয়ে জেডির ব্যাক্তিগত মোবাইল ফোনে কথা বলার চেষ্টা করলে পূর্বের মতো তিনি ফোন ধরেননি। অভিযোগকারীর এই বিষয়টি জানতে পেরে আবারও বিস্তারিত লিখে কৃষি মন্ত্রণালয় সচিব বরাবর অভিযোগ করেছেন।
সংবাদ শিরোনাম ::
“শ্রমিক নীতিমালা ২০২৫” অমান্য করে ৫৮ উর্দ্ধ শ্রমিকরা বাস্তবে কাজ করবে হাজিরা হবে অন্য শ্রমিকদের নামে
-
বিশেষ প্রতিনিধি: - আপডেট সময় ১০:৫৫:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৫
- ৯৩১ বার পড়া হয়েছে
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ






















