ঢাকা ০৯:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশালে কাস্টমস কর্মকর্তাকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ—ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলা, প্রত্যাহারে হুমকির দাবি এক মাসে দুইবার বাড়লো এলপিজির দাম, ১২ কেজি ১৯৪০ টাকা ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু সেই ভুয়া আজিজের সহযোগী ইউসুফ রিমান্ডে জ্বালানির সংকট নেই, অসাধু সিন্ডিকেটে পাম্পগুলোতে কৃত্রিম সংকট হচ্ছে তারাকান্দায় বিএনপির দুই গ্রুপের কর্মসূচি ঘিরে ১৪৪ ধারা জারি চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে হঠাৎ ছিটকে পড়ে বাসচাপায় ঠিকাদার নিহত চুয়াডাঙ্গায় ঘুমন্ত নারীকে কুপিয়ে হত্যা সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণ নিয়ে ফের উত্তাল চট্টগ্রাম শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে মোটরসাইকেল চালানোর প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ডাকসু

রাজউক ইমারত পরিদর্শক সাইফুলের বিরুদ্ধে ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগ

রাজউক ইমারত পরিদর্শক সাইফুল ইসলামের ঘুষ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ২টি তথ্য পাওয়ায় । রাজউক প্রধান কার্যালয়সহ, সারা দেশব্যাপী ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। হওয়ার পর থেকেই রাজউক ইমারত পরিদর্শক সাইফুল ইসলামের পক্ষে সাফাই ও সুপারিস করেন। গত ২ জুন ইমারত পরিদর্শক সাইফুল ইসলামের পক্ষে ইমারত পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম তার দুর্নীতির রাজউক পরিদর্শক সাইফুল পাগলপ্রায় হয়ে এ ধরনের আচরণ করায় সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা ভঙ্গ করার পাশাপাশি রাজউকের ভাবমূর্তিও ক্ষুন্ন করছেন বলে অভিমত প্রকাশ করেছেন রাজউকের অনেক কর্মকর্তারা। সরকারি কর্মকর্তাদের কাছে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ বিভিন্ন দাবি দাওয়া নিয়ে আসবে, আসাটাই স্বাভাবিক। সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করা যাবে না। এইগুলো কোনো শিষ্ঠাচারের মধ্যে পড়ে না। চাকরিবিধিতেও এসব বিষয়ে স্পষ্ট করে বলা আছে। সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালার ২৭ নম্বর বিধিতে বলা হয়েছে, ‘সরকারি কর্মচারী সংকীর্ণতা, প্রিয়তোষণ, বেআইনিভাবে ক্ষতিগ্রস্তকরণ এবং ইচ্ছাকৃতভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করতে পারবেন না।’ আর সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২২(২)-এ উল্লেখ আছে, সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য। সম্প্রতি ইমারত পরিদর্শক সাইফুলের এমন উদ্ভট আচরনের ঘটনাগুলো সরকারের কর্মচারী আচরণ বিধিমালা পরিপন্থী তো বটেই সেই সঙ্গে সংবিধানেরও সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

রাজউক ইমারত পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম র্বতমানে জোন ৬ এ র্কমরত রয়েছেন।
হয়েছিল ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার আইনসংগত আদেশ অমান্য করে কর্তব্যে অবহেলা প্রদর্শন এবং অসদাচরনের জন্য বরখাস্থ হয়েছিলেন। ‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯-এর যে কোনও বিধান লঙ্ঘন সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর আওতায় অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হবে। কোনও সরকারি কর্মচারী এ বিধিমালার কোনও বিধান লঙ্ঘন করলে তিনি অসদাচরণের দায়ে শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আওতায় আসবেন। সরকারি কর্মচারীদের শৃঙ্খলা-বহির্ভূত আচরণের বিষয়ে বর্তমান অন্তর্র্বতী সরকারের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর হলেও এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে রাজউক, তবে রাজউকের পরিচালক (প্রশাসন) এ. বি. এম. এহছানুল মামুনের সাথে সাইফুলের এমন নিয়ম বহির্ভূত বিতর্কিত কর্ম কাণ্ডের বিষয়ে কথা হলে তিনি কঠোর পদক্ষেপ গ্রহন করার আশ্বাস প্রদান করে এবং উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ-১ এর পরিচালক মোঃ মনিরুল হকের সাথে কথা বলতে বলেন। পরবর্তীতে উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ-১ এর পরিচালক মোঃ মনিরুল হকের মুঠো ফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। এ দিকে রাজউক সুত্রে জানা যায়, রাজউকের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী, ইমারত পরিদর্শকদের রদবদল হলেও পরিদর্শক সাইফুল প্রায় গত ৪ বছর ধরে রাজউক জোন ০৬ আধিপত্য বিস্তার করার পাশাপাশি ইমারত পরিদর্শকদের বদলী বাণিজ্য করে আসছেন। রাজউকের ইমারত পরিদর্শক সাইফুল ইসলামের ব্যাপক দুর্নীতির বিষয়ে অনুসন্ধান চলমান রয়েছে যা পরবর্তী সংখ্যায় প্রকাশ করা হবে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশালে কাস্টমস কর্মকর্তাকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ—ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলা, প্রত্যাহারে হুমকির দাবি

রাজউক ইমারত পরিদর্শক সাইফুলের বিরুদ্ধে ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগ

আপডেট সময় ১২:৪৭:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫

রাজউক ইমারত পরিদর্শক সাইফুল ইসলামের ঘুষ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ২টি তথ্য পাওয়ায় । রাজউক প্রধান কার্যালয়সহ, সারা দেশব্যাপী ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। হওয়ার পর থেকেই রাজউক ইমারত পরিদর্শক সাইফুল ইসলামের পক্ষে সাফাই ও সুপারিস করেন। গত ২ জুন ইমারত পরিদর্শক সাইফুল ইসলামের পক্ষে ইমারত পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম তার দুর্নীতির রাজউক পরিদর্শক সাইফুল পাগলপ্রায় হয়ে এ ধরনের আচরণ করায় সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা ভঙ্গ করার পাশাপাশি রাজউকের ভাবমূর্তিও ক্ষুন্ন করছেন বলে অভিমত প্রকাশ করেছেন রাজউকের অনেক কর্মকর্তারা। সরকারি কর্মকর্তাদের কাছে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ বিভিন্ন দাবি দাওয়া নিয়ে আসবে, আসাটাই স্বাভাবিক। সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করা যাবে না। এইগুলো কোনো শিষ্ঠাচারের মধ্যে পড়ে না। চাকরিবিধিতেও এসব বিষয়ে স্পষ্ট করে বলা আছে। সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালার ২৭ নম্বর বিধিতে বলা হয়েছে, ‘সরকারি কর্মচারী সংকীর্ণতা, প্রিয়তোষণ, বেআইনিভাবে ক্ষতিগ্রস্তকরণ এবং ইচ্ছাকৃতভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করতে পারবেন না।’ আর সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২২(২)-এ উল্লেখ আছে, সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য। সম্প্রতি ইমারত পরিদর্শক সাইফুলের এমন উদ্ভট আচরনের ঘটনাগুলো সরকারের কর্মচারী আচরণ বিধিমালা পরিপন্থী তো বটেই সেই সঙ্গে সংবিধানেরও সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

রাজউক ইমারত পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম র্বতমানে জোন ৬ এ র্কমরত রয়েছেন।
হয়েছিল ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার আইনসংগত আদেশ অমান্য করে কর্তব্যে অবহেলা প্রদর্শন এবং অসদাচরনের জন্য বরখাস্থ হয়েছিলেন। ‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯-এর যে কোনও বিধান লঙ্ঘন সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর আওতায় অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হবে। কোনও সরকারি কর্মচারী এ বিধিমালার কোনও বিধান লঙ্ঘন করলে তিনি অসদাচরণের দায়ে শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আওতায় আসবেন। সরকারি কর্মচারীদের শৃঙ্খলা-বহির্ভূত আচরণের বিষয়ে বর্তমান অন্তর্র্বতী সরকারের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর হলেও এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে রাজউক, তবে রাজউকের পরিচালক (প্রশাসন) এ. বি. এম. এহছানুল মামুনের সাথে সাইফুলের এমন নিয়ম বহির্ভূত বিতর্কিত কর্ম কাণ্ডের বিষয়ে কথা হলে তিনি কঠোর পদক্ষেপ গ্রহন করার আশ্বাস প্রদান করে এবং উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ-১ এর পরিচালক মোঃ মনিরুল হকের সাথে কথা বলতে বলেন। পরবর্তীতে উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ-১ এর পরিচালক মোঃ মনিরুল হকের মুঠো ফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। এ দিকে রাজউক সুত্রে জানা যায়, রাজউকের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী, ইমারত পরিদর্শকদের রদবদল হলেও পরিদর্শক সাইফুল প্রায় গত ৪ বছর ধরে রাজউক জোন ০৬ আধিপত্য বিস্তার করার পাশাপাশি ইমারত পরিদর্শকদের বদলী বাণিজ্য করে আসছেন। রাজউকের ইমারত পরিদর্শক সাইফুল ইসলামের ব্যাপক দুর্নীতির বিষয়ে অনুসন্ধান চলমান রয়েছে যা পরবর্তী সংখ্যায় প্রকাশ করা হবে।