রিভায়রা গ্রুপ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মীর নজরুল ইসলাম পতিত সরকার আমলে বেশ কয়েক কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন। এ বিষয়ে তার বিরুদ্ধে কিছুদিন আগে দুর্নীতি দমন কমিশন চেয়ারম্যান বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী সানি আহমেদ চৌধুরী। এছাড়াও তাসলিম এন্টারপ্রাইজ-এর প্রোপ্রাইটার মো. আজিজুল হক শেখ গত ২৭ মে ২৫ ইং। সিনিয়র সচিব জন নিরাপত্তা বিভাগ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বরাবর প্রায় ৯০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অপরদিকে, চরমোনাই হুজুরের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ২ কোটি টাকা প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছে রিভায়রা গ্রুপ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মীর নজরুল ইসলাম। সূত্র জানায়, রিভায়রা গ্রুপ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মীর নজরুল ইসলাম, পিতা-মীর আলা উদ্দিন, রোড নং-১১৯, প্লট নং-২/এ, ফ্ল্যাট-৩০২, থানা-গুলশান, ঢাকা। তিনি ইউএস বাংলা প্লট নং-১৬-৫২ এন্ডডি-৫৪ ব্লক-ডি, জমি বিক্রি করবে বলে ১৮ জুলাই-২০১৮ সালে সানি আহমেদ চৌধুরী সাথে চুক্তিবন্ধে আবদ্ধ হন। বিগত ১৮ সাল থেকে ২৫ লাখ পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে সানি আহমেদ চৌধুরী কাছ থেকে প্রায় ১ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন মীর নজরুল ইসলাম। টাকা চাইতে গেলে তৎকালীন গাজীপুর জেলার আওয়ামীলীগের সিঃ সহসভাপতি নজরুল ইসলামের পরিচয়ে তিনি বিভিন্ন লোকদের কাছ থেকে ভুয়া দলিল ও কাগজপত্র বানিয়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন।
এক সময় আওয়ামীলীগের এই প্রভাবশালী নেতার ভয়ে কেউ মুখ খুলতে পারেনি। অথচ সরকার পতনের পরেও পাওনাদায়দের মিথ্যা মামলার হুমকি দিয়ে আসছে মীর নজরুল ইসলাম।
ভুক্তভোগী আজিজুল হক জানান, এক্সেসলি সাপ্লাই নিয়ে এলজি না দিয়ে প্রতারণা করে মীর নজরুল ইসলাম প্রায় ১ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। তিনি জানান, গাজীপুর জেলার আওয়ামী লীগের সি: সহ-সভাপতি নজরুল ইসলামের সাথে দেশ থেকে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে এরা কানাডার বাড়ি কিনেছেন। আওয়ামীলীগের ঐ নেতাকে মীর নজরুল ইসলাম তার আত্মীয় পরিচয়ে ২ জনে মিলে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নানা কৌশলে কয়েক কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এ ব্যাপারে মীর নজরুল ইসলামের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি।
নিজস্ব প্রতিবেদক 
























