ঢাকা ০৪:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশালে কাস্টমস কর্মকর্তাকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ—ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলা, প্রত্যাহারে হুমকির দাবি এক মাসে দুইবার বাড়লো এলপিজির দাম, ১২ কেজি ১৯৪০ টাকা ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু সেই ভুয়া আজিজের সহযোগী ইউসুফ রিমান্ডে জ্বালানির সংকট নেই, অসাধু সিন্ডিকেটে পাম্পগুলোতে কৃত্রিম সংকট হচ্ছে তারাকান্দায় বিএনপির দুই গ্রুপের কর্মসূচি ঘিরে ১৪৪ ধারা জারি চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে হঠাৎ ছিটকে পড়ে বাসচাপায় ঠিকাদার নিহত চুয়াডাঙ্গায় ঘুমন্ত নারীকে কুপিয়ে হত্যা সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণ নিয়ে ফের উত্তাল চট্টগ্রাম শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে মোটরসাইকেল চালানোর প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ডাকসু

চিৎলা পাট বীজ খামার পরিচালনাকারী নাজিম বাহিনীর প্রধান সহ ৩ জন খামারের গেস্ট হাউজে থাকেন এসি রুমে 

চিৎলা পাট বীজ খামার পরিচালনাকারী নাজিম বাহিনীর প্রধান সহ ৩ জন খামারের গেস্ট হাউজে এসি রুমে থাকেন। চিৎলা পাট বীজ খামারের জেডি মোঃ মোর্শেদুল ইসলাম ও জিএম দেবদাস সাহা দূর্নীতি, অনিয়ম করার জন্য নাজিম বাহিনীকে দিয়ে খামার পরিচালনা করছে। জানা যায় খামারের মধ্যে শুধুমাত্র গেস্ট হাউজ, দক্ষিণ ব্লকে অবস্থিত জেডির অফিস, ৩ ব্লকে ৩ টা গোডাউন ও আনসার ক্যাম্প বাদে পুরোনো সব বিল্ডিং ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। তাই খামারে কর্মরত সকল কর্মকর্তা কর্মচারীরা খামারের বাহিরে বাসা ভাড়া করে থাকেন। শুধুমাত্র নাজিম বাহিনীর প্রধান মোঃ নাজিম উদ্দীন ও মোঃ শাহাদত হোসেন কাগজ কলমে খামারের মধ্যে আনসার ক্যাম্পে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছে জিএম ও জেডি। বাস্তবে দেখা যায় খামারের গেস্ট হাউজের রান্না ঘরে খামারের বিদ্যুৎ ব্যবহার করে নাজিম উদ্দীন ও শাহাদত ২ জন রান্না করে খায় এবং গরমে খামারের গেস্ট হাউজে অতিথিরা
যে কক্ষে থাকে নাজিম উদ্দীন ও শাহাদত হোসেন সেই কক্ষে এসি ছেড়ে দিয়ে রাত্রি যাপন করেন। মোঃ শফিকুল ইসলাম কাদা গেস্ট হাউজ দিনে পাহারা দেওয়া ও জেডির রাঁধুনি হিসেবে কাজ করার নামে বসে বসে হাজিরা নিচ্ছে ও মোঃ শাহাদত হোসেন শুধু মাত্র যুগ্ন পরিচালক মোঃ মোর্শেদুল ইসলাম এর ব্যাক্তিগত দেশি হাঁস, মুরগী অত্র খামারের মধ্যে গেস্ট হাউজের পাশ্্ের্বখামারের ধান, গম খাওয়ায় হাঁস, মুরগী পালন করছেন আর খামার থেকে প্রতিদিন শাহাদত হোসেন কে হাজিরা দিচ্ছে। এই ২ জন দিনের বেলায় ও খামারের গেস্ট হাউজে অতিথিরা যে কক্ষে থাকেন সেই কক্ষের এসি ছেড়ে দিয়ে ওনারা সুয়ে বসে আরাম আয়েশ করে থাকেন। স্থানীয় শ্রমিক ও আনসার বাহিনীর শ্রমিক সদস্য নাইট গার্ডরা এই বাহিনীর অপকর্মের বিরুদ্ধে যে কথা বলবে তাকেই মিথ্যা অপবাদ দিয়ে অপকৌশল করে খামার থেকে বের করে দিয়ে থাকে। সকল শ্রমিকরা কাজ হারানোর ভয়ে এই বাহিনীর বিরুদ্ধে কেউ কথা বলার সাহস দেখাই না। নাজিম বাহিনীর প্রধানের বিরুদ্ধে যারা প্রতিবাদ করেছে তাদের কে
নাজিম উদ্দীন ও জেডি খামার থেকে বের করে দিয়েছে। একাধিক শ্রমিক তাদের নাম প্রকাশ না করার শর্তে আমাদের মাতৃভ’মি কে বলেন যে, নাজিম উদ্দীন ও শাহাদত হোসেন কে খামারের মধ্যে রাত্রি যাপন করার উদ্দেশ্য হলো যেনো রাত্রে খামারের ধান, গম, আলু সহ অন্যান্য ফসল তৈল, মবেল, সার, বিষ চুরি করে বাইরে বিক্রি করতে পারে। ঐ শ্রমিকরা আরো বলেন যে, বেশ কিছুদিন পূর্বেখামারে গ্যারেজের পুরোনো বিদ্যুৎ অনেক গুলো স্টিলে খুঁটি ছিলো ও গ্যারেজের আরো অন্যান্য গ্রিল, এসএস পাইপ, লোহা সহ যানবাহনে পুরোনো লোহা লাকড়ি রাতের অন্ধকারে খামারের বাহিরে বিক্রয় করেছেন। এই বিষয়ে খামারের একটি শ্রমিক বা গ্যারেজের কর্মরত ম্যাকানিক্্র, টেকট্রারের ড্রাইভার বাহিরে মানুষ বা সাংবাদিকদের বলার সাহস দেখাতে পারেনি। কারণ সকলের একটায় ভয় নাজিম উদ্দীন এর বিরুদ্ধে একটা কথা বললেই তাকে খামার থেকে জেডি ও নাজিম উদ্দীন অন্যায় ভাবে বের করে দিবে। এই বিষয়ে জিএম সব জানলেও নাজিম উদ্দীন ও জেডির বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না দিয়ে এই অন্যায় গুলো করার মৌখিক নির্দেশনা দিয়েছে বলে নাজিম উদ্দীন বাহিনীর সদস্যরা গর্ভ করে বলে থাকেন

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশালে কাস্টমস কর্মকর্তাকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ—ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলা, প্রত্যাহারে হুমকির দাবি

চিৎলা পাট বীজ খামার পরিচালনাকারী নাজিম বাহিনীর প্রধান সহ ৩ জন খামারের গেস্ট হাউজে থাকেন এসি রুমে 

আপডেট সময় ০৭:১৮:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জুন ২০২৫

চিৎলা পাট বীজ খামার পরিচালনাকারী নাজিম বাহিনীর প্রধান সহ ৩ জন খামারের গেস্ট হাউজে এসি রুমে থাকেন। চিৎলা পাট বীজ খামারের জেডি মোঃ মোর্শেদুল ইসলাম ও জিএম দেবদাস সাহা দূর্নীতি, অনিয়ম করার জন্য নাজিম বাহিনীকে দিয়ে খামার পরিচালনা করছে। জানা যায় খামারের মধ্যে শুধুমাত্র গেস্ট হাউজ, দক্ষিণ ব্লকে অবস্থিত জেডির অফিস, ৩ ব্লকে ৩ টা গোডাউন ও আনসার ক্যাম্প বাদে পুরোনো সব বিল্ডিং ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। তাই খামারে কর্মরত সকল কর্মকর্তা কর্মচারীরা খামারের বাহিরে বাসা ভাড়া করে থাকেন। শুধুমাত্র নাজিম বাহিনীর প্রধান মোঃ নাজিম উদ্দীন ও মোঃ শাহাদত হোসেন কাগজ কলমে খামারের মধ্যে আনসার ক্যাম্পে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছে জিএম ও জেডি। বাস্তবে দেখা যায় খামারের গেস্ট হাউজের রান্না ঘরে খামারের বিদ্যুৎ ব্যবহার করে নাজিম উদ্দীন ও শাহাদত ২ জন রান্না করে খায় এবং গরমে খামারের গেস্ট হাউজে অতিথিরা
যে কক্ষে থাকে নাজিম উদ্দীন ও শাহাদত হোসেন সেই কক্ষে এসি ছেড়ে দিয়ে রাত্রি যাপন করেন। মোঃ শফিকুল ইসলাম কাদা গেস্ট হাউজ দিনে পাহারা দেওয়া ও জেডির রাঁধুনি হিসেবে কাজ করার নামে বসে বসে হাজিরা নিচ্ছে ও মোঃ শাহাদত হোসেন শুধু মাত্র যুগ্ন পরিচালক মোঃ মোর্শেদুল ইসলাম এর ব্যাক্তিগত দেশি হাঁস, মুরগী অত্র খামারের মধ্যে গেস্ট হাউজের পাশ্্ের্বখামারের ধান, গম খাওয়ায় হাঁস, মুরগী পালন করছেন আর খামার থেকে প্রতিদিন শাহাদত হোসেন কে হাজিরা দিচ্ছে। এই ২ জন দিনের বেলায় ও খামারের গেস্ট হাউজে অতিথিরা যে কক্ষে থাকেন সেই কক্ষের এসি ছেড়ে দিয়ে ওনারা সুয়ে বসে আরাম আয়েশ করে থাকেন। স্থানীয় শ্রমিক ও আনসার বাহিনীর শ্রমিক সদস্য নাইট গার্ডরা এই বাহিনীর অপকর্মের বিরুদ্ধে যে কথা বলবে তাকেই মিথ্যা অপবাদ দিয়ে অপকৌশল করে খামার থেকে বের করে দিয়ে থাকে। সকল শ্রমিকরা কাজ হারানোর ভয়ে এই বাহিনীর বিরুদ্ধে কেউ কথা বলার সাহস দেখাই না। নাজিম বাহিনীর প্রধানের বিরুদ্ধে যারা প্রতিবাদ করেছে তাদের কে
নাজিম উদ্দীন ও জেডি খামার থেকে বের করে দিয়েছে। একাধিক শ্রমিক তাদের নাম প্রকাশ না করার শর্তে আমাদের মাতৃভ’মি কে বলেন যে, নাজিম উদ্দীন ও শাহাদত হোসেন কে খামারের মধ্যে রাত্রি যাপন করার উদ্দেশ্য হলো যেনো রাত্রে খামারের ধান, গম, আলু সহ অন্যান্য ফসল তৈল, মবেল, সার, বিষ চুরি করে বাইরে বিক্রি করতে পারে। ঐ শ্রমিকরা আরো বলেন যে, বেশ কিছুদিন পূর্বেখামারে গ্যারেজের পুরোনো বিদ্যুৎ অনেক গুলো স্টিলে খুঁটি ছিলো ও গ্যারেজের আরো অন্যান্য গ্রিল, এসএস পাইপ, লোহা সহ যানবাহনে পুরোনো লোহা লাকড়ি রাতের অন্ধকারে খামারের বাহিরে বিক্রয় করেছেন। এই বিষয়ে খামারের একটি শ্রমিক বা গ্যারেজের কর্মরত ম্যাকানিক্্র, টেকট্রারের ড্রাইভার বাহিরে মানুষ বা সাংবাদিকদের বলার সাহস দেখাতে পারেনি। কারণ সকলের একটায় ভয় নাজিম উদ্দীন এর বিরুদ্ধে একটা কথা বললেই তাকে খামার থেকে জেডি ও নাজিম উদ্দীন অন্যায় ভাবে বের করে দিবে। এই বিষয়ে জিএম সব জানলেও নাজিম উদ্দীন ও জেডির বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না দিয়ে এই অন্যায় গুলো করার মৌখিক নির্দেশনা দিয়েছে বলে নাজিম উদ্দীন বাহিনীর সদস্যরা গর্ভ করে বলে থাকেন