বিএডিসি পাটবীজ বিভাগের জিএম দেবদাস সাহা ও চিৎলা পাট বীজ খামারের জেডি মোর্শেদুল
ইসলাম এর দূর্নীতির মাত্রা বেড়েই চলেছে। মেহেরপুর, গাংনী উপজেলার বিএডিসির চিৎলা পাট বীজ খামারের যুগ্ন পরিচালক মোঃ মোর্শেদুল ইসলাম অত্র খামারে যোগদান করার পর প্রকাশ্যে দীবালোকে দূর্নীতি অনিয়ম করার কৌশল দেখে এলাকাবাসি হতবাক হয়ে গেছে। অত্র খামারে পুরোনো ২ তলা-৩ তলা ১৪টি বাসা, ১টা গরুর গোয়াল, ১টা গোডাউন টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রয় করার সময় সর্বচ্চ দরদাতা মোঃ ওমর ফারুক প্রোপ্রাইটার মেসার্স সাকিব এন্টারপ্রাইজ ৬৩ লক্ষ্য ৮০ হাজার টাকা। একজন মৃত ব্যাক্তির আইডি কার্ড দিয়ে যুগ্ন পরিচালক নিজে দ্বিতীয় দরদাতা মৃত শহিদুল ইসলাম শাহান এর নামে ৪৫ লক্ষ্য টাকা টেন্ডার ড্রপ করেছিলেন। তৃতীয় দরদাতা ১২-১৩ লক্ষ্য টাকা উল্লেখ করে জেডি ড্রপ করিয়ে ছিলো। যুগ্ন পরিচালকের মনোনিত ব্যাক্তিরা বিল্ডিং ক্রয় করতে না পারায় সর্বচ্চ দরদাতা সাথে আতআত করে প্রথম দরদাতার কাছ থেকে নগদ ২৮ লক্ষ্য টাকা জেডি নিয়ে সর্বচ্চ দরদাতা, দ্বিতীয় দরদাতা অপরাগতা সৃষ্টি করে তৃতীয় দরদাতার নামে কাগজ কলমে টেন্ডার দেখিয়ে বাস্তবে ১৬ টা পুরোনো ভবন ভেঙ্গে ক্রয় বিক্রয় করেছেন সবর্চ্চ দরদাতা সাকিব এন্টারপ্রাইজ। জেডির ব্যাক্তিগত স্বার্থের জন্য সরকার প্রায় ৫০-৫২ লক্ষ্য টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে। হাইব্রিড ধান লাগানোর মাঝে যে পুরুষ ধান লাগানো হয়ে থাকে ঐ পুরুষ ধান গুলো কাটা ঝাড়াই মাড়াই করে অবীজ হিসেবে কোনো টেন্ডার ছাড়াই ২৫০ মন ধান ব্যাক্তিগত ভাবে গত ২০২৫ সালে এপ্রিল-মে মাসের দিকে বিক্রয় করেছেন। গত ২০২৫ সালে এপ্রিল মাসে কাগজ কলমে ১০০ টি আম গাছ বিক্রয় করলেও সেখানে মূলত ১৫০ আম গাছ আছে বাকি ৫০ টি আম গাছের টাকা জেডির পকেটে গেছে। জেডি দেশি মুরগী ও দেশি মুরগীর ডিম খুব পছন্দ করেন তাই সিরাজগঞ্জ জেলা থেকে মোঃ শাহাদত নামের একজন কে নিয়ে এসে চিৎলা পাটবীজ খামারের মধ্যে হাসঁ, মুরগী পালন করছেন। জেডি চুয়াডাঙ্গার বাসায় বসে সেই হাসঁ, মুরগীর ডিম খাচ্ছেন। চিৎলা পাটবীজ খামারের ডেইলি শ্রমিক হিসেবে তাকে হাজিরা দিচ্ছেন। সরকারি টাকা ব্যাক্তিগত কাজের জন্য এই ভাবে অপচয় করছে। আর এই কাজ গুলো সবই করেন পাটবীজ বিভাগের জিএম দেবদাস সাহা কে সন্তুষ্ট করে। কৃষি ভবনে কর্মরত একজন কর্মচারির সূত্রে জানা গেছে ২টি পাটবীজ খামারের জন্য একজন জিএম কে সরকার নিয়জিত রেখেছেন। এই ২টি পাটবীজ খামারের কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে দূর্নীতির একটা বড় আকড়া তৈরি করেছেন যা সরকারের আজ পর্যন্ত জানা সম্ভব হয়নি। আরো জানা গেছে পাটবীজ বিভাগের জিএম হিসেবে সরকারের নির্ধারিত সময় পর্যন্ত উনি অফিসে থাকেন না। কখন
অফিসে আসেন আর কখন অফিস থেকে চলে যান কেউ জানতেও পারে না। এমন উদাসিন দূর্নীতিবাজ জিএম কে কেনো পাটবীজ বিভাগের প্রধান হিসেবে রেখেছেন তা কেউ জানে না। এই বিষয় কথা বলার জন্য জেডি ও জিএম সাহেবের ব্যাক্তিগত মোবাইল ফোনে একাধিক বার ফোন করার পরেও ওনারা কল রিসিভ করেননি। পরে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে জানতে পেরেছি জেডি ও জিএম দুইজনই একই রকম মানুষ ওনারা অপরিচিত কোনো মোবাইল নাম্বার থেকে কেউ কল দিলে ওনারা কল রিসিভ করেননা।
সংবাদ শিরোনাম ::
চিৎলা পাট বীজ খামারের জেডি মোর্শেদুল ইসলাম ও জিএম দেবদাস সাহার দূর্নীতির মাত্রা বেড়েই চলেছে
-
নিজস্ব প্রতিবেদক : - আপডেট সময় ০৭:১৩:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫
- ৬৮৭ বার পড়া হয়েছে
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

























