ঢাকা ০৩:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশালে কাস্টমস কর্মকর্তাকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ—ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলা, প্রত্যাহারে হুমকির দাবি এক মাসে দুইবার বাড়লো এলপিজির দাম, ১২ কেজি ১৯৪০ টাকা ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু সেই ভুয়া আজিজের সহযোগী ইউসুফ রিমান্ডে জ্বালানির সংকট নেই, অসাধু সিন্ডিকেটে পাম্পগুলোতে কৃত্রিম সংকট হচ্ছে তারাকান্দায় বিএনপির দুই গ্রুপের কর্মসূচি ঘিরে ১৪৪ ধারা জারি চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে হঠাৎ ছিটকে পড়ে বাসচাপায় ঠিকাদার নিহত চুয়াডাঙ্গায় ঘুমন্ত নারীকে কুপিয়ে হত্যা সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণ নিয়ে ফের উত্তাল চট্টগ্রাম শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে মোটরসাইকেল চালানোর প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ডাকসু

জাতীয় সমবায় শিল্প সমিতিতে সাধনা দাশ ও আবু নাসেরের লুটপাট

সমবায় মাফিয়া পরিবার(গুরুমাতা সাধনা দাশ গুপ্তা,বড় ছেলে বাবলা দাশ গুপ্তা ও ছোট ছেলে সঞ্জয় দাশ গুপ্তা এবং বড় মেয়ে লিপিকা দাশগুপ্তা ও ছোট মেয়ে প্রিয়াংকা দাশ গুপ্তা) খ্যাত সাধনা দাশ গুপ্তা চক্রের দখলে বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় শিল্প সমিতি লি:। বিগত ১৬ বছরের আওয়ামী স্বৈরাচারী শাসনামলে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় লুটপাট করে সমবায়ীদের জাতীয় প্রতিষ্ঠানের তহবিল খালি করে ফেলেছেন। আওয়ামী লীগের ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে এবং ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দলীয় ক্ষমতা প্রয়োগ করে;সমিতি দখলে নিয়ে লুটপাটের সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছে আওয়ামী প্রেতাত্মা সাধনা দাশ গুপ্তা। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠজন ও বাংলাদেশ তাঁতীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরী সভাপতি সাধনা দাশ গুপ্তা ধরাকে সরা জ্ঞান করতেন। আইন কানুনের তোয়াক্কা করতেন না। সমবায় অধিদপ্তর পরিচালিত হতো তার অঙ্গুলীহেলানে। তার ক্ষমতার কাছে সমবায় অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ছিলেন অসহায়। তিনি একাধিক হত্যা মামলার আসামী। আইন-বিধির তোয়াক্কা না করে দীর্ঘ ২১ বছর বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় শিল্প সমিতি লি: নিজের দখলে রেখেছেন। সমিতিকে বানিয়েছেন পারিবারিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। কখনো নিজে সভাপতি আবার কখনো তার মেয়েরা সভাপতি।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে আওয়ামী সরকারের পতনের পরও বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় শিল্প সমিতি লি: এখনো সাধনা দাশ পরিবারের দখলে রয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় শিল্প সমিতি লি: এর সভাপতির পদ দখল করে রেখেছেন সাধনা দাসের বড় মেয়ে ও আওয়ামী লীগের নেত্রী লিপিকা দাশ গুপ্তা। তবে সাধনা দাশ গুপ্তা নিয়মিত অফিস করেন এবং সমিতি মুলত: তিনিই পরিচালনা করেন। সমবায় লুটপাট করে গড়েছেন সম্পদের পাহাড়। তার অনিয়ম দুর্নীতির সহযোগী হচ্ছেন সমিতির হিসাব রক্ষক ও নিয়মবহির্ভূতভাবে নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক আবু নাসের মজুমদার। লিপিকা দাশ গুপ্তা আবার বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের সহ-সভাপতি ছিলেন। ৫ আগষ্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম এর ছত্রছায়ায় শিল্প সমিতি দখলে রেখেছেন বলে একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে।
আবু নাসের মজুমদার লুটপাটে সহযোগিতা করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন । বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় শিল্প সমিতি লি: এ লুটপাট করে স্বল্প বেতনের কর্মচারি আবু নাসের মজুমদার রাজধানীর সবুজবাগে বহুতল বাড়ির মালিক বনে গেছেন।
৫ আগষ্ট আওয়ামী সরকার পতনের পর বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় শিল্প সমিতি লি: এর সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা মকবুল হোসেন এর নেতৃত্বে সমবায়ী-ছাত্র-জনতা দখলমুক্ত করার জন্যে সমিতির অফিসে তালা লাগিয়ে দিয়েছিল। সাধনা দাশ সমবায় অধিদপ্তরে চাকুরীরত তার ছেলে,ছেলের স্ত্রী,ভাতিজা-ভাতিজি ও সুবিধাভোগী আওয়ামীমনা কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় তালা ভেঙ্গে আবার সমিতি দখল নিয়েছেন। অন্যদিকে বিএনপি’র নেতার আশ্রয়ে থেকে তিনি সমবায়ে দখল বাণিজ্য অব্যাহত রেখেছেন বলে নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র দাবি করছে।
বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় শিল্প সমিতি লি: এর হাজার কোটি টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ছিল। মাফিয়াচক্র লুটপাট করে সমবায়ীদের নি:স্ব করে দিয়েছে। এই সমিতির নারায়ণগঞ্জে ৮৬ বিঘা জমির ওপর সমবায় প্রকৌশল কারখানা ছিল। যা ১ কোটি নয় লাখ টাকায় বিক্রি করে দেয়া হয়েছে। যার প্রকৃত বাজার মূল্য শতগুণ বেশি। রাজধানীর মিরপুরে সমিতির রয়েছে ৫০ কাঠা জমি। যেখানে মল্লিক ডেভেলপারস কোম্পানীকে দিয়ে ১৬ তলা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। আশ্চর্যজনক ব্যাপার হলো ডেভেলপার কোম্পানী পেয়েছে ভবনের ৮৪ শতাংশ আর সমিতি পেয়েছে মাত্র ১৬ শতাংশ। এখানে সাধনা দাশ গুপ্তা ডেভেলপারস কোম্পানীর সাথে আতাঁত করে কয়েক কোটি টাকা সুবিধা নিয়ে অসম চুক্তি করেছেন। আবার সমিতির ১৬ শতাংশ স্পেসও সাধনার দুর্নীতির কারনে বেহাত হওয়ার পথে। এছাড়া কক্সবাজারে সমিতির মালিকানায় রয়েছে একটি মোটেল, যা ভাড়ায় চালিত হচ্ছে। নিউ মার্কেটে রয়েছে তিনটি দোকান। যা ভাড়া দেয়া রয়েছে। ব্যাংকে সমিতির শেয়ার বা এফডিআর যা ছিল তা এখন কিছুই নেই। স্থাপনা ভাড়া বাবদ সমিতি প্রচুর অর্থ আয় করে। যা সমবায়ের সদস্যদের বিন্দুমাত্র কোন কাজে আসেনা। সদস্য সমিতি কখনো লভ্যাংশ চোখে দেখেনি। সমিতির আয় সাধনা দাশ গুপ্তার পরিবারের উদরস্থ হয়েছে। তার রাজনৈতিক পরিচয়ের কারনে সমবায় অধিদপ্তর সাক্ষীগোপালের ভূমিকা পালন করেছে বরাবর। কোন সৎ কর্মকর্তা সাধনার অবৈধ কর্মকান্ডে বাধা দিলে তার রোষানলে পড়তে হতো।

উল্লেখ্য, সমবায়ী তাঁতীদের জন্য বিদেশ থেকে রং, রাসায়নিক দ্রব্য, সুতা ও তাঁতের খুচরা যন্ত্রাংশ আমদানীসহ তাঁতিদের ঋণ প্রকল্প এবং স্থানীয় মিলের সুতা বিতরণ করা সহ বিবিধ উদ্দেশ্যে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় ১৯৫৪ সালে বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় শিল্প সমিতি লিঃ প্রতিষ্ঠিত হয়। কাগজে কলমে সমিতির সদস্য ৬১টি। এর মধ্যে একটি সরকার, ৫৯টি কেন্দ্রীয় সমবায় শিল্প সমিতি এবং একটি কেন্দ্রীয় লবণ উৎপাদনকারী সমবায় সমিতি। কেন্দ্রীয় সমবায় শিল্প সমিতিগুলো নাম সর্বস্ব টিকে আছে। তাদের কার্যক্রম মূলত: নেই। বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় শিল্প সমিতির প্রধান কার্যালয় সমবায় ব্যাংক ভবনে এখনো আছে।
আওয়ামী প্রেতাত্মা সাধনা দাশ গুপ্তার পরিবারের দখল থেকে বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় শিল্প সমিতি লি: কে মুক্ত করে তাকে আইনের আওতায় আনার জন্যে সমবায় উপদেষ্টার প্রতি আহবান জানিয়েছেন সমবায়ীগণ।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশালে কাস্টমস কর্মকর্তাকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ—ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলা, প্রত্যাহারে হুমকির দাবি

জাতীয় সমবায় শিল্প সমিতিতে সাধনা দাশ ও আবু নাসেরের লুটপাট

আপডেট সময় ০৯:৪০:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মে ২০২৫

সমবায় মাফিয়া পরিবার(গুরুমাতা সাধনা দাশ গুপ্তা,বড় ছেলে বাবলা দাশ গুপ্তা ও ছোট ছেলে সঞ্জয় দাশ গুপ্তা এবং বড় মেয়ে লিপিকা দাশগুপ্তা ও ছোট মেয়ে প্রিয়াংকা দাশ গুপ্তা) খ্যাত সাধনা দাশ গুপ্তা চক্রের দখলে বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় শিল্প সমিতি লি:। বিগত ১৬ বছরের আওয়ামী স্বৈরাচারী শাসনামলে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় লুটপাট করে সমবায়ীদের জাতীয় প্রতিষ্ঠানের তহবিল খালি করে ফেলেছেন। আওয়ামী লীগের ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে এবং ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দলীয় ক্ষমতা প্রয়োগ করে;সমিতি দখলে নিয়ে লুটপাটের সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছে আওয়ামী প্রেতাত্মা সাধনা দাশ গুপ্তা। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠজন ও বাংলাদেশ তাঁতীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরী সভাপতি সাধনা দাশ গুপ্তা ধরাকে সরা জ্ঞান করতেন। আইন কানুনের তোয়াক্কা করতেন না। সমবায় অধিদপ্তর পরিচালিত হতো তার অঙ্গুলীহেলানে। তার ক্ষমতার কাছে সমবায় অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ছিলেন অসহায়। তিনি একাধিক হত্যা মামলার আসামী। আইন-বিধির তোয়াক্কা না করে দীর্ঘ ২১ বছর বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় শিল্প সমিতি লি: নিজের দখলে রেখেছেন। সমিতিকে বানিয়েছেন পারিবারিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। কখনো নিজে সভাপতি আবার কখনো তার মেয়েরা সভাপতি।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে আওয়ামী সরকারের পতনের পরও বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় শিল্প সমিতি লি: এখনো সাধনা দাশ পরিবারের দখলে রয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় শিল্প সমিতি লি: এর সভাপতির পদ দখল করে রেখেছেন সাধনা দাসের বড় মেয়ে ও আওয়ামী লীগের নেত্রী লিপিকা দাশ গুপ্তা। তবে সাধনা দাশ গুপ্তা নিয়মিত অফিস করেন এবং সমিতি মুলত: তিনিই পরিচালনা করেন। সমবায় লুটপাট করে গড়েছেন সম্পদের পাহাড়। তার অনিয়ম দুর্নীতির সহযোগী হচ্ছেন সমিতির হিসাব রক্ষক ও নিয়মবহির্ভূতভাবে নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক আবু নাসের মজুমদার। লিপিকা দাশ গুপ্তা আবার বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের সহ-সভাপতি ছিলেন। ৫ আগষ্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম এর ছত্রছায়ায় শিল্প সমিতি দখলে রেখেছেন বলে একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে।
আবু নাসের মজুমদার লুটপাটে সহযোগিতা করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন । বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় শিল্প সমিতি লি: এ লুটপাট করে স্বল্প বেতনের কর্মচারি আবু নাসের মজুমদার রাজধানীর সবুজবাগে বহুতল বাড়ির মালিক বনে গেছেন।
৫ আগষ্ট আওয়ামী সরকার পতনের পর বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় শিল্প সমিতি লি: এর সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা মকবুল হোসেন এর নেতৃত্বে সমবায়ী-ছাত্র-জনতা দখলমুক্ত করার জন্যে সমিতির অফিসে তালা লাগিয়ে দিয়েছিল। সাধনা দাশ সমবায় অধিদপ্তরে চাকুরীরত তার ছেলে,ছেলের স্ত্রী,ভাতিজা-ভাতিজি ও সুবিধাভোগী আওয়ামীমনা কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় তালা ভেঙ্গে আবার সমিতি দখল নিয়েছেন। অন্যদিকে বিএনপি’র নেতার আশ্রয়ে থেকে তিনি সমবায়ে দখল বাণিজ্য অব্যাহত রেখেছেন বলে নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র দাবি করছে।
বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় শিল্প সমিতি লি: এর হাজার কোটি টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ছিল। মাফিয়াচক্র লুটপাট করে সমবায়ীদের নি:স্ব করে দিয়েছে। এই সমিতির নারায়ণগঞ্জে ৮৬ বিঘা জমির ওপর সমবায় প্রকৌশল কারখানা ছিল। যা ১ কোটি নয় লাখ টাকায় বিক্রি করে দেয়া হয়েছে। যার প্রকৃত বাজার মূল্য শতগুণ বেশি। রাজধানীর মিরপুরে সমিতির রয়েছে ৫০ কাঠা জমি। যেখানে মল্লিক ডেভেলপারস কোম্পানীকে দিয়ে ১৬ তলা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। আশ্চর্যজনক ব্যাপার হলো ডেভেলপার কোম্পানী পেয়েছে ভবনের ৮৪ শতাংশ আর সমিতি পেয়েছে মাত্র ১৬ শতাংশ। এখানে সাধনা দাশ গুপ্তা ডেভেলপারস কোম্পানীর সাথে আতাঁত করে কয়েক কোটি টাকা সুবিধা নিয়ে অসম চুক্তি করেছেন। আবার সমিতির ১৬ শতাংশ স্পেসও সাধনার দুর্নীতির কারনে বেহাত হওয়ার পথে। এছাড়া কক্সবাজারে সমিতির মালিকানায় রয়েছে একটি মোটেল, যা ভাড়ায় চালিত হচ্ছে। নিউ মার্কেটে রয়েছে তিনটি দোকান। যা ভাড়া দেয়া রয়েছে। ব্যাংকে সমিতির শেয়ার বা এফডিআর যা ছিল তা এখন কিছুই নেই। স্থাপনা ভাড়া বাবদ সমিতি প্রচুর অর্থ আয় করে। যা সমবায়ের সদস্যদের বিন্দুমাত্র কোন কাজে আসেনা। সদস্য সমিতি কখনো লভ্যাংশ চোখে দেখেনি। সমিতির আয় সাধনা দাশ গুপ্তার পরিবারের উদরস্থ হয়েছে। তার রাজনৈতিক পরিচয়ের কারনে সমবায় অধিদপ্তর সাক্ষীগোপালের ভূমিকা পালন করেছে বরাবর। কোন সৎ কর্মকর্তা সাধনার অবৈধ কর্মকান্ডে বাধা দিলে তার রোষানলে পড়তে হতো।

উল্লেখ্য, সমবায়ী তাঁতীদের জন্য বিদেশ থেকে রং, রাসায়নিক দ্রব্য, সুতা ও তাঁতের খুচরা যন্ত্রাংশ আমদানীসহ তাঁতিদের ঋণ প্রকল্প এবং স্থানীয় মিলের সুতা বিতরণ করা সহ বিবিধ উদ্দেশ্যে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় ১৯৫৪ সালে বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় শিল্প সমিতি লিঃ প্রতিষ্ঠিত হয়। কাগজে কলমে সমিতির সদস্য ৬১টি। এর মধ্যে একটি সরকার, ৫৯টি কেন্দ্রীয় সমবায় শিল্প সমিতি এবং একটি কেন্দ্রীয় লবণ উৎপাদনকারী সমবায় সমিতি। কেন্দ্রীয় সমবায় শিল্প সমিতিগুলো নাম সর্বস্ব টিকে আছে। তাদের কার্যক্রম মূলত: নেই। বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় শিল্প সমিতির প্রধান কার্যালয় সমবায় ব্যাংক ভবনে এখনো আছে।
আওয়ামী প্রেতাত্মা সাধনা দাশ গুপ্তার পরিবারের দখল থেকে বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় শিল্প সমিতি লি: কে মুক্ত করে তাকে আইনের আওতায় আনার জন্যে সমবায় উপদেষ্টার প্রতি আহবান জানিয়েছেন সমবায়ীগণ।