ঢাকা ১২:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশালে কাস্টমস কর্মকর্তাকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ—ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলা, প্রত্যাহারে হুমকির দাবি এক মাসে দুইবার বাড়লো এলপিজির দাম, ১২ কেজি ১৯৪০ টাকা ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু সেই ভুয়া আজিজের সহযোগী ইউসুফ রিমান্ডে জ্বালানির সংকট নেই, অসাধু সিন্ডিকেটে পাম্পগুলোতে কৃত্রিম সংকট হচ্ছে তারাকান্দায় বিএনপির দুই গ্রুপের কর্মসূচি ঘিরে ১৪৪ ধারা জারি চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে হঠাৎ ছিটকে পড়ে বাসচাপায় ঠিকাদার নিহত চুয়াডাঙ্গায় ঘুমন্ত নারীকে কুপিয়ে হত্যা সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণ নিয়ে ফের উত্তাল চট্টগ্রাম শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে মোটরসাইকেল চালানোর প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ডাকসু

আওয়ামী দোসর হারুন রানা “বিএনপির ফরম পূরণ করেছে”

স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবীর নানক ও সাবেক সংসদ সদস্য ফাহমি গোলোন্দাজ বাবেল যখন পলাতক তখন তাদের ডোনার ও ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসর হারুন রানা রাজকীয় হালে বহাল তবিয়তে আছেন। এতে মোহাম্মদপুর,আদাবর ও পাগলা থানার পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন মহল।
হারুনুর রশিদ রানা এখন বলে বেরাচ্ছেন, তিনি বিএনপির ফরম পূরণ করেছেন। বিএনপিতে যোগদান করবেন। তাই এখন সাংবাদিক, দুদক ও ওয়াসা কর্তৃপক্ষ তাকে কিছু করতে পারবে না।
জানাগেছে, ঢাকা ওয়াসার কথিত জাতীয়তাবাদী কর্মচারী ইউনিয়ন এর নেতা আজিজ ও মনির পাটোয়ারী কে হারুন রানা বড় অংকের ডোনেশন দিয়েছেন। তারা হারুন রানা কে ওয়াসার সকল ঝামেলা থেকে রক্ষা করবেন।
অন্যদিকে একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, হারুন রানা মোহাম্মদপুর এর স্থানীয় এক নেতাকে ডোনেশন দিয়ে, পুলিশি হয়রানি থেকে রক্ষা ও সম্পদ রক্ষার চেষ্টা করছেন।
এছাড়া, পাগলা থানার স্থানীয় বিএনপি নেতা মোজাম্মেল এর বিরুদ্ধে হারুন রানা ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ তুলেছিলেন। এখন মোজাম্মেল কে চাঁদা দিয়ে আপোষ রফা করে এলাকার সম্পদ রক্ষা করছেন বলে একটি সূত্র জানিয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পাগলা থানার স্থানীয় একজন বিএনপি নেতা বলেন, হারুনুর রশিদ রানা জাহাঙ্গীর কবির নানক ও ফাহমি গোলোন্দাজ বাবেলের একজন নিয়মিত ডোনার ছিলেন। তাদের ছত্রছায়ায় তিনি দখলবাজি করেছেন। অথচ পুলিশ তাকে এখনো গ্রেপ্তার করছে না। ধূর্ত হারুন রানা পুলিশ ম্যানেজ করার পাশাপাশি কতিপয় বিএনপির নেতার আশির্বাদ পাওয়ার চেষ্টা করছেন বলে এই বিএনপি নেতা দাবি করেন।
এখনো জাহাঙ্গীর কবির নানক ও ফাহমি গোলোন্দাজ বাবেলের সাথে হারুন রানার যোগাযোগ আছে এবং দেশে আওয়ামী লীগের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির কার্যক্রমের সাথেও তার সম্পৃক্ততা থাকতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
পতিত স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোসর এবং সাবেক এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক ও ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁওয়ের সংসদ সদস্য ফাহমি গোলোন্দাজ বাবেলের ঘনিষ্ঠ সহোচর এবং ঢাকা ওয়াসার রাজস্ব পরিদর্শক হারুনুর রশিদ রানাকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিক সমাজ।
সম্প্রতি ঢাকার মোহাম্মদপুর, কাওরান বাজার ও পাগলা থানায় সচেতন নাগরিক সমাজ এর ব্যানারে হারুনুর রশিদ রানাকে গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে পোস্টারিং হয়েছে। তার এলাকাবাসীর পক্ষে মন্ত্রণালয়, দুর্নীতি দমন কমিশন ও ওয়াসা কর্তৃপক্ষের নিকট আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য আবেদন করা হয়েছে।
জানাগেছে, সরকারি চাকরি বিধি ভঙ্গ করে তিনি মোহাম্মদপুর ও পাগলা থানা আওয়ামী লীগের কমিটিতে ছিলেন। তিনি জাহাঙ্গীর কবির নানক ও ফাহমি গোলোন্দাজ বাবেলের ডোনার ছিলেন। তাদের ছত্রছায়ায় ঢাকা, ময়মনসিংহে অবৈধভাবে মানুষের বাড়ি, জায়গা জমি দখল করেছেন।
৫ আগষ্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ভোল পাল্টে নিজের অবৈধ সম্পদ রক্ষার চেষ্টা করছেন। স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের পতনের পর যখন জাহাঙ্গীর কবির নানক ও ফাহমি গোলোন্দাজ বাবেল পলাতক তখন রহস্যজনক কারণে বহাল তবিয়তে আছেন হারুনুর রশিদ রানা।
হারুনুর রশিদ রানার দলবাজি, দখলদারিত্ব, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে অর্থায়ন, অবৈধ সম্পদ ও ঢাকা ওয়াসায় তার অনিয়ম দুর্নীতির ফিরিস্তি থাকবে বিশেষ প্রতিবেদনে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশালে কাস্টমস কর্মকর্তাকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ—ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলা, প্রত্যাহারে হুমকির দাবি

আওয়ামী দোসর হারুন রানা “বিএনপির ফরম পূরণ করেছে”

আপডেট সময় ০৭:২৯:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ মে ২০২৫

স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবীর নানক ও সাবেক সংসদ সদস্য ফাহমি গোলোন্দাজ বাবেল যখন পলাতক তখন তাদের ডোনার ও ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসর হারুন রানা রাজকীয় হালে বহাল তবিয়তে আছেন। এতে মোহাম্মদপুর,আদাবর ও পাগলা থানার পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন মহল।
হারুনুর রশিদ রানা এখন বলে বেরাচ্ছেন, তিনি বিএনপির ফরম পূরণ করেছেন। বিএনপিতে যোগদান করবেন। তাই এখন সাংবাদিক, দুদক ও ওয়াসা কর্তৃপক্ষ তাকে কিছু করতে পারবে না।
জানাগেছে, ঢাকা ওয়াসার কথিত জাতীয়তাবাদী কর্মচারী ইউনিয়ন এর নেতা আজিজ ও মনির পাটোয়ারী কে হারুন রানা বড় অংকের ডোনেশন দিয়েছেন। তারা হারুন রানা কে ওয়াসার সকল ঝামেলা থেকে রক্ষা করবেন।
অন্যদিকে একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, হারুন রানা মোহাম্মদপুর এর স্থানীয় এক নেতাকে ডোনেশন দিয়ে, পুলিশি হয়রানি থেকে রক্ষা ও সম্পদ রক্ষার চেষ্টা করছেন।
এছাড়া, পাগলা থানার স্থানীয় বিএনপি নেতা মোজাম্মেল এর বিরুদ্ধে হারুন রানা ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ তুলেছিলেন। এখন মোজাম্মেল কে চাঁদা দিয়ে আপোষ রফা করে এলাকার সম্পদ রক্ষা করছেন বলে একটি সূত্র জানিয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পাগলা থানার স্থানীয় একজন বিএনপি নেতা বলেন, হারুনুর রশিদ রানা জাহাঙ্গীর কবির নানক ও ফাহমি গোলোন্দাজ বাবেলের একজন নিয়মিত ডোনার ছিলেন। তাদের ছত্রছায়ায় তিনি দখলবাজি করেছেন। অথচ পুলিশ তাকে এখনো গ্রেপ্তার করছে না। ধূর্ত হারুন রানা পুলিশ ম্যানেজ করার পাশাপাশি কতিপয় বিএনপির নেতার আশির্বাদ পাওয়ার চেষ্টা করছেন বলে এই বিএনপি নেতা দাবি করেন।
এখনো জাহাঙ্গীর কবির নানক ও ফাহমি গোলোন্দাজ বাবেলের সাথে হারুন রানার যোগাযোগ আছে এবং দেশে আওয়ামী লীগের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির কার্যক্রমের সাথেও তার সম্পৃক্ততা থাকতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
পতিত স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোসর এবং সাবেক এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক ও ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁওয়ের সংসদ সদস্য ফাহমি গোলোন্দাজ বাবেলের ঘনিষ্ঠ সহোচর এবং ঢাকা ওয়াসার রাজস্ব পরিদর্শক হারুনুর রশিদ রানাকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিক সমাজ।
সম্প্রতি ঢাকার মোহাম্মদপুর, কাওরান বাজার ও পাগলা থানায় সচেতন নাগরিক সমাজ এর ব্যানারে হারুনুর রশিদ রানাকে গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে পোস্টারিং হয়েছে। তার এলাকাবাসীর পক্ষে মন্ত্রণালয়, দুর্নীতি দমন কমিশন ও ওয়াসা কর্তৃপক্ষের নিকট আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য আবেদন করা হয়েছে।
জানাগেছে, সরকারি চাকরি বিধি ভঙ্গ করে তিনি মোহাম্মদপুর ও পাগলা থানা আওয়ামী লীগের কমিটিতে ছিলেন। তিনি জাহাঙ্গীর কবির নানক ও ফাহমি গোলোন্দাজ বাবেলের ডোনার ছিলেন। তাদের ছত্রছায়ায় ঢাকা, ময়মনসিংহে অবৈধভাবে মানুষের বাড়ি, জায়গা জমি দখল করেছেন।
৫ আগষ্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ভোল পাল্টে নিজের অবৈধ সম্পদ রক্ষার চেষ্টা করছেন। স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের পতনের পর যখন জাহাঙ্গীর কবির নানক ও ফাহমি গোলোন্দাজ বাবেল পলাতক তখন রহস্যজনক কারণে বহাল তবিয়তে আছেন হারুনুর রশিদ রানা।
হারুনুর রশিদ রানার দলবাজি, দখলদারিত্ব, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে অর্থায়ন, অবৈধ সম্পদ ও ঢাকা ওয়াসায় তার অনিয়ম দুর্নীতির ফিরিস্তি থাকবে বিশেষ প্রতিবেদনে।