ঢাকা ০৪:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশালে কাস্টমস কর্মকর্তাকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ—ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলা, প্রত্যাহারে হুমকির দাবি এক মাসে দুইবার বাড়লো এলপিজির দাম, ১২ কেজি ১৯৪০ টাকা ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু সেই ভুয়া আজিজের সহযোগী ইউসুফ রিমান্ডে জ্বালানির সংকট নেই, অসাধু সিন্ডিকেটে পাম্পগুলোতে কৃত্রিম সংকট হচ্ছে তারাকান্দায় বিএনপির দুই গ্রুপের কর্মসূচি ঘিরে ১৪৪ ধারা জারি চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে হঠাৎ ছিটকে পড়ে বাসচাপায় ঠিকাদার নিহত চুয়াডাঙ্গায় ঘুমন্ত নারীকে কুপিয়ে হত্যা সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণ নিয়ে ফের উত্তাল চট্টগ্রাম শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে মোটরসাইকেল চালানোর প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ডাকসু

ট্রাফিক সার্জেন্ট অপূর্ব কুমার মহন্তের বিরুদ্ধে অস্বাভাবিক সম্পদ অর্জনের অভিযোগ

  • শাপলা আক্তার
  • আপডেট সময় ১১:৪২:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫
  • ৬৩০ বার পড়া হয়েছে

নওগাঁ জেলার ট্রাফিক সার্জেন্ট অপূর্ব কুমার মহন্তের বিরুদ্ধে অস্বাভাবিক সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। তিনি জয়পুরহাট জেলার খনজনপুর (উত্তর পাড়া) এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা। পিতা অমল চন্দ্র মহন্ত। তথ্য অনুযায়ী, অপূর্ব কুমার মহন্ত ২০০৯ সালে পুলিশ কনস্টেবল পদে সিলেটে চাকরিতে যোগদান করেন। পরবর্তীতে সিআইডিতে কনস্টেবল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ২০১৫ সালে দিনাজপুরে ট্রাফিক সার্জেন্ট পদে যোগ দেন।

অভিযোগ রয়েছে, সরকারি চাকরির পাশাপাশি তিনি অস্বাভাবিকভাবে বিপুল পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়েছেন। ২০১৬ সালে নিজ এলাকায় চারতলা ফাউন্ডেশনের একটি বাড়ির নির্মাণ কাজ শুরু করেন এবং ২০১৭ সালে তা সম্পন্ন হয়। উক্ত বাড়ির নির্মাণে খরচ হয়েছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। এছাড়াও ২০২২ সালে খনজনপুর উত্তরপাড়ায় তিনি ১৩ শতক জমি কেনেন, যার বাজারমূল্য প্রায় ৯০ লক্ষ টাকা।

২০২৩ সালে রংপুর ও গোবিন্দগঞ্জে আরও দুটি জায়গা কেনেন যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ১ কোটি টাকা। অফিশিয়াল বাইক থাকার পরও তিনি পার্সোনালভাবে একটি দামি মোটরবাইক (ণধসধযধ জ১৫) কিনেছিলেন, যদিও প্রশ্নের মুখে পরলে পরে তা বিক্রি করে দেন। তবে, একই বছর তিনি একটি ব্যক্তিগত কার কিনেছেন। তাছাড়া অভিযোগ রয়েছে, তিনি বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালঙ্কারও সংগ্রহ করেছেন। তার বিরুদ্ধে তদন্ত দাবি করেছে স্থানীয় জনসাধারণ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তারা সঠিক ও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে মুঠো ফোনে অপূর্ব কুমার মহন্তের সাথে কথা হলে তিনি জানান আমার বাবা মুক্তিযোদ্ধা, রেলওয়েতে সরকারি চাকুরি করতেন, অবসরে গিয়ে তিনি বাড়ী করেছেন আমার বাবার টাকা উত্তলনের কাগজ আছে আমার কাছে।অন্যান্য অভিযোগ অস্বীকার করলেও তিনি স্বীকার করেছেন তার নামে ৭ কাঠা জায়গা রয়েছে।

তার বিষয়ে তার ভাই অনুপ কুমার মহন্ত, পিতা- অমল চন্দ্র মহন্ত (মুক্তিযোদ্ধা), সাং- খনজনপুর, উপজেলা ও জেলা- জয়পুরহাট এই মর্মে অভিযোগ দায়ের করেছে আমার বড় ভাই অপূর্ব কুমার মহন্ত ট্রাফিক সার্জেন্ট, গত ১১/১১/২০১৪ ইং তারিখে রাত আনুমানিক ১২.৩০ ঘটিকার সময় জোর পূর্বক আমাকে আমার স্ত্রীকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে। গালিগালাজ করে এবং প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করে। আমার স্ত্রীকে মারধর করার চেষ্টা করে এবং আমার ছোট বাচ্চাকেও মেরে ফেলার হুমকি দেয়। সে একজন পুলিশ প্রশাসনের লোক হওয়ার গৌরবে এসব করছে। আমার বাবা মাকে ফুসলিয়ে আমার বিরুদ্ধাচারণ করছে। ইতিপূর্বে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে আমাকে গুরুতরভাবে মারধর করে। আমি তাতে তার বিরুদ্ধাচারণ করিনি। ইতিপূর্বে আমি জয়পুরহাট পুলিশ সুপার বরাবর একটি অভিযোগ করেছি, কিন্তু তারা কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন নাই। বর্তমানে আমি প্রাণের ভয়ে স্ত্রী সন্তান নিয়ে শ্বশুড় বাড়িতে আশ্রয় গ্রহণ করি। এখন হুমকী দিচ্ছে আমার শ্বশুড় বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিয়ে সবাইকে আগুনে পুড়িয়ে মারবে। আমার সন্তানকে গুম করবে। এছাড়াও বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের হুমকী প্রদান করছে । বর্তমানে আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভূগিতেছি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশালে কাস্টমস কর্মকর্তাকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ—ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলা, প্রত্যাহারে হুমকির দাবি

ট্রাফিক সার্জেন্ট অপূর্ব কুমার মহন্তের বিরুদ্ধে অস্বাভাবিক সম্পদ অর্জনের অভিযোগ

আপডেট সময় ১১:৪২:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫

নওগাঁ জেলার ট্রাফিক সার্জেন্ট অপূর্ব কুমার মহন্তের বিরুদ্ধে অস্বাভাবিক সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। তিনি জয়পুরহাট জেলার খনজনপুর (উত্তর পাড়া) এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা। পিতা অমল চন্দ্র মহন্ত। তথ্য অনুযায়ী, অপূর্ব কুমার মহন্ত ২০০৯ সালে পুলিশ কনস্টেবল পদে সিলেটে চাকরিতে যোগদান করেন। পরবর্তীতে সিআইডিতে কনস্টেবল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ২০১৫ সালে দিনাজপুরে ট্রাফিক সার্জেন্ট পদে যোগ দেন।

অভিযোগ রয়েছে, সরকারি চাকরির পাশাপাশি তিনি অস্বাভাবিকভাবে বিপুল পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়েছেন। ২০১৬ সালে নিজ এলাকায় চারতলা ফাউন্ডেশনের একটি বাড়ির নির্মাণ কাজ শুরু করেন এবং ২০১৭ সালে তা সম্পন্ন হয়। উক্ত বাড়ির নির্মাণে খরচ হয়েছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। এছাড়াও ২০২২ সালে খনজনপুর উত্তরপাড়ায় তিনি ১৩ শতক জমি কেনেন, যার বাজারমূল্য প্রায় ৯০ লক্ষ টাকা।

২০২৩ সালে রংপুর ও গোবিন্দগঞ্জে আরও দুটি জায়গা কেনেন যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ১ কোটি টাকা। অফিশিয়াল বাইক থাকার পরও তিনি পার্সোনালভাবে একটি দামি মোটরবাইক (ণধসধযধ জ১৫) কিনেছিলেন, যদিও প্রশ্নের মুখে পরলে পরে তা বিক্রি করে দেন। তবে, একই বছর তিনি একটি ব্যক্তিগত কার কিনেছেন। তাছাড়া অভিযোগ রয়েছে, তিনি বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালঙ্কারও সংগ্রহ করেছেন। তার বিরুদ্ধে তদন্ত দাবি করেছে স্থানীয় জনসাধারণ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তারা সঠিক ও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে মুঠো ফোনে অপূর্ব কুমার মহন্তের সাথে কথা হলে তিনি জানান আমার বাবা মুক্তিযোদ্ধা, রেলওয়েতে সরকারি চাকুরি করতেন, অবসরে গিয়ে তিনি বাড়ী করেছেন আমার বাবার টাকা উত্তলনের কাগজ আছে আমার কাছে।অন্যান্য অভিযোগ অস্বীকার করলেও তিনি স্বীকার করেছেন তার নামে ৭ কাঠা জায়গা রয়েছে।

তার বিষয়ে তার ভাই অনুপ কুমার মহন্ত, পিতা- অমল চন্দ্র মহন্ত (মুক্তিযোদ্ধা), সাং- খনজনপুর, উপজেলা ও জেলা- জয়পুরহাট এই মর্মে অভিযোগ দায়ের করেছে আমার বড় ভাই অপূর্ব কুমার মহন্ত ট্রাফিক সার্জেন্ট, গত ১১/১১/২০১৪ ইং তারিখে রাত আনুমানিক ১২.৩০ ঘটিকার সময় জোর পূর্বক আমাকে আমার স্ত্রীকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে। গালিগালাজ করে এবং প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করে। আমার স্ত্রীকে মারধর করার চেষ্টা করে এবং আমার ছোট বাচ্চাকেও মেরে ফেলার হুমকি দেয়। সে একজন পুলিশ প্রশাসনের লোক হওয়ার গৌরবে এসব করছে। আমার বাবা মাকে ফুসলিয়ে আমার বিরুদ্ধাচারণ করছে। ইতিপূর্বে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে আমাকে গুরুতরভাবে মারধর করে। আমি তাতে তার বিরুদ্ধাচারণ করিনি। ইতিপূর্বে আমি জয়পুরহাট পুলিশ সুপার বরাবর একটি অভিযোগ করেছি, কিন্তু তারা কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন নাই। বর্তমানে আমি প্রাণের ভয়ে স্ত্রী সন্তান নিয়ে শ্বশুড় বাড়িতে আশ্রয় গ্রহণ করি। এখন হুমকী দিচ্ছে আমার শ্বশুড় বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিয়ে সবাইকে আগুনে পুড়িয়ে মারবে। আমার সন্তানকে গুম করবে। এছাড়াও বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের হুমকী প্রদান করছে । বর্তমানে আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভূগিতেছি।