২৫০ শয্যা কক্সবাজার সদর হাসপাতালের অনিয়মের শেষ নেই, শত শত রোগী এক্সেরা করার জন্য লাইনে দাড়িয়ে আছে,যারা আইয়াকে হাতের মুঠোয় ৫০ টাকা গুছিয়ে দিচ্ছে তাদের সিরিয়াল মেন্টেল করতে হয় না? ১১৪ নম্বর কক্ষ থেকে ২০০ টাকার বিনিময়ে সিরিয়াল নিয়ে এক্সরে রুমে প্রবেশ করতে হয় এইখানে ও অনিয়মের শেষ নেই, ৩০ জনের উপরে এক্সেরা করতে পারবে না বলে
প্রতিবেদক জানান,আবার গতকালকে অনেককে এক্সরে ফ্লীম শেষ হয়ে গেছে সকালে আসবেন।
সকালে এসে দেখা যায় এক্সরে রুমে প্রবেশের জন্য শতশত নারী পুরুষ দাড়িয়ে আছে। রুমে প্রবেশ করানো হচ্ছে না? দায়িত্বরত নার্স জিজ্ঞেস করলে উনি উত্তর দেন রুমে প্রবেশ করে কি করবে
কর্মকর্তা আসেনি এক্সরে করবে কে?
সকাল ১০ ঘটিকার সময় ২৫০ শয্যা কক্সবাজার সদর হাসপাতালে যদি এক্সরে কর্মকর্তা অনুপস্থিত থাকে রোগীর অবস্থা কি হবে রিপোর্ট কখন নেবে ডাক্তার দেখাবে কখন।
সরে জমিনে ঘুরে দেখা যায়,গতকাল সকাল ১১ ঘটিকায় এসেছিলেন কক্সবাজার সরকারী কলেজের ইন্টার ২য় বর্ষের ছাত্র বায়েজিদ।এক্সরে ফ্লীম শেষ হয়ে গেছে আজ সকালে আসতে বলেন। সকালে আসার পর থেকে দাড়িয়ে আছেন।এক্সরে করার কোন খবর নেই, আক্ষেপ করে বলেন, টাকা দিয়ে সেবা নিচ্ছি তারপরও এত গড়ি মসি কেন মরে গেলে ও সরকারি হাসপাতালে আর কখন ও আসব না? যেমন অবহেলা তেমন তাদের ব্যবহার খুব খারাপ যারা লাইনে না দাড়িয়ে ২০/৫০ টাকা
তারা আগে ডাঃ দেখাতে পারেন আইন আছে প্রয়োগ নেই, ভুক্তভোগী রোগী শরীফ বয়স ৫৫ গতকাল থেকে এক্সেরে করাতে এসে আজ পর্যন্ত এক্সেরে করাতে পারেন নি,এমন অসংখ্য লোকের সাথে প্রতিবেদকের সাথে কথা হয়। হাসপাতালের কর্মকর্তা কর্মচারী কেউ সময়মত হাসপাতালে আসেন না,নিয়ম ও মানেন না এই অনিয়ম গুলো রুখবে কে আমজনতার প্রশ্ন। ২০০ টাকার একটা এক্সরে করতে যদি ২ দিন সময় লাগে দুর থেকে আগত রোগীদের অবস্থা কি হবে হাসপাতাল কতৃপক্ষের শুভবুদ্ধি কখন উদয় হবে।
কক্সবাজার প্রতিনিধি 























