সংবাদ শিরোনাম ::
প্রশ্ন ফাঁসের শাস্তি দেশের মানুষ সারাজীবন মনে রাখবে : শিক্ষামন্ত্রী মৌলভীবাজারের বড়লেখা দুর্গম পাহাড়ি সীমান্তে বিজিবি কর্তৃক ৩০০ প্যাকেট ভারতীয় মন্ড সিগারেট আটক দেশে নতুন উদ্যোক্তা না আসাই আয় বৈষম্যের মূল কারণ : বাণিজ্যমন্ত্রী আর্জেন্টিনাকে দুঃসংবাদ দিলেন কেইনকে কালো জাদু করা ঘানার সেই তান্ত্রিক দেশের ৯ জেলায় বন্যার শঙ্কা করমুক্ত আয়সীমা ৬ লাখ টাকা করার প্রস্তাব প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর চীনের সঙ্গে সমঝোতায় বাংলাদেশের নিউ মিডিয়ায় গুণগত পরিবর্তন আসবে : তথ্যমন্ত্রী দুর্নীতি মামলায় টিউলিপসহ ২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন পেছাল এলপিজির কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে সিরাজুল ও জ্বালানি সচিব সাইফুলের সিন্ডিকেটে কোটি টাকা আত্মসাত মনোহরগঞ্জে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

দুর্নীতির মামলায় ইমরান খান ও বুশরা বিবির কারাদণ্ড

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও তার স্ত্রী বুশরা বিবিকে আরও এক মামলায় সাজা দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) এ রায় ঘোষণা করেন পাকিস্তানের আদালত।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, ইমরান খানকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড এবং তার স্ত্রী বুশরা বিবিকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আল-কাদির ইউনিভার্সিটি প্রজেক্ট ট্রাস্টের মামলায় ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির দায়ে তাদের এ কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

কারাদণ্ডের পাশাপাশি ইমরান খানকে ১০ লাখ পাকিস্তানি রুপি এবং বুশরা বিবিকে ৫ লাখ রুপি জরিমানা করেন আদালত। এটি চতুর্থ বড় মামলা যেখানে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে দোষী সাব্যস্ত করা হলো।

প্রসঙ্গত, ইমরান খান ও তার স্ত্রী বুশরা বিবির বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা করে বর্তমান পাকিস্তান সরকার। যদিও ইমরান খান এসব রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যা মামলা বলে দাবি করে আসছেন।

গত বছরের ডিসেম্বরে সাতটি নতুন মামলায় পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানকে ১৪ দিনের রিচারিক রিমান্ডে পাঠিয়েছিলেন দেশটির সন্ত্রাসবিরোধী আদালত (এটিসি)।

ওই সময় তোশাখানা ২.০ মামলায় জামিন পাওয়ার পর আদিয়ালা কারাগারে বন্দি ইমরান খানকে ফের গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ। গত ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত ছয়টি মামলায় শারীরিক রিমান্ডের আবেদন নাকচ করে ইমরান খানকে বিচারিক রিমান্ডে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। বিচার বিভাগীয় রিমান্ড মঞ্জুর হওয়ার পর ইমরান খানকে কারা পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়। ইমরান খানের সেল-৪-কে নিউ টাউন থানা হিসেবে মনোনীত করা হয়েছিল। বিচারিক রিমান্ডে যাওয়ার পর তার সেল এখন আদিয়ালা কারাগারের অংশ হয়। এর আগে গত ২৮ সেপ্টেম্বর, ৪ ও ৫ অক্টোবরের বিক্ষোভের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছয়টি মামলায় ইমরান খানকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে ২৪ নভেম্বরের বিক্ষোভের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ২৮টি মামলায় কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। ২৮ সেপ্টেম্বর, ৪ এবং ৫ অক্টোবরের বিক্ষোভের জন্য পিটিআইর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সাতটি মামলা করা হয়েছে।

এ ছাড়া গত বছরের শেষ দিকে সহিংস বিক্ষোভের পর পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও তার স্ত্রী বুশরা বিবির বিরুদ্ধে নতুন এক মামলায় অভিযোগ আমলে নিয়েছেন আদালত।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রশ্ন ফাঁসের শাস্তি দেশের মানুষ সারাজীবন মনে রাখবে : শিক্ষামন্ত্রী

দুর্নীতির মামলায় ইমরান খান ও বুশরা বিবির কারাদণ্ড

আপডেট সময় ০৩:৫১:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৫

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও তার স্ত্রী বুশরা বিবিকে আরও এক মামলায় সাজা দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) এ রায় ঘোষণা করেন পাকিস্তানের আদালত।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, ইমরান খানকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড এবং তার স্ত্রী বুশরা বিবিকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আল-কাদির ইউনিভার্সিটি প্রজেক্ট ট্রাস্টের মামলায় ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির দায়ে তাদের এ কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

কারাদণ্ডের পাশাপাশি ইমরান খানকে ১০ লাখ পাকিস্তানি রুপি এবং বুশরা বিবিকে ৫ লাখ রুপি জরিমানা করেন আদালত। এটি চতুর্থ বড় মামলা যেখানে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে দোষী সাব্যস্ত করা হলো।

প্রসঙ্গত, ইমরান খান ও তার স্ত্রী বুশরা বিবির বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা করে বর্তমান পাকিস্তান সরকার। যদিও ইমরান খান এসব রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যা মামলা বলে দাবি করে আসছেন।

গত বছরের ডিসেম্বরে সাতটি নতুন মামলায় পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানকে ১৪ দিনের রিচারিক রিমান্ডে পাঠিয়েছিলেন দেশটির সন্ত্রাসবিরোধী আদালত (এটিসি)।

ওই সময় তোশাখানা ২.০ মামলায় জামিন পাওয়ার পর আদিয়ালা কারাগারে বন্দি ইমরান খানকে ফের গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ। গত ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত ছয়টি মামলায় শারীরিক রিমান্ডের আবেদন নাকচ করে ইমরান খানকে বিচারিক রিমান্ডে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। বিচার বিভাগীয় রিমান্ড মঞ্জুর হওয়ার পর ইমরান খানকে কারা পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়। ইমরান খানের সেল-৪-কে নিউ টাউন থানা হিসেবে মনোনীত করা হয়েছিল। বিচারিক রিমান্ডে যাওয়ার পর তার সেল এখন আদিয়ালা কারাগারের অংশ হয়। এর আগে গত ২৮ সেপ্টেম্বর, ৪ ও ৫ অক্টোবরের বিক্ষোভের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছয়টি মামলায় ইমরান খানকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে ২৪ নভেম্বরের বিক্ষোভের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ২৮টি মামলায় কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। ২৮ সেপ্টেম্বর, ৪ এবং ৫ অক্টোবরের বিক্ষোভের জন্য পিটিআইর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সাতটি মামলা করা হয়েছে।

এ ছাড়া গত বছরের শেষ দিকে সহিংস বিক্ষোভের পর পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও তার স্ত্রী বুশরা বিবির বিরুদ্ধে নতুন এক মামলায় অভিযোগ আমলে নিয়েছেন আদালত।