ঢাকা ১১:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প কেন্দ্রীয় চুক্তিতে যে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে ভারত পিএসএলে নিরাপত্তা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার উদ্বেগ, যা বলছে পিসিবি যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী পাটুরিয়ায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়, পারাপারে চলছে ১৮টি লঞ্চ চট্টগ্রামে ডিসির নির্দেশে যন্ত্রপাতি বিক্রি করে শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ মন্ত্রী-এমপিরা কে কোথায় ঈদ করবেন? ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শরীয়তপুর জেলা বি এন পি সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর থানা বি এন পির আহ্বায়ক এস এম এ হামিদ ঈশ্বরদী থেকে এলো উদ্ধারকারী ট্রেন, সৈয়দপুর থেকে আসছে আরেকটি রূহানীনগর এর পক্ষ থেকে সম্মানিত ইমাম-মুয়াজ্জিনগণকে  হাদিয়া প্রদান

শহীদ ওয়াসিমের মৃত্যু গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনকে বেগবান করেছে: এরশাদ উল্লাহ

শুক্রবার (৩০ আগস্ট) চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ ও সদস্যসচিব নাজিমুর রহমানের নেতৃত্বে বিভিন্ন নেতাকর্মীদের নিয়ে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত ওয়াসিম আকরামের কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মেহেরনামা বাজার এর বাসভবনে যান। তারা ওয়াসিমের মায়ের সঙ্গে দেখা করেন এবং খোঁজ নেন। তাদের সমবেদনা জানিয়ে যেকোনো প্রয়োজনে তাদের পাশে থাকার কথা জানান। সেখানে তারা শহীদ ওয়াসিম আকরামের কবর জেয়ারত করেন এবং কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

এ সময় চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াসিম আকরামের মৃত্যু গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনকে বেগবান করেছে এবং তার নাম ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক এরশাদ উল্লাহ। তিনি বলেন, স্বৈরাচার সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে ওয়াসিম নিহত হয়েছে।সে ছাত্রদলের নিবেদিতপ্রাণ নেতা ছিল। তার জানাজায় হাজার হাজার মানুষ অংশ নিয়েছে।তার প্রতি মানুষ শ্রদ্ধা জানিয়েছে।ওয়াসিমের মৃত্যু ছাত্র আন্দোলনে অসীম শক্তি জুগিয়েছে। ওয়াসিম আকরাম অধিকার আদায়ের সৈনিক হিসেবে প্রাণ দিয়েছে।তার জীবনের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষের মুক্তির আন্দোলন সফল হয়েছে।

সদস্যসচিব নাজিমুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার পতনের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে যারা মৃত্যুবরণ করেছে, তাদের পরিবারের খোঁজখবর রাখার দায়িত্ব হচ্ছে বিএনপির। কেননা তারা দেশের মানুষের জন্য এবং গণতন্ত্র রক্ষার জন্য আন্দোলনে নিহত হয়েছেন। যারা আন্দোলনে মৃত্যুবরণ করেছে তাদের শহীদী মৃত্যু হয়েছে। শহীদের রক্ত কোনো দিন বৃথা যায় না। তারা আন্দোলন করে, রক্ত দিয়ে জাতির ওপর থেকে যে বিশাল বোঝা, সেটা সরিয়ে দিয়েছে। শেখ হাসিনাকে আজ দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে হয়েছে।

অন্যান্য নেতাদের মাঝে মহানগর বিএনপি নেতা সৈয়দ আজম উদ্দিন, এসকে খোদা তোতন, হারুন জামান, নিয়াজ মোহাম্মদ খান, কাজী বেলাল উদ্দিন, আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, পাঁচলাইশ থানা বিএনপির সভাপতি মামুনুল ইসলাম হুমায়ুন, বিএনপি নেতা খোরশেদ আলম, জাফর আহমেদ, শফিকুল ইসলাম শাহীন, মহানগর ছাত্রদলের আহবায়ক সাইফুল আলম, সদস্যসচিব শরিফুল ইসলাম তুহিন, যুগ্ম আহবায়ক সালাউদ্দিন শাহেদ, আরিফুর রহমান মিঠু, শহিদুল ইসলাম সুমন, সদস্য আল মামুন সাদ্দাম, এনামুল হক এনাম, আব্বাস উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য গত ১৬ জুলাই বিকেল ৩টার দিকে মুরাদপুর এলাকায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের সংঘর্ষে গুলিতে নিহত হন ওয়াসিম আকরাম। তিনি চট্টগ্রাম কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র ও একই কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্বে ছিলেন। ওয়াসিম কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সৌদি প্রবাসী শফিউল আলমের ছেলে।

বিএনপি নেতৃবৃন্দ পরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দীন আহমেদের চকরিয়া বাসভবন সংলগ্ন পারিবারিক কবরস্থানে গিয়ে তার মা-বাবার কবর জিয়ারত করেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প

শহীদ ওয়াসিমের মৃত্যু গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনকে বেগবান করেছে: এরশাদ উল্লাহ

আপডেট সময় ১১:১৮:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৪

শুক্রবার (৩০ আগস্ট) চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ ও সদস্যসচিব নাজিমুর রহমানের নেতৃত্বে বিভিন্ন নেতাকর্মীদের নিয়ে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত ওয়াসিম আকরামের কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মেহেরনামা বাজার এর বাসভবনে যান। তারা ওয়াসিমের মায়ের সঙ্গে দেখা করেন এবং খোঁজ নেন। তাদের সমবেদনা জানিয়ে যেকোনো প্রয়োজনে তাদের পাশে থাকার কথা জানান। সেখানে তারা শহীদ ওয়াসিম আকরামের কবর জেয়ারত করেন এবং কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

এ সময় চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াসিম আকরামের মৃত্যু গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনকে বেগবান করেছে এবং তার নাম ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক এরশাদ উল্লাহ। তিনি বলেন, স্বৈরাচার সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে ওয়াসিম নিহত হয়েছে।সে ছাত্রদলের নিবেদিতপ্রাণ নেতা ছিল। তার জানাজায় হাজার হাজার মানুষ অংশ নিয়েছে।তার প্রতি মানুষ শ্রদ্ধা জানিয়েছে।ওয়াসিমের মৃত্যু ছাত্র আন্দোলনে অসীম শক্তি জুগিয়েছে। ওয়াসিম আকরাম অধিকার আদায়ের সৈনিক হিসেবে প্রাণ দিয়েছে।তার জীবনের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষের মুক্তির আন্দোলন সফল হয়েছে।

সদস্যসচিব নাজিমুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার পতনের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে যারা মৃত্যুবরণ করেছে, তাদের পরিবারের খোঁজখবর রাখার দায়িত্ব হচ্ছে বিএনপির। কেননা তারা দেশের মানুষের জন্য এবং গণতন্ত্র রক্ষার জন্য আন্দোলনে নিহত হয়েছেন। যারা আন্দোলনে মৃত্যুবরণ করেছে তাদের শহীদী মৃত্যু হয়েছে। শহীদের রক্ত কোনো দিন বৃথা যায় না। তারা আন্দোলন করে, রক্ত দিয়ে জাতির ওপর থেকে যে বিশাল বোঝা, সেটা সরিয়ে দিয়েছে। শেখ হাসিনাকে আজ দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে হয়েছে।

অন্যান্য নেতাদের মাঝে মহানগর বিএনপি নেতা সৈয়দ আজম উদ্দিন, এসকে খোদা তোতন, হারুন জামান, নিয়াজ মোহাম্মদ খান, কাজী বেলাল উদ্দিন, আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, পাঁচলাইশ থানা বিএনপির সভাপতি মামুনুল ইসলাম হুমায়ুন, বিএনপি নেতা খোরশেদ আলম, জাফর আহমেদ, শফিকুল ইসলাম শাহীন, মহানগর ছাত্রদলের আহবায়ক সাইফুল আলম, সদস্যসচিব শরিফুল ইসলাম তুহিন, যুগ্ম আহবায়ক সালাউদ্দিন শাহেদ, আরিফুর রহমান মিঠু, শহিদুল ইসলাম সুমন, সদস্য আল মামুন সাদ্দাম, এনামুল হক এনাম, আব্বাস উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য গত ১৬ জুলাই বিকেল ৩টার দিকে মুরাদপুর এলাকায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের সংঘর্ষে গুলিতে নিহত হন ওয়াসিম আকরাম। তিনি চট্টগ্রাম কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র ও একই কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্বে ছিলেন। ওয়াসিম কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সৌদি প্রবাসী শফিউল আলমের ছেলে।

বিএনপি নেতৃবৃন্দ পরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দীন আহমেদের চকরিয়া বাসভবন সংলগ্ন পারিবারিক কবরস্থানে গিয়ে তার মা-বাবার কবর জিয়ারত করেন।