ঢাকা ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাদারীপুরের রাজৈর এ অনুষ্ঠিতব্য এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা -২০২৬ এর পরীক্ষা শুরু ডিপ্লোমা পাস করার ৩ বছর পূর্বেই সহকারী কৃষি শিক্ষক নিয়োগ পেয়েছে আবুল কালাম আজাদ গণপূর্তের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সারোয়ার জাহানের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ বরিশালে কাস্টমস কর্মকর্তাকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ—ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলা, প্রত্যাহারে হুমকির দাবি এক মাসে দুইবার বাড়লো এলপিজির দাম, ১২ কেজি ১৯৪০ টাকা ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু সেই ভুয়া আজিজের সহযোগী ইউসুফ রিমান্ডে জ্বালানির সংকট নেই, অসাধু সিন্ডিকেটে পাম্পগুলোতে কৃত্রিম সংকট হচ্ছে তারাকান্দায় বিএনপির দুই গ্রুপের কর্মসূচি ঘিরে ১৪৪ ধারা জারি চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে হঠাৎ ছিটকে পড়ে বাসচাপায় ঠিকাদার নিহত

লক্ষ্মীপুরে মাদ্রসা ছাত্র শুভ হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে মাদ্রাসা ছাত্র কামরুল ইসলাম শুভকে (১৩) হত্যার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের দাবি জানিয়ে মানববন্ধন করা হয়েছে। সোমবার (৮ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে রামগঞ্জ পৌরসভার সামনে লক্ষ্মীপুর-হাজীগঞ্জ সড়কে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা এ মানববন্ধন করে।

এ সময় নিহত শুভর মা রেখা আক্তার, চাচা ব্যবসায়ী লিটন গাজী, বাহরাইন প্রবাসী জামাল হোসেন, হাবিবুর রহমান ও আনোয়ার হোসেনসহ শতাধিক নারী পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।

শুভ হত্যার বিচার চেয়ে তার মা রেখা আক্তার বলেন, শুভকে শিক্ষকরা মারধর করতো। তাদের মারধরেই আমার ছেলে মারা গেছে। হত্যাকারীরা জামিনে এসে এখন প্রকাশ্যে ঘুরছে। আমি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে হত্যার সঙ্গে জড়িতদের বিচার চাই।

শুভর চাচা লিটন গাজী বলেন, শুভকে এক বছর আগে হত্যা করা হয়েছে। এখনো আমরা বিচারের কোনো অগ্রগতি দেখছি না। উল্টো হত্যাকারীরা প্রকাশ্যে ঘুরছে। মামলা তুলে নিতে আমাদেরকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। আমরা হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই।

প্রসঙ্গত, নিহত শুভ রামগঞ্জ উপজেলার সাউধেরখীল গ্রামের দুবাই প্রবাসী কামাল হোসেনের ছেলে ও রামগঞ্জ মোহাম্মদিয়া এতিমখানা কমপ্লেক্সের হেফজ বিভাগের ছাত্র ছিলো। ২০২৩ সালের ১৮ জুন মোহাম্মদিয়া মাদ্রাসা থেকে মোবাইলে কল দিয়ে শুভ অসুস্থ বলে পরিবারকে জানানো হয়। মাদ্রাসা থেকে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করা হয়। পরে পরিবারের লোকজন হাসপাতালে এসে শুভকে মৃত দেখতে পায়। একইদিন রাতে শুভর মা রেখা বাদী হয়ে হত্যার অভিযোগে রামগঞ্জ থানায় দুই শিক্ষকের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ৩ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলায় এজাহারভুক্ত শিক্ষক শাফায়েত হোসেন ও মোস্তফা কামালকে গ্রেফতার করা হলেও পরে জামিন পায়। মামলাটি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) তদন্তে রয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদারীপুরের রাজৈর এ অনুষ্ঠিতব্য এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা -২০২৬ এর পরীক্ষা শুরু

লক্ষ্মীপুরে মাদ্রসা ছাত্র শুভ হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

আপডেট সময় ০৫:১৮:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুলাই ২০২৪

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে মাদ্রাসা ছাত্র কামরুল ইসলাম শুভকে (১৩) হত্যার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের দাবি জানিয়ে মানববন্ধন করা হয়েছে। সোমবার (৮ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে রামগঞ্জ পৌরসভার সামনে লক্ষ্মীপুর-হাজীগঞ্জ সড়কে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা এ মানববন্ধন করে।

এ সময় নিহত শুভর মা রেখা আক্তার, চাচা ব্যবসায়ী লিটন গাজী, বাহরাইন প্রবাসী জামাল হোসেন, হাবিবুর রহমান ও আনোয়ার হোসেনসহ শতাধিক নারী পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।

শুভ হত্যার বিচার চেয়ে তার মা রেখা আক্তার বলেন, শুভকে শিক্ষকরা মারধর করতো। তাদের মারধরেই আমার ছেলে মারা গেছে। হত্যাকারীরা জামিনে এসে এখন প্রকাশ্যে ঘুরছে। আমি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে হত্যার সঙ্গে জড়িতদের বিচার চাই।

শুভর চাচা লিটন গাজী বলেন, শুভকে এক বছর আগে হত্যা করা হয়েছে। এখনো আমরা বিচারের কোনো অগ্রগতি দেখছি না। উল্টো হত্যাকারীরা প্রকাশ্যে ঘুরছে। মামলা তুলে নিতে আমাদেরকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। আমরা হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই।

প্রসঙ্গত, নিহত শুভ রামগঞ্জ উপজেলার সাউধেরখীল গ্রামের দুবাই প্রবাসী কামাল হোসেনের ছেলে ও রামগঞ্জ মোহাম্মদিয়া এতিমখানা কমপ্লেক্সের হেফজ বিভাগের ছাত্র ছিলো। ২০২৩ সালের ১৮ জুন মোহাম্মদিয়া মাদ্রাসা থেকে মোবাইলে কল দিয়ে শুভ অসুস্থ বলে পরিবারকে জানানো হয়। মাদ্রাসা থেকে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করা হয়। পরে পরিবারের লোকজন হাসপাতালে এসে শুভকে মৃত দেখতে পায়। একইদিন রাতে শুভর মা রেখা বাদী হয়ে হত্যার অভিযোগে রামগঞ্জ থানায় দুই শিক্ষকের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ৩ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলায় এজাহারভুক্ত শিক্ষক শাফায়েত হোসেন ও মোস্তফা কামালকে গ্রেফতার করা হলেও পরে জামিন পায়। মামলাটি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) তদন্তে রয়েছে।