ঢাকা ১২:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা আরও বাড়ানো হবে: প্রধানমন্ত্রী নারায়ণগঞ্জের সম্প্রীতির ঐতিহ্য বজায় রাখতে হবে: ড. মঈন খান সওজের প্রকৌশলী শাহনুর রশিদকে ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগ রাজপথে নতুন নাটক শুরু করেছে বিরোধী দল: রিজভী পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমির দ্বন্দ্বে যুবদল নেতা খুন: পুলিশ সুপার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাবেক পিআইও ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা ময়লার বিল থেকে বছরে ৩১৭ কোটি টাকা আদায়, সিটি করপোরেশন পায় ১২ কোটি-বাকি টাকা যায় কোথায়? সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড আমাদের জন্য বড় শিক্ষা: শামা ওবায়েদ কালিয়াকৈরে ইবনে সিনার কারখানায় আগুন, ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের ৬ ইউনিট গুলশানের ‘জার্মান ক্লাবে’ অভিযানে ২৪৪ লিটার মদ-বিয়ার জব্দ

লক্ষ্মীপুরে মাদ্রসা ছাত্র শুভ হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে মাদ্রাসা ছাত্র কামরুল ইসলাম শুভকে (১৩) হত্যার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের দাবি জানিয়ে মানববন্ধন করা হয়েছে। সোমবার (৮ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে রামগঞ্জ পৌরসভার সামনে লক্ষ্মীপুর-হাজীগঞ্জ সড়কে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা এ মানববন্ধন করে।

এ সময় নিহত শুভর মা রেখা আক্তার, চাচা ব্যবসায়ী লিটন গাজী, বাহরাইন প্রবাসী জামাল হোসেন, হাবিবুর রহমান ও আনোয়ার হোসেনসহ শতাধিক নারী পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।

শুভ হত্যার বিচার চেয়ে তার মা রেখা আক্তার বলেন, শুভকে শিক্ষকরা মারধর করতো। তাদের মারধরেই আমার ছেলে মারা গেছে। হত্যাকারীরা জামিনে এসে এখন প্রকাশ্যে ঘুরছে। আমি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে হত্যার সঙ্গে জড়িতদের বিচার চাই।

শুভর চাচা লিটন গাজী বলেন, শুভকে এক বছর আগে হত্যা করা হয়েছে। এখনো আমরা বিচারের কোনো অগ্রগতি দেখছি না। উল্টো হত্যাকারীরা প্রকাশ্যে ঘুরছে। মামলা তুলে নিতে আমাদেরকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। আমরা হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই।

প্রসঙ্গত, নিহত শুভ রামগঞ্জ উপজেলার সাউধেরখীল গ্রামের দুবাই প্রবাসী কামাল হোসেনের ছেলে ও রামগঞ্জ মোহাম্মদিয়া এতিমখানা কমপ্লেক্সের হেফজ বিভাগের ছাত্র ছিলো। ২০২৩ সালের ১৮ জুন মোহাম্মদিয়া মাদ্রাসা থেকে মোবাইলে কল দিয়ে শুভ অসুস্থ বলে পরিবারকে জানানো হয়। মাদ্রাসা থেকে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করা হয়। পরে পরিবারের লোকজন হাসপাতালে এসে শুভকে মৃত দেখতে পায়। একইদিন রাতে শুভর মা রেখা বাদী হয়ে হত্যার অভিযোগে রামগঞ্জ থানায় দুই শিক্ষকের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ৩ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলায় এজাহারভুক্ত শিক্ষক শাফায়েত হোসেন ও মোস্তফা কামালকে গ্রেফতার করা হলেও পরে জামিন পায়। মামলাটি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) তদন্তে রয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা আরও বাড়ানো হবে: প্রধানমন্ত্রী

লক্ষ্মীপুরে মাদ্রসা ছাত্র শুভ হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

আপডেট সময় ০৫:১৮:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুলাই ২০২৪

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে মাদ্রাসা ছাত্র কামরুল ইসলাম শুভকে (১৩) হত্যার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের দাবি জানিয়ে মানববন্ধন করা হয়েছে। সোমবার (৮ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে রামগঞ্জ পৌরসভার সামনে লক্ষ্মীপুর-হাজীগঞ্জ সড়কে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা এ মানববন্ধন করে।

এ সময় নিহত শুভর মা রেখা আক্তার, চাচা ব্যবসায়ী লিটন গাজী, বাহরাইন প্রবাসী জামাল হোসেন, হাবিবুর রহমান ও আনোয়ার হোসেনসহ শতাধিক নারী পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।

শুভ হত্যার বিচার চেয়ে তার মা রেখা আক্তার বলেন, শুভকে শিক্ষকরা মারধর করতো। তাদের মারধরেই আমার ছেলে মারা গেছে। হত্যাকারীরা জামিনে এসে এখন প্রকাশ্যে ঘুরছে। আমি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে হত্যার সঙ্গে জড়িতদের বিচার চাই।

শুভর চাচা লিটন গাজী বলেন, শুভকে এক বছর আগে হত্যা করা হয়েছে। এখনো আমরা বিচারের কোনো অগ্রগতি দেখছি না। উল্টো হত্যাকারীরা প্রকাশ্যে ঘুরছে। মামলা তুলে নিতে আমাদেরকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। আমরা হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই।

প্রসঙ্গত, নিহত শুভ রামগঞ্জ উপজেলার সাউধেরখীল গ্রামের দুবাই প্রবাসী কামাল হোসেনের ছেলে ও রামগঞ্জ মোহাম্মদিয়া এতিমখানা কমপ্লেক্সের হেফজ বিভাগের ছাত্র ছিলো। ২০২৩ সালের ১৮ জুন মোহাম্মদিয়া মাদ্রাসা থেকে মোবাইলে কল দিয়ে শুভ অসুস্থ বলে পরিবারকে জানানো হয়। মাদ্রাসা থেকে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করা হয়। পরে পরিবারের লোকজন হাসপাতালে এসে শুভকে মৃত দেখতে পায়। একইদিন রাতে শুভর মা রেখা বাদী হয়ে হত্যার অভিযোগে রামগঞ্জ থানায় দুই শিক্ষকের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ৩ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলায় এজাহারভুক্ত শিক্ষক শাফায়েত হোসেন ও মোস্তফা কামালকে গ্রেফতার করা হলেও পরে জামিন পায়। মামলাটি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) তদন্তে রয়েছে।