ঢাকা ০৩:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হাজার কোটি টাকার ‘সুফল’ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, বন অধিদপ্তরে দুদকের চিঠি শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী বরগুনার তালতলীতে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাঝে সেলাই মেশিন, শিক্ষাবৃত্তি ও বাইসাইকেল বিতরণ ভারতীয় ট্রাকচালক অপহরণ ও ছিনতাই মামলা লালমনিরহাটে ৩ জনের যাবজ্জীবন বাঞ্ছারামপুরে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক সেবা মাস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত আলিম পরীক্ষায় নকল: শিক্ষক কারাদণ্ড, ৫ শিক্ষার্থী বহিষ্কার ৫ আগ্নেয়াস্ত্রসহ রাজবাড়ীতে ৫ অস্ত্রধারী গ্রেফতার: র‌্যাব-১০ এর সফল অভিযান পীরগঞ্জে পুকুর থেকে বস্তাবন্দী না’রীর গ’লি’ত ম’র’দে’হ উদ্ধার নারী পাচারের অভিযোগে দুদকের নজরদারিতে ৫৭ রিক্রুটিং এজেন্সি নরসিংদী শিক্ষা প্রকৌশলী রাসেল আহমেদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

‘তিস্তা চুক্তির বিষয়ে মমতাকে ‘হ্যাঁ’ বলাতে হবে’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, তিস্তার পানি চুক্তির বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সরকারকে সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

তিনি বলেন, মমতাকে রাজি করাতে হবে। তিনি এতদিন না বলে আসছেন। তাকে ‘হ্যাঁ’ বলাতে হবে। না হলে ভারতের সংবিধান এটি অ্যালাও করে না। তাদের রাজ্যকে বাদ দিয়ে ভারত সরকারের এই চুক্তি করার সুযোগ নেই।

সোমবার বিকালে তেজগাঁও জেলা আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে আওয়ামী লীগের ৭৫তম (প্লাটিনাম জয়ন্তী) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এর আয়োজন করে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ।

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, যেসব সমস্যা সমাধান হয়নি, ভারতের নতুন সরকার তা সমাধানের জন্য চেষ্টা করছে। আলোচনা ইতিবাচক হয়েছে।

তিনি বলেন, তিস্তার পানি নিয়ে সবাই বলে, চুক্তি কেন হলো না। ভারত একটা ফেডারেল রাষ্ট্র। সেখানে কেন্দ্রীয় সরকার ইচ্ছা করলে কোনো রাজ্য সরকারের অধীনের পানি অন্য দেশকে দিতে পারে না। এটা ভারতের সংবিধানে লেখা আছে। এর আগে যখন গঙ্গার পানি দিল, তখনকার পশ্চিমবঙ্গের জ্যোতি বসু সরকার ছিল। তারা রাজি ছিল বলেই আমরা পেয়েছি।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, তিস্তার পানির জন্য মূল সমস্যা হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের মমতা ব্যানার্জির সরকার। যখন শেখ হাসিনার সঙ্গে আলোচনা চলছিল, তখনই গর্জে উঠেছিলেন মমতা। বলেছিলেন, এই পানি আমরা দেব না। কোনোদিনও বাংলাদেশকে পানি দেব না, এটা আমরা দিতে পারি না। এখানে একটা সমস্যা।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম আতিক, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান প্রমুখ। আলোচনা সভা পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক এসএম মান্নান কচি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাজার কোটি টাকার ‘সুফল’ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, বন অধিদপ্তরে দুদকের চিঠি

‘তিস্তা চুক্তির বিষয়ে মমতাকে ‘হ্যাঁ’ বলাতে হবে’

আপডেট সময় ১১:০০:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুলাই ২০২৪

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, তিস্তার পানি চুক্তির বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সরকারকে সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

তিনি বলেন, মমতাকে রাজি করাতে হবে। তিনি এতদিন না বলে আসছেন। তাকে ‘হ্যাঁ’ বলাতে হবে। না হলে ভারতের সংবিধান এটি অ্যালাও করে না। তাদের রাজ্যকে বাদ দিয়ে ভারত সরকারের এই চুক্তি করার সুযোগ নেই।

সোমবার বিকালে তেজগাঁও জেলা আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে আওয়ামী লীগের ৭৫তম (প্লাটিনাম জয়ন্তী) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এর আয়োজন করে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ।

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, যেসব সমস্যা সমাধান হয়নি, ভারতের নতুন সরকার তা সমাধানের জন্য চেষ্টা করছে। আলোচনা ইতিবাচক হয়েছে।

তিনি বলেন, তিস্তার পানি নিয়ে সবাই বলে, চুক্তি কেন হলো না। ভারত একটা ফেডারেল রাষ্ট্র। সেখানে কেন্দ্রীয় সরকার ইচ্ছা করলে কোনো রাজ্য সরকারের অধীনের পানি অন্য দেশকে দিতে পারে না। এটা ভারতের সংবিধানে লেখা আছে। এর আগে যখন গঙ্গার পানি দিল, তখনকার পশ্চিমবঙ্গের জ্যোতি বসু সরকার ছিল। তারা রাজি ছিল বলেই আমরা পেয়েছি।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, তিস্তার পানির জন্য মূল সমস্যা হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের মমতা ব্যানার্জির সরকার। যখন শেখ হাসিনার সঙ্গে আলোচনা চলছিল, তখনই গর্জে উঠেছিলেন মমতা। বলেছিলেন, এই পানি আমরা দেব না। কোনোদিনও বাংলাদেশকে পানি দেব না, এটা আমরা দিতে পারি না। এখানে একটা সমস্যা।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম আতিক, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান প্রমুখ। আলোচনা সভা পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক এসএম মান্নান কচি।