ঢাকা ১২:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কাস্টমস কর্মকর্তা কাজী সুলতানা দম্পতির ‘সম্পদের পাহাড়’, উঠছে দুর্নীতির অভিযোগ কাস্টমসের সহকারী কমিশনার আতীকুজ্জামানের নামে-বেনামে ৫০ কোটি টাকার সম্পদ মাদারীপুর বিআরটিএর সামসুদ্দীনের বিরুদ্ধে ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগ রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় ৪৮৫ গ্রেপ্তার, মামলা ৫০ স্টার্ক-আফ্রিদিকে ছাড়িয়ে নতুন কীর্তি রশিদ খানের বরগুনার উন্নয়নই আমাদের অঙ্গীকার: চীফ হুইপ নুরুল ইসলাম মণি ড্যাবের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী বিএনপির নারী এমপিকে আসিফ মাহমুদের আইনি নোটিশ র‍্যাবের নাম বদলে আসছে এসআরবি অফিস টাইমে ক্লিনিকে রোগী দেখছিলেন সরকারি চিকিৎসক, লাইসেন্স বাতিল ও বরখাস্তের নির্দেশ

দ্বাদশ সংসদে ৬২ জন স্বতন্ত্র সংসদ সদসের সঙ্গে বসছেন প্রধানমন্ত্রী

দ্বাদশ সংসদে ৬২ জন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, যার মধ্যে ৫৯ জনই আওয়ামী লীগের। তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী রোববার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে তাদেরকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

আওয়ামী লীগের সূত্র জানায়, সংসদে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য, বিশেষ করে দলীয় নেতা যারা স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তাদের ভূমিকা কী হবে সেটি নিয়ে আলোচনা হবে। সেই সঙ্গে স্বতন্ত্রদের পাওয়া আসনের বিপরীতে সংরক্ষিত নারী আসনের বণ্টন কীভাবে বা কাদের দেওয়া হবে—এসব বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী দিকনির্দেশনা দিতে পারেন।

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ২২৩টি আসনে জয়লাভ করে সরকার গঠন করেছে আওয়ামী লীগ। তাদের পর সবচেয়ে বেশি ৬২টি আসনে জয় পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। আর একাদশ সংসদের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টি পেয়েছে ১১টি আসন। ফলে এবার প্রধান বিরোধী দল কারা হবে, তা নিয়ে অস্পষ্টতা তৈরি হয়েছে। অবশ্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ইতিমধ্যে বলেছেন, জাতীয় পার্টিই বিরোধী দলের আসনে বসতে যাচ্ছে।

জানা গেছে, বিরোধী শিবিরে প্রথম আসনটি বরাদ্দ রাখা হয়েছে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের জন্য। তার পরের ‍দুটি আসন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে দলটির নেতা আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও মুজিবুল হক চুন্নুর জন্য। তারা যথাক্রমে বিরোধী দলীয় নেতা, উপনেতা ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ হচ্ছেন।

জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টন করা হয় সংখ্যানুপাতিক হারে। ৬২ জন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য সবাই মিলে যদি স্বতন্ত্র জোট করে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেন, তাহলে তারা মোট ১০টি সংরক্ষিত আসন পাবেন। আবার ছয়জন মিলে জোট করে একটি করে আসনও তারা নিতে পারেন বা সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী কোনো দলের সঙ্গেও জোট করতে পারেন।

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, সংরক্ষিত নারী আসনের বিষয়ে অবস্থান জানতে চেয়ে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের ইতিমধ্যে চিঠি দেওয়া হয়েছে। আইন অনুযায়ী, সাধারণ নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশিত হওয়ার ২১ কার্যদিবসের (৬ ফেব্রুয়ারি) মধ্যে জোট গঠনের বিষয়টি জানাতে হবে। এ সময়ের মধ্যে কোনো স্বতন্ত্র সদস্য কোনো জোটে না গেলে তাদের নিয়ে আলাদা স্বতন্ত্র জোট গঠন করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা অনেকে নিজেদের মধ্যে আলাপ–আলোচনা করছেন। নানা ধরনের তদবিরও চলছে। তবে আগামী রোববারের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে কোনো নির্দেশনা আসে কি না, তা দেখার অপেক্ষায় আছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কাস্টমস কর্মকর্তা কাজী সুলতানা দম্পতির ‘সম্পদের পাহাড়’, উঠছে দুর্নীতির অভিযোগ

দ্বাদশ সংসদে ৬২ জন স্বতন্ত্র সংসদ সদসের সঙ্গে বসছেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০২:২৪:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৪

দ্বাদশ সংসদে ৬২ জন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, যার মধ্যে ৫৯ জনই আওয়ামী লীগের। তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী রোববার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে তাদেরকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

আওয়ামী লীগের সূত্র জানায়, সংসদে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য, বিশেষ করে দলীয় নেতা যারা স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তাদের ভূমিকা কী হবে সেটি নিয়ে আলোচনা হবে। সেই সঙ্গে স্বতন্ত্রদের পাওয়া আসনের বিপরীতে সংরক্ষিত নারী আসনের বণ্টন কীভাবে বা কাদের দেওয়া হবে—এসব বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী দিকনির্দেশনা দিতে পারেন।

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ২২৩টি আসনে জয়লাভ করে সরকার গঠন করেছে আওয়ামী লীগ। তাদের পর সবচেয়ে বেশি ৬২টি আসনে জয় পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। আর একাদশ সংসদের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টি পেয়েছে ১১টি আসন। ফলে এবার প্রধান বিরোধী দল কারা হবে, তা নিয়ে অস্পষ্টতা তৈরি হয়েছে। অবশ্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ইতিমধ্যে বলেছেন, জাতীয় পার্টিই বিরোধী দলের আসনে বসতে যাচ্ছে।

জানা গেছে, বিরোধী শিবিরে প্রথম আসনটি বরাদ্দ রাখা হয়েছে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের জন্য। তার পরের ‍দুটি আসন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে দলটির নেতা আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও মুজিবুল হক চুন্নুর জন্য। তারা যথাক্রমে বিরোধী দলীয় নেতা, উপনেতা ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ হচ্ছেন।

জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টন করা হয় সংখ্যানুপাতিক হারে। ৬২ জন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য সবাই মিলে যদি স্বতন্ত্র জোট করে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেন, তাহলে তারা মোট ১০টি সংরক্ষিত আসন পাবেন। আবার ছয়জন মিলে জোট করে একটি করে আসনও তারা নিতে পারেন বা সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী কোনো দলের সঙ্গেও জোট করতে পারেন।

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, সংরক্ষিত নারী আসনের বিষয়ে অবস্থান জানতে চেয়ে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের ইতিমধ্যে চিঠি দেওয়া হয়েছে। আইন অনুযায়ী, সাধারণ নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশিত হওয়ার ২১ কার্যদিবসের (৬ ফেব্রুয়ারি) মধ্যে জোট গঠনের বিষয়টি জানাতে হবে। এ সময়ের মধ্যে কোনো স্বতন্ত্র সদস্য কোনো জোটে না গেলে তাদের নিয়ে আলাদা স্বতন্ত্র জোট গঠন করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা অনেকে নিজেদের মধ্যে আলাপ–আলোচনা করছেন। নানা ধরনের তদবিরও চলছে। তবে আগামী রোববারের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে কোনো নির্দেশনা আসে কি না, তা দেখার অপেক্ষায় আছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা।