ঢাকা ০৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আইসিটি আইনে সাজা দেওয়ার হুমকির অভিযোগ ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পবিপ্রবির বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন ভিসি, প্রো-ভিসি ও ট্রেজারার অভিবাসন ব্যয় কমা‌তে কাজ কর‌ছে সরকার : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ঢাকার পার্শ্ববর্তী জেলাগুলো দ্রুতগতির রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আসবে: রেলমন্ত্রী জুলাই শহীদদের স্বপ্নের দেশ গড়তে প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ‘১০০ হর্ন’ লাগানো বাইকারের মোটরসাইকেল জব্দ করল পুলিশ এ বছর নাও হতে পারে বিপিএল : তামিম থামেনি স্বপ্ন, ৪৫ বছর বয়সে এসএসসি পাস করলেন কাঠমিস্ত্রি নাসিমুল ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ৭ কর্মকর্তাকে বদলি কুমিল্লা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১২৪ কেজি গাঁ’জা ও ১০০ পিস ইয়াবা জব্দ, আটক ১

আসন পেলেন না জাতীয় পার্টির যেসব হেভিওয়েট প্রার্থী 

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আসন সমঝোতায় ২৬টি আসনে ছাড় পেয়েছে জাতীয় পার্টি (জাপা)। সমঝোতা অনুযায়ী এসব আসনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের কোনো প্রার্থী থাকবে না। তবে এসব আসনে আওয়ামী লীগের যারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, তারা ভোটের মাঠে থাকবেন বলে জানা গেছে।

এদিকে ছাড় পাওয়া এই ২৬ আসনে নাম নেই জাতীয় পার্টির অন্তত তিনজন হেভিওয়েট প্রার্থীর। তারা হলেন- দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঢাকা-৬ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ, দলের কো-চেয়ারম্যান ও জাতীয় মহিলা পার্টির সভাপতি সালমা ইসলাম; দলের কো-চেয়ারম্যান ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জাতীয় পার্টির সভাপতি সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা

এর আগে গত কয়েকদিন ধরে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আসন নিয়ে দফায় দফায় আলোচনা হয়। সবশেষ শনিবার এ বিষয়ে এ অগ্রগতি হয়। তবে জাপা আরও বেশি আসন দাবি করেছে। ফলে এ আলোচনা অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে।

তবে ঢাকার কোনো আসন জাপাকে দিতে রাজি নয় ক্ষমতাসীনরা। টানা তিন মেয়াদে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক মিত্র জাপার এবারের দাবি ছিল ৫০ আসন। ৩৫-এর কম আসনে সমঝোতায় রাজি নয়—এমন মনোভাবও জানিয়েছিল দলটি।

আসন পেলেন না জাতীয় পার্টির যেসব হেভিওয়েট প্রার্থী
জাতীয় পার্টির কারণে নৌকা হারালেন আ.লীগের যে ২৫ প্রার্থী
উভয় দলের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাড়তি আসন ছাড় দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হবে বলে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে জানানো হয়; কিন্তু এতেও স্বস্তিতে নেই জাপা। দলটির অনেক হেভিওয়েট নেতার কপালে পড়েছে চিন্তার ভাঁজ। কারণ, আওয়ামী লীগের সঙ্গে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয় নিশ্চিত করা কঠিন। ফলে আসন নিয়ে আলোচনা আরও দীর্ঘ হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন জাপার মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু।

তিনি কালবেলাকে বলেন, আসনসহ নানা বিষয়ে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আলোচনা চলছে। নির্বাচনের আগের দিন পর্যন্ত আলোচনা হতে পারে।

১৯৯৬ সালে জাপাকে নিয়ে ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ। এরপর ২০০৮ থেকে সর্বশেষ ২০১৮ সালের নির্বাচন পর্যন্ত আসন ভাগাভাগি হয়েছে দুই দলের মধ্যে। এবার জাপা পৃথক নির্বাচন করার ঘোষণা দিলেও শেষ পর্যন্ত উভয়পক্ষই আসন বণ্টন করতে সম্মত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় চলছে আলোচনা।

জাপার একাংশ রওশনপন্থিরা এবার নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছে। এ অংশে রওশন এরশাদ, সাদ এরশাদ, মশিউর রহমান রাঙ্গা, রুস্তম আলী ফরাজীসহ বর্তমান চারজন এমপি রয়েছেন। রওশনের পক্ষ থেকে জিএম কাদেরের কাছে দাবি ছিল, তার অনুসারী অন্তত ৬০ জনের মনোনয়ন নিশ্চিত করা। এ ছাড়া বহিষ্কৃতদের আবারও দলে ফিরিয়ে নেওয়া।

রওশন, সাদ ও রাঙ্গা ছাড়া জিএম কাদেরপন্থিরা আর কাউকে মনোনয়ন দিতে রাজি নয়। এ কারণে কাদেরপন্থিদের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ এনে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন বিরোধী দলের এ নেতা। সর্বশেষ তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে কাদেরের বিরুদ্ধে নালিশ জানিয়ে তার সঙ্গে কোনো জোট না করারও আবদার করেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আইসিটি আইনে সাজা দেওয়ার হুমকির অভিযোগ ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

আসন পেলেন না জাতীয় পার্টির যেসব হেভিওয়েট প্রার্থী 

আপডেট সময় ০১:০৭:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৩

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আসন সমঝোতায় ২৬টি আসনে ছাড় পেয়েছে জাতীয় পার্টি (জাপা)। সমঝোতা অনুযায়ী এসব আসনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের কোনো প্রার্থী থাকবে না। তবে এসব আসনে আওয়ামী লীগের যারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, তারা ভোটের মাঠে থাকবেন বলে জানা গেছে।

এদিকে ছাড় পাওয়া এই ২৬ আসনে নাম নেই জাতীয় পার্টির অন্তত তিনজন হেভিওয়েট প্রার্থীর। তারা হলেন- দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঢাকা-৬ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ, দলের কো-চেয়ারম্যান ও জাতীয় মহিলা পার্টির সভাপতি সালমা ইসলাম; দলের কো-চেয়ারম্যান ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জাতীয় পার্টির সভাপতি সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা

এর আগে গত কয়েকদিন ধরে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আসন নিয়ে দফায় দফায় আলোচনা হয়। সবশেষ শনিবার এ বিষয়ে এ অগ্রগতি হয়। তবে জাপা আরও বেশি আসন দাবি করেছে। ফলে এ আলোচনা অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে।

তবে ঢাকার কোনো আসন জাপাকে দিতে রাজি নয় ক্ষমতাসীনরা। টানা তিন মেয়াদে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক মিত্র জাপার এবারের দাবি ছিল ৫০ আসন। ৩৫-এর কম আসনে সমঝোতায় রাজি নয়—এমন মনোভাবও জানিয়েছিল দলটি।

আসন পেলেন না জাতীয় পার্টির যেসব হেভিওয়েট প্রার্থী
জাতীয় পার্টির কারণে নৌকা হারালেন আ.লীগের যে ২৫ প্রার্থী
উভয় দলের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাড়তি আসন ছাড় দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হবে বলে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে জানানো হয়; কিন্তু এতেও স্বস্তিতে নেই জাপা। দলটির অনেক হেভিওয়েট নেতার কপালে পড়েছে চিন্তার ভাঁজ। কারণ, আওয়ামী লীগের সঙ্গে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয় নিশ্চিত করা কঠিন। ফলে আসন নিয়ে আলোচনা আরও দীর্ঘ হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন জাপার মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু।

তিনি কালবেলাকে বলেন, আসনসহ নানা বিষয়ে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আলোচনা চলছে। নির্বাচনের আগের দিন পর্যন্ত আলোচনা হতে পারে।

১৯৯৬ সালে জাপাকে নিয়ে ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ। এরপর ২০০৮ থেকে সর্বশেষ ২০১৮ সালের নির্বাচন পর্যন্ত আসন ভাগাভাগি হয়েছে দুই দলের মধ্যে। এবার জাপা পৃথক নির্বাচন করার ঘোষণা দিলেও শেষ পর্যন্ত উভয়পক্ষই আসন বণ্টন করতে সম্মত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় চলছে আলোচনা।

জাপার একাংশ রওশনপন্থিরা এবার নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছে। এ অংশে রওশন এরশাদ, সাদ এরশাদ, মশিউর রহমান রাঙ্গা, রুস্তম আলী ফরাজীসহ বর্তমান চারজন এমপি রয়েছেন। রওশনের পক্ষ থেকে জিএম কাদেরের কাছে দাবি ছিল, তার অনুসারী অন্তত ৬০ জনের মনোনয়ন নিশ্চিত করা। এ ছাড়া বহিষ্কৃতদের আবারও দলে ফিরিয়ে নেওয়া।

রওশন, সাদ ও রাঙ্গা ছাড়া জিএম কাদেরপন্থিরা আর কাউকে মনোনয়ন দিতে রাজি নয়। এ কারণে কাদেরপন্থিদের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ এনে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন বিরোধী দলের এ নেতা। সর্বশেষ তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে কাদেরের বিরুদ্ধে নালিশ জানিয়ে তার সঙ্গে কোনো জোট না করারও আবদার করেন।