ঢাকা ০১:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারত থেকে এলো ৭৪৩ টন পেঁয়াজ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে একদিনে ৭৪৩ টন পেঁয়াজ এসেছে। শনিবার (৯ ডিসেম্বর) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ২৭ ট্রাকে এসব পেঁয়াজ বাংলাদেশে প্রবেশ করে। তবে ভারত রপ্তানি বন্ধ ঘোষণার পরও কীভাবে পেঁয়াজ এলো- এ প্রশ্নের জবাবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বন্ধ ঘোষণার আগে যে পেঁয়াজগুলোর এলসি করা ছিল, সেগুলো এখন আসছে।

সোনামসজিদ পোর্ট লিংক লিমিটেডের পোর্ট ম্যানেজার মাঈনুল ইসলাম বলেন, শনিবার থেকে ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করেছে। তবে এর আগে যে পেঁয়াজগুলোর এলসি করা ছিল, সেগুলো এখন পর্যায়ক্রমে স্থলবন্দরে প্রবেশ করছে। আর কত দিন এভাবে পেঁয়াজ আসবে তা আমি নিশ্চিত নই। কারণ ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে। নতুন করে আর এলসি পাওয়া যাবে না।

ভারতের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে ৭ ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়। এরপরই বাংলাদেশে এক লাফে দ্বিগুণ দামে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করেন ব্যবসায়ীরা। বাজার নিয়ন্ত্রণে শনিবার থেকে অভিযান শুরু করে প্রশাসন। বেশি দাম রাখা ব্যবসায়ীদের কারাদণ্ড ও জরিমানা করা হয়।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারত থেকে এলো ৭৪৩ টন পেঁয়াজ

আপডেট সময় ১২:৪৮:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৩

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে একদিনে ৭৪৩ টন পেঁয়াজ এসেছে। শনিবার (৯ ডিসেম্বর) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ২৭ ট্রাকে এসব পেঁয়াজ বাংলাদেশে প্রবেশ করে। তবে ভারত রপ্তানি বন্ধ ঘোষণার পরও কীভাবে পেঁয়াজ এলো- এ প্রশ্নের জবাবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বন্ধ ঘোষণার আগে যে পেঁয়াজগুলোর এলসি করা ছিল, সেগুলো এখন আসছে।

সোনামসজিদ পোর্ট লিংক লিমিটেডের পোর্ট ম্যানেজার মাঈনুল ইসলাম বলেন, শনিবার থেকে ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করেছে। তবে এর আগে যে পেঁয়াজগুলোর এলসি করা ছিল, সেগুলো এখন পর্যায়ক্রমে স্থলবন্দরে প্রবেশ করছে। আর কত দিন এভাবে পেঁয়াজ আসবে তা আমি নিশ্চিত নই। কারণ ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে। নতুন করে আর এলসি পাওয়া যাবে না।

ভারতের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে ৭ ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়। এরপরই বাংলাদেশে এক লাফে দ্বিগুণ দামে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করেন ব্যবসায়ীরা। বাজার নিয়ন্ত্রণে শনিবার থেকে অভিযান শুরু করে প্রশাসন। বেশি দাম রাখা ব্যবসায়ীদের কারাদণ্ড ও জরিমানা করা হয়।