ঢাকা ১০:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৭ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ফখরুলের মুক্তির দাবিতে ১০১ প্রফেসরের বিবৃতি

ঢাকা: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে গ্রেপ্তার করায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সোনালী দলের ১০১ জন প্রফেসর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

তারা বিএনপি মহাসচিবকে অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছেন।

রোববার (২৯ অক্টোবর) রাতে সোনালী দলের সভাপতি প্রফেসর গোলাম হাফিজ কেনেডি ও সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মো. আবুল কালাম আজাদ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে দাবি জানানো হয়।

বিবৃতিতে তারা বলেন, দীর্ঘদিন যাবত বিএনপির সুযোগ্য মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সাধারণ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অহিংস আন্দোলন চালিয়ে আসছেন। তারই ধারাবাহিকতায়, সারা দেশ হতে দলের লাখ লাখ নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ সরকারের বিভিন্ন পেটোয়া বাহিনীর রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে গত ২৮ অক্টোবর ঢাকার বিএনপির মহাসমাবেশে নেয়। সমাবেশে জাতীয় নেতারা বক্তব্য চলাকালীন কিছুসংখ্যক অতি উৎসাহী পুলিশ বিনা উসকানিতে উপস্থিত জনতার ওপর নির্বিচারে গুলি, টিয়ারশেল, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুঁড়ে। এতে অনেক হতাহতের ঘটনা ঘটে।

বিবৃতিতে তারা আরো বলেন, জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের সংগ্রাম যখন বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে ঠিক তখনি সরকার এই আন্দোলনকে দমন করার জন্য দেশের পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করেছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফখরুলের মুক্তির দাবিতে ১০১ প্রফেসরের বিবৃতি

আপডেট সময় ১০:১৫:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৩

ঢাকা: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে গ্রেপ্তার করায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সোনালী দলের ১০১ জন প্রফেসর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

তারা বিএনপি মহাসচিবকে অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছেন।

রোববার (২৯ অক্টোবর) রাতে সোনালী দলের সভাপতি প্রফেসর গোলাম হাফিজ কেনেডি ও সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মো. আবুল কালাম আজাদ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে দাবি জানানো হয়।

বিবৃতিতে তারা বলেন, দীর্ঘদিন যাবত বিএনপির সুযোগ্য মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সাধারণ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অহিংস আন্দোলন চালিয়ে আসছেন। তারই ধারাবাহিকতায়, সারা দেশ হতে দলের লাখ লাখ নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ সরকারের বিভিন্ন পেটোয়া বাহিনীর রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে গত ২৮ অক্টোবর ঢাকার বিএনপির মহাসমাবেশে নেয়। সমাবেশে জাতীয় নেতারা বক্তব্য চলাকালীন কিছুসংখ্যক অতি উৎসাহী পুলিশ বিনা উসকানিতে উপস্থিত জনতার ওপর নির্বিচারে গুলি, টিয়ারশেল, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুঁড়ে। এতে অনেক হতাহতের ঘটনা ঘটে।

বিবৃতিতে তারা আরো বলেন, জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের সংগ্রাম যখন বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে ঠিক তখনি সরকার এই আন্দোলনকে দমন করার জন্য দেশের পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করেছে।