ঢাকা ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের পাইলট প্রকল্প শুরুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দেশে পোস্টগ্র্যাজুয়েট বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী তেজগাঁও থানায় আকস্মিক পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ নিউজ নেটওয়ার্ক নীলফামারীর আহ্বায়ক কমিটি গঠন অল্প সময়ে জনগণের সব প্রত্যাশা পূরণ করা সম্ভব নয় : পানিসম্পদমন্ত্রী জাজিরায় স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা মঠবাড়িয়ায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কীর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিলেন তাকওয়া ফাউন্ডেশন মৌলভীবাজারের বড়লেখায় প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার রাজনীতি নিষিদ্ধ ববিতে জাতীয়তাবাদী কর্মচারী পরিষদের কাউন্সিল, পূর্ণাঙ্গ কমিটির আত্মপ্রকাশ   পোষা বিড়ালের আঁচড়ের পর থেকে ‘মিউ মিউ’ করছে শিশু আদ্রিতা

ঘর দেওয়ার কথা বলে ভূমিহীন নারীকে কুপ্রস্তাব, মেইকার সুজনকে জুতাপেটা

এক ভূমিহীন নারীকে আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে কুপ্রস্তাব দেওয়ায় মোবাইল মেইকার সুজন মিয়া ওরফে সুজন উল্লাকে জুতাপেটা করেছেন ওই নারী। সুজন উপজেলার পাড়াগাও মহল্লার মাহমুদ উল্লা ওরফে ঘটিয়া মাহমুদের ছেলে। তার বর্তমান বসবাস খন্দকার মহল্লায়।

ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা আড়াইটায় স্থানীয় ভট্রপাড়া (শরীফখানীতে)। জানা যায়, ভট্রপাড়ায় এক নারী তার সন্তান সন্ততি নিয়ে ১২ বছর যাবৎ একই এলাকার তারেক মিয়ার নিকট থেকে খাস খতিয়ানের ৬ শতক ভূমি দখল ক্রয় করে সেখানে একটি সেমিপাকা ঘর নির্মান করে একযুগ যাবৎ বসবাস করছেন।

তৎকালীন ইউএনও মাসুদ রানা তার চার শতকে ২ জনকে আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর দেন এবং বাকী ২ শতকে তাকে দলিল করে দেওয়ার প্রতিশ্রতি দিয়েও ওই নারীর দেবরকে দলিল করে দেন। এরপর নারী ডিসি বরাবর অভিযোগ দিলে এসিল্যান্ড তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেয়ে প্রতিবেদন দেন। বর্তমানে ভূমিহীন নারীকে জায়গাটি দলিল করে দেওয়ার পক্রিয়াধীন।

এ খবর জানতে পেরে বহু বিবাহকারী মোবাইল মেইকার সুজন নারীর বসত ঘরে গিয়ে নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ঘর পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে কুপ্রস্তাব দেয়, তখন তিনি সুজনকে জুতাপেটা শুরু করলে অবস্থার বেগতিক দেখে দৌড়ে পালিয়ে যায় নারীলোভী সুজন।

উল্লেখ্য মোবাইল মেইকার সুজন শিশু থাকা অবস্থায় তার মাকে রেখে অন্যত্র বিয়ে করেন পিতা মাহমুদ। এরপর থেকে তার মা পিত্রলায়ে থেকে অনেক কষ্ট করে সুজনকে কিছুটা বড় করেন এবং ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত লেখাপাড়া করান। পরে বানিয়াচং স্মৃতিসৌধের সামনে মোবাইল মেইকবারি শুরু করে সে।

একপর্যায়ে সে বিয়ে করে এবং তার দুটি পুত্র সন্তান হয়। কিন্তু এই অবুঝ সন্তানদের দিকে না তাকিয়ে নারীলোভী ও বহু বিবাহকারী সুজন আরেকটি বিয়ে করে প্রথম স্ত্রীকে তালাক দেয়। পরে শশুর বাদী হয়ে মেইকার সুজনের বিরুদ্ধে ৩ টি মামলা করেন।

এছাড়াও মামার বাড়িতে শিশুকাল থেকে বড় হলেও অকৃতজ্ঞ সুজন আপন মামাদের ওপরও হামলা করে রক্তাক্ত করে। বর্তমানে বড়াবজার দারুল কোরআন মাদ্রসা রোডে মোবাইল মেইকারির সাথে নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বেড়ায়। এবং মেইকারির আড়ালে অসহায় নারীদের ফুসলিয়ে নিজের ফাঁদে ফেলে তাদের সর্বনাশ করে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের পাইলট প্রকল্প শুরুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ঘর দেওয়ার কথা বলে ভূমিহীন নারীকে কুপ্রস্তাব, মেইকার সুজনকে জুতাপেটা

আপডেট সময় ০৫:১৫:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

এক ভূমিহীন নারীকে আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে কুপ্রস্তাব দেওয়ায় মোবাইল মেইকার সুজন মিয়া ওরফে সুজন উল্লাকে জুতাপেটা করেছেন ওই নারী। সুজন উপজেলার পাড়াগাও মহল্লার মাহমুদ উল্লা ওরফে ঘটিয়া মাহমুদের ছেলে। তার বর্তমান বসবাস খন্দকার মহল্লায়।

ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা আড়াইটায় স্থানীয় ভট্রপাড়া (শরীফখানীতে)। জানা যায়, ভট্রপাড়ায় এক নারী তার সন্তান সন্ততি নিয়ে ১২ বছর যাবৎ একই এলাকার তারেক মিয়ার নিকট থেকে খাস খতিয়ানের ৬ শতক ভূমি দখল ক্রয় করে সেখানে একটি সেমিপাকা ঘর নির্মান করে একযুগ যাবৎ বসবাস করছেন।

তৎকালীন ইউএনও মাসুদ রানা তার চার শতকে ২ জনকে আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর দেন এবং বাকী ২ শতকে তাকে দলিল করে দেওয়ার প্রতিশ্রতি দিয়েও ওই নারীর দেবরকে দলিল করে দেন। এরপর নারী ডিসি বরাবর অভিযোগ দিলে এসিল্যান্ড তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেয়ে প্রতিবেদন দেন। বর্তমানে ভূমিহীন নারীকে জায়গাটি দলিল করে দেওয়ার পক্রিয়াধীন।

এ খবর জানতে পেরে বহু বিবাহকারী মোবাইল মেইকার সুজন নারীর বসত ঘরে গিয়ে নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ঘর পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে কুপ্রস্তাব দেয়, তখন তিনি সুজনকে জুতাপেটা শুরু করলে অবস্থার বেগতিক দেখে দৌড়ে পালিয়ে যায় নারীলোভী সুজন।

উল্লেখ্য মোবাইল মেইকার সুজন শিশু থাকা অবস্থায় তার মাকে রেখে অন্যত্র বিয়ে করেন পিতা মাহমুদ। এরপর থেকে তার মা পিত্রলায়ে থেকে অনেক কষ্ট করে সুজনকে কিছুটা বড় করেন এবং ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত লেখাপাড়া করান। পরে বানিয়াচং স্মৃতিসৌধের সামনে মোবাইল মেইকবারি শুরু করে সে।

একপর্যায়ে সে বিয়ে করে এবং তার দুটি পুত্র সন্তান হয়। কিন্তু এই অবুঝ সন্তানদের দিকে না তাকিয়ে নারীলোভী ও বহু বিবাহকারী সুজন আরেকটি বিয়ে করে প্রথম স্ত্রীকে তালাক দেয়। পরে শশুর বাদী হয়ে মেইকার সুজনের বিরুদ্ধে ৩ টি মামলা করেন।

এছাড়াও মামার বাড়িতে শিশুকাল থেকে বড় হলেও অকৃতজ্ঞ সুজন আপন মামাদের ওপরও হামলা করে রক্তাক্ত করে। বর্তমানে বড়াবজার দারুল কোরআন মাদ্রসা রোডে মোবাইল মেইকারির সাথে নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বেড়ায়। এবং মেইকারির আড়ালে অসহায় নারীদের ফুসলিয়ে নিজের ফাঁদে ফেলে তাদের সর্বনাশ করে।