ঢাকা ০৯:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এনবিআরে যোগ দিতে গিয়ে জানলেন নিয়োগপত্র জাল নকশা লঙ্ঘন করে ভবন নির্মাণ, চট্টগ্রামে ৪ ভবনের অংশ ভাঙল সিডিএ, সিলগালা ২টি বরগুনায় ‘প্রতিষ্ঠা’ প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা জিডিপিতে ভারতকে ছাড়াবে বাংলাদেশ, বাস্তবে লাভ কতটা? চার বছরে ২ হাজার ২৭৫ কোটি টাকা লোকসান, তবু লভ্যাংশ ঘোষণা তিতাসের মেট্রোরেলের চার প্যাকেজের চুক্তি সই, নির্মিত হবে ৮ স্টেশন জুলাই হত্যা মামলার আসামিরাও ডিএনসিসির বড় ঠিকাদার, ৫ আ.লীগ নেতার প্রতিষ্ঠানে ৮০৫ কোটি টাকার কাজ ময়মনসিংহে মিনহাজুল ইসলাম রাসুর নেতৃত্বে যুবদলের আনন্দ র‍্যালি পার্বতীপুরে রেলওয়ের লোকোমোটিভ কারখানায় ক্যাবল চুরি, শ্রমিকের কারাদণ্ড বর্ণাঢ্য আয়োজনে কুমিল্লায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন

যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁসে অভিযুক্ত সেই খাদ্য কর্মকর্তা হারুন অর-রশিদ বদলি

চাকরির প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে সিরাজগঞ্জ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা হারুন অর-রশিদকে বদলি করে খাদ্য অধিদপ্তরে ন্যস্ত করা হয়েছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) খাদ্য অধিদপ্তরের উপসচিব (সংস্থা প্রশাসন-১) মাহাবুর রহমান শেখ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই আদেশ দেওয়া হয়।

সিরাজগঞ্জ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের দায়িত্ব পালনকালে সরকারি চাকরির প্রশ্নফাঁসে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগের মধ্যে এই বদলির ঘটনা ঘটল। একই আদেশে সিরাজগঞ্জে নতুন খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) হিসেবে জামালপুর জেলার খাদ্য কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান খানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সোমবারের (২৬ অক্টোবর) মধ্যে তাঁকে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হয়ে বদলি কর্মস্থল খাদ্য অধিদপ্তরে যোগদান করতে বলা হয়েছে। অন্যথায় আগামীকাল ২৭ অক্টোবর বর্তমান কর্মস্থল সিরাজগঞ্জ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজ) করা হবে।

খাদ্য বিভাগের একাধিক সূত্র এই বদলির আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সূত্রটি জানায়, রোববার (২৫ অক্টোবর) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে তাঁকে এই বদলি করা হলেও বিষয়টি তাঁরা রাতে নিশ্চিত হয়েছেন।

এর আগে গত ১৯ অক্টোবর ‘যেভাবে চাকরির প্রশ্নফাঁস নেটওয়ার্ক পরিচালনা করতেন হারুন’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে হারুন অর-রশিদের বিরুদ্ধে। এমন অভিযোগ ওঠায় তিনি তাঁর নিজ কর্মস্থল সিরাজগঞ্জ ছেড়ে আত্মগোপনে যান বলে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়।

এ ঘটনায় তাঁর অন্যতম সহযোগী বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের সহকারী পরিচালক (সংস্থাপন) সোহাগ ফকিরসহ আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। হারুন ও সোহাগ ফকির দুজনেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। পড়াশোনার সময় থেকেই তাঁদের মধ্যে বেশ সখ্য গড়ে ওঠে। এই চক্রে হারুন-সোহাগ ছাড়াও আরও অন্তত তিনজন প্রশ্ন ফাঁস করতেন। তাঁরা হলেন—বিসিএসআইআরের ডেটা এন্ট্রি অপারেটর কাজল আহমেদ, মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির সহকারী পরিচালক রাফিউল ইসলাম ও ভরতখালী উচ্চবিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক হরি প্রসাদ রায়। প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর খাদ্য কর্মকর্তাকে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এনবিআরে যোগ দিতে গিয়ে জানলেন নিয়োগপত্র জাল

যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁসে অভিযুক্ত সেই খাদ্য কর্মকর্তা হারুন অর-রশিদ বদলি

আপডেট সময় ০৫:৫৭:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

চাকরির প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে সিরাজগঞ্জ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা হারুন অর-রশিদকে বদলি করে খাদ্য অধিদপ্তরে ন্যস্ত করা হয়েছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) খাদ্য অধিদপ্তরের উপসচিব (সংস্থা প্রশাসন-১) মাহাবুর রহমান শেখ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই আদেশ দেওয়া হয়।

সিরাজগঞ্জ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের দায়িত্ব পালনকালে সরকারি চাকরির প্রশ্নফাঁসে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগের মধ্যে এই বদলির ঘটনা ঘটল। একই আদেশে সিরাজগঞ্জে নতুন খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) হিসেবে জামালপুর জেলার খাদ্য কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান খানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সোমবারের (২৬ অক্টোবর) মধ্যে তাঁকে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হয়ে বদলি কর্মস্থল খাদ্য অধিদপ্তরে যোগদান করতে বলা হয়েছে। অন্যথায় আগামীকাল ২৭ অক্টোবর বর্তমান কর্মস্থল সিরাজগঞ্জ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজ) করা হবে।

খাদ্য বিভাগের একাধিক সূত্র এই বদলির আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সূত্রটি জানায়, রোববার (২৫ অক্টোবর) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে তাঁকে এই বদলি করা হলেও বিষয়টি তাঁরা রাতে নিশ্চিত হয়েছেন।

এর আগে গত ১৯ অক্টোবর ‘যেভাবে চাকরির প্রশ্নফাঁস নেটওয়ার্ক পরিচালনা করতেন হারুন’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে হারুন অর-রশিদের বিরুদ্ধে। এমন অভিযোগ ওঠায় তিনি তাঁর নিজ কর্মস্থল সিরাজগঞ্জ ছেড়ে আত্মগোপনে যান বলে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়।

এ ঘটনায় তাঁর অন্যতম সহযোগী বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের সহকারী পরিচালক (সংস্থাপন) সোহাগ ফকিরসহ আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। হারুন ও সোহাগ ফকির দুজনেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। পড়াশোনার সময় থেকেই তাঁদের মধ্যে বেশ সখ্য গড়ে ওঠে। এই চক্রে হারুন-সোহাগ ছাড়াও আরও অন্তত তিনজন প্রশ্ন ফাঁস করতেন। তাঁরা হলেন—বিসিএসআইআরের ডেটা এন্ট্রি অপারেটর কাজল আহমেদ, মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির সহকারী পরিচালক রাফিউল ইসলাম ও ভরতখালী উচ্চবিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক হরি প্রসাদ রায়। প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর খাদ্য কর্মকর্তাকে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়।