ঢাকা ১০:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গণতন্ত্রকে রক্ষা করাটাই এখন সবচেয়ে বড় কাজ : রাষ্ট্রপতি ‘এই লুকটাও আমার জীবনের একটা গল্প’, ক্যানসার আক্রান্ত সামিয়া আফরিন বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে বিনিয়োগে চীনের প্রতি আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ফিরোজ আলম ও স্টেনোগ্রাফার শহীদুলকে ঘিরে বদলি বাণিজ্য ও ঘুষের অভিযোগ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের শহিদ-আহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে হবে: জাহিদ হোসেন সুপ্রিম কোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ বড়লেখায় অবৈধভাবে টিলা কাটার সময় এক্সকাভেটর আটক ইরানি হামলায় ৪১৭ মার্কিন সেনা আহত, বহু যুদ্ধবিমান ধ্বংস শিমুলিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব নাসিরউদ্দিনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ ঋণখেলাপি হওয়ায় পদ হারালেন রিহ্যাব সভাপতি আলী আফজাল

গণতন্ত্রকে রক্ষা করাটাই এখন সবচেয়ে বড় কাজ : রাষ্ট্রপতি

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ০৯:৫০:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫০৫ বার পড়া হয়েছে

গণতন্ত্রকে রক্ষা করাটাই এখন আমাদের সবচেয়ে বড় কাজ ও দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সিলেট সিটি কর্পোরেশন প্রাঙ্গণে নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে বক্তব্যকালে তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, আজকে বহু ত্যাগ-তিতিক্ষার বিনিময়ে, রক্তপাতের বিনিময়ে, আমাদের সন্তানদের প্রাণের বিনিময়ে আমরা একটা ফ্যাসিস্ট সরকারকে সরিয়ে দীর্ঘকাল লড়াই করে একটা গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি করেছি। আমরা একটা গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার একটা সুযোগ পেয়েছি। আজকে একটা নির্বাচন হয়েছে। অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয়েছে আন্তর্জাতিকভাবে। নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আমাদের নেতা জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে এখানে সরকার গঠন হয়েছে। এই সরকার চেষ্টা করছে অতিদ্রুততার সঙ্গে দেশকে কী করে একটা ভগ্নস্তূপ থেকে আবার জাগিয়ে তোলা যায়।

তিনি বলেন, আমি প্রায়ই আপনাদের বলতাম— আমরা যারা বাংলাদেশে গণতন্ত্রের পক্ষে কাজ করি, তারা অনেকটা আপনার ফিনিক্স পাখির মতো। ধ্বংস হয়ে যায়, সেই ধ্বংসস্তূপ থেকে আবার সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়।

গণতন্ত্র রক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, গণতন্ত্র পেয়েছি। গণতন্ত্রকে রক্ষা করাটাই এখন আমাদের সবচেয়ে বড় কাজ, সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। আজকে যে বিরোধী দল আছে, সরকারি দল আছে— আমি মনে করি যে সরকারি দল, বিরোধী দলের প্রধান দায়িত্ব হবে গণতান্ত্রিক অবস্থাকে টিকিয়ে রাখা। প্রধান দায়িত্ব হবে যে সংসদ আছে, সেই সংসদকে ফাংশনাল করা। তাকে যেন কাজ করে ঠিকমতো, সেইভাবে কাজ করার চেষ্টা করা। অন্যান্য বিষয়গুলোতে দ্বিমত থাকতে পারে। সেই দ্বিমতগুলো আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে কিন্তু সমাধান করা সম্ভব।

রাষ্ট্রপতি বলেন, আমি মনে করি যে আগামী দিনগুলোতে আমাদের যেমন আমরা অতীতে লড়াই করেছি গণতন্ত্রের জন্য, সামনের লড়াই হচ্ছে আমাদের দেশকে পুনর্গঠন করবার জন্য, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করবার জন্য এবং আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য তাদের জন্য একটা সত্যিকার অর্থেই একটা বাসযোগ্য আবাস যেন আমরা নির্মাণ করতে পারি। এই বিষয়গুলো আমাদেরকে সবসময় মনে রাখতে হবে। আমরা বারবার হোঁচট খেয়েছি। এই দেশের মানুষ বারবার গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছে, কিন্তু বারবার বাধা পেয়েছে। আজকে সেই সুযোগ এসেছে। সেই সুযোগ আমরা কখনো অবহেলায় একে না হারাই। এ কথাটা সবসময় আমাদেরকে মনে রাখতে হবে।

সিলেটের বিভিন্ন সমস্যার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সিলেটের কিছু সমস্যার কথা আপনারা বলেছেন। আমার মনে হয় আপনাদের মন্ত্রীবর্গ যারা আছেন, আপনাদের সদস্য যারা আছেন, তারা যথেষ্ট যোগ্য। এই বিষয়গুলো নিয়ে তারা কথা বলছেন, কাজ শুরু হয়েছে। মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে শুনলেন যে অনেকগুলো বড় বড় কাজ ইতিমধ্যে সামনে চলে এসেছে। ইনশাআল্লাহ এই কাজগুলো এগিয়ে যাবে এবং এর মধ্যে দিয়ে আপনাদের জনগণের যে অনেক দিনের আকাঙ্ক্ষা, সে আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে নিশ্চয়ই।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গণতন্ত্রকে রক্ষা করাটাই এখন সবচেয়ে বড় কাজ : রাষ্ট্রপতি

গণতন্ত্রকে রক্ষা করাটাই এখন সবচেয়ে বড় কাজ : রাষ্ট্রপতি

আপডেট সময় ০৯:৫০:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গণতন্ত্রকে রক্ষা করাটাই এখন আমাদের সবচেয়ে বড় কাজ ও দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সিলেট সিটি কর্পোরেশন প্রাঙ্গণে নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে বক্তব্যকালে তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, আজকে বহু ত্যাগ-তিতিক্ষার বিনিময়ে, রক্তপাতের বিনিময়ে, আমাদের সন্তানদের প্রাণের বিনিময়ে আমরা একটা ফ্যাসিস্ট সরকারকে সরিয়ে দীর্ঘকাল লড়াই করে একটা গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি করেছি। আমরা একটা গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার একটা সুযোগ পেয়েছি। আজকে একটা নির্বাচন হয়েছে। অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয়েছে আন্তর্জাতিকভাবে। নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আমাদের নেতা জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে এখানে সরকার গঠন হয়েছে। এই সরকার চেষ্টা করছে অতিদ্রুততার সঙ্গে দেশকে কী করে একটা ভগ্নস্তূপ থেকে আবার জাগিয়ে তোলা যায়।

তিনি বলেন, আমি প্রায়ই আপনাদের বলতাম— আমরা যারা বাংলাদেশে গণতন্ত্রের পক্ষে কাজ করি, তারা অনেকটা আপনার ফিনিক্স পাখির মতো। ধ্বংস হয়ে যায়, সেই ধ্বংসস্তূপ থেকে আবার সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়।

গণতন্ত্র রক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, গণতন্ত্র পেয়েছি। গণতন্ত্রকে রক্ষা করাটাই এখন আমাদের সবচেয়ে বড় কাজ, সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। আজকে যে বিরোধী দল আছে, সরকারি দল আছে— আমি মনে করি যে সরকারি দল, বিরোধী দলের প্রধান দায়িত্ব হবে গণতান্ত্রিক অবস্থাকে টিকিয়ে রাখা। প্রধান দায়িত্ব হবে যে সংসদ আছে, সেই সংসদকে ফাংশনাল করা। তাকে যেন কাজ করে ঠিকমতো, সেইভাবে কাজ করার চেষ্টা করা। অন্যান্য বিষয়গুলোতে দ্বিমত থাকতে পারে। সেই দ্বিমতগুলো আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে কিন্তু সমাধান করা সম্ভব।

রাষ্ট্রপতি বলেন, আমি মনে করি যে আগামী দিনগুলোতে আমাদের যেমন আমরা অতীতে লড়াই করেছি গণতন্ত্রের জন্য, সামনের লড়াই হচ্ছে আমাদের দেশকে পুনর্গঠন করবার জন্য, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করবার জন্য এবং আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য তাদের জন্য একটা সত্যিকার অর্থেই একটা বাসযোগ্য আবাস যেন আমরা নির্মাণ করতে পারি। এই বিষয়গুলো আমাদেরকে সবসময় মনে রাখতে হবে। আমরা বারবার হোঁচট খেয়েছি। এই দেশের মানুষ বারবার গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছে, কিন্তু বারবার বাধা পেয়েছে। আজকে সেই সুযোগ এসেছে। সেই সুযোগ আমরা কখনো অবহেলায় একে না হারাই। এ কথাটা সবসময় আমাদেরকে মনে রাখতে হবে।

সিলেটের বিভিন্ন সমস্যার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সিলেটের কিছু সমস্যার কথা আপনারা বলেছেন। আমার মনে হয় আপনাদের মন্ত্রীবর্গ যারা আছেন, আপনাদের সদস্য যারা আছেন, তারা যথেষ্ট যোগ্য। এই বিষয়গুলো নিয়ে তারা কথা বলছেন, কাজ শুরু হয়েছে। মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে শুনলেন যে অনেকগুলো বড় বড় কাজ ইতিমধ্যে সামনে চলে এসেছে। ইনশাআল্লাহ এই কাজগুলো এগিয়ে যাবে এবং এর মধ্যে দিয়ে আপনাদের জনগণের যে অনেক দিনের আকাঙ্ক্ষা, সে আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে নিশ্চয়ই।