ঢাকা ১১:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিলেট সীমান্তে সক্রিয় সেই আলোচিত ‘শ্যাম কালা’ একই কর্মস্থলে ৮ বছর দাপট খাটানো সেই সমবায় কর্মকর্তা মাহফুজা এবার মিঠাপুকুরে বিষ মেশানো ভাত খেয়ে কাতরাচ্ছিলেন স্বামী, স্ত্রী এনে দিলেন বিষাক্ত শরবত হলিস্টিক গ্রুপের দুই শত কোটি টাকার প্রতারণা পবিপ্রবিতে গ্রেটার রাজশাহী স্টুডেন্ট অ্যালায়েন্সের নবীনবরণ ও বিদায় সংবর্ধনা গাজী নজরুল ইসলামকে বাদ দিয়েই সংসদীয় কমিটি গঠন রেলওয়ের প্রকৌশলী শাহ আলমের কুলখানি ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মঠবাড়িয়ায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে দুটি  বিস্ফোরক ও হত্যা মামলার আসামী আল মামুন  অটোরিকশায় যুক্ত হচ্ছে কিউআর কোড ও ডিজিটাল ট্র্যাকিং সিস্টেম অটোরিকশায় বছরে ৪ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
তিন পর্বের প্রথম পর্ব

একই কর্মস্থলে ৮ বছর দাপট খাটানো সেই সমবায় কর্মকর্তা মাহফুজা এবার মিঠাপুকুরে

পীরগঞ্জে একটানা দীর্ঘ আট বছর একই কর্মস্থলে প্রভাব খাটিয়ে দায়িত্ব পালনের পর, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর মিঠাপুকুর উপজেলায় বদলি হওয়া সমবায় কর্মকর্তা মাহফুজা বেগমের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। তিন বছরের অধিক সময় একই উপজেলায় চাকরির বিধান না থাকলেও বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় তিনি পীরগঞ্জেই বহাল ছিলেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এবং সাবেক এমপি এইচ এম আশিকুর রহমানের পুত্র রাশেক রহমানের সরাসরি আশ্রয়ে ছিলেন পীরগঞ্জের সাবেক এই উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মাহফুজা বেগম। নিজেকে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান পরিচয় দিয়ে ফ্যাসিবাদের দোসর হিসেবে তিনি এলাকায় চরম দাপট দেখাতেন। শুধু তাই নয়, ২০০৪ সাল থেকে অদ্যাবধি পর্যন্ত একই মন্ত্রণালয়ের অধীনে এই কর্মকর্তার পরিবারের মোট ৩৮ জন সদস্য চাকরিতে নিয়োজিত রয়েছেন বলেও চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

গত জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলে তাকে মিঠাপুকুর উপজেলায় বদলি করা হয়। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলেও তার স্বভাব ও দুর্নীতির সিন্ডিকেট বদলায়নি। এবার তিনি স্থানীয় বিএনপির কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির ছত্রছায়ায় থেকে মিঠাপুকুরেও দুর্নীতির জাল বিস্তার করছেন। এই অনিয়মের সিন্ডিকেটে তার সহযোগী হিসেবে কাজ করছেন সহকারী পরিদর্শক শামীম, যার বিরুদ্ধেও বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সুবিধাভোগী হওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

আওয়ামী লীগের শাসনামলে প্রভাব বিস্তারকারী এবং নানা অনিয়মে জড়িত এমন কর্মকর্তাদের মিঠাপুকুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ উপজেলায় পুনর্বাসন ও বহাল রাখা নিয়ে বর্তমানে স্থানীয় জনগণ এবং সচেতন মহলের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সিলেট সীমান্তে সক্রিয় সেই আলোচিত ‘শ্যাম কালা’

তিন পর্বের প্রথম পর্ব

একই কর্মস্থলে ৮ বছর দাপট খাটানো সেই সমবায় কর্মকর্তা মাহফুজা এবার মিঠাপুকুরে

আপডেট সময় ১০:১৫:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পীরগঞ্জে একটানা দীর্ঘ আট বছর একই কর্মস্থলে প্রভাব খাটিয়ে দায়িত্ব পালনের পর, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর মিঠাপুকুর উপজেলায় বদলি হওয়া সমবায় কর্মকর্তা মাহফুজা বেগমের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। তিন বছরের অধিক সময় একই উপজেলায় চাকরির বিধান না থাকলেও বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় তিনি পীরগঞ্জেই বহাল ছিলেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এবং সাবেক এমপি এইচ এম আশিকুর রহমানের পুত্র রাশেক রহমানের সরাসরি আশ্রয়ে ছিলেন পীরগঞ্জের সাবেক এই উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মাহফুজা বেগম। নিজেকে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান পরিচয় দিয়ে ফ্যাসিবাদের দোসর হিসেবে তিনি এলাকায় চরম দাপট দেখাতেন। শুধু তাই নয়, ২০০৪ সাল থেকে অদ্যাবধি পর্যন্ত একই মন্ত্রণালয়ের অধীনে এই কর্মকর্তার পরিবারের মোট ৩৮ জন সদস্য চাকরিতে নিয়োজিত রয়েছেন বলেও চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

গত জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলে তাকে মিঠাপুকুর উপজেলায় বদলি করা হয়। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলেও তার স্বভাব ও দুর্নীতির সিন্ডিকেট বদলায়নি। এবার তিনি স্থানীয় বিএনপির কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির ছত্রছায়ায় থেকে মিঠাপুকুরেও দুর্নীতির জাল বিস্তার করছেন। এই অনিয়মের সিন্ডিকেটে তার সহযোগী হিসেবে কাজ করছেন সহকারী পরিদর্শক শামীম, যার বিরুদ্ধেও বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সুবিধাভোগী হওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

আওয়ামী লীগের শাসনামলে প্রভাব বিস্তারকারী এবং নানা অনিয়মে জড়িত এমন কর্মকর্তাদের মিঠাপুকুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ উপজেলায় পুনর্বাসন ও বহাল রাখা নিয়ে বর্তমানে স্থানীয় জনগণ এবং সচেতন মহলের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।