ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা মো. সুজন আহমেদ চৌধুরীর নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, নিয়োগের সময় তিনি এমন একটি প্রক্রিয়ার সুবিধাভোগী ছিলেন, যেখানে নিয়োগ কমিটির একজন সদস্যের সঙ্গে তার নিকটাত্মীয়তার সম্পর্ক ছিল।
অভিযোগকারীদের দাবি, মো. সুজন আহমেদ চৌধুরী ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী র. আ. ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর ভাতিজা। সংশ্লিষ্ট নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মোকতাদির চৌধুরী নিয়োগ কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন বলে জানা যায়। এ কারণে পুরো নিয়োগ কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
প্রশাসনিক বিধি ও সুশাসনের নীতিমালা অনুযায়ী, নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো কর্মকর্তার নিকটাত্মীয় প্রার্থী হলে বিষয়টি ঘোষণা করা এবং প্রয়োজন হলে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া থেকে নিজেকে বিরত রাখার নৈতিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন। তবে এ ক্ষেত্রে এমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
সমালোচকদের মতে, সরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বার্থের সংঘাতের সামান্য আশঙ্কাও জনমনে আস্থার সংকট তৈরি করতে পারে। ফলে সুজন আহমেদ চৌধুরীর নিয়োগের ক্ষেত্রে যথাযথ বিধি অনুসরণ করা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
এদিকে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, নিয়োগ প্রক্রিয়া তখনকার প্রচলিত বিধিমালা অনুসারেই সম্পন্ন হয়েছিল। তবে স্বজনপ্রীতির অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো তদন্ত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
সুশাসন ও স্বচ্ছতা নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন মহলের অভিমত, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে প্রয়োজন হলে স্বাধীন তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। এতে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিদ্যমান প্রশ্নের অবসান ঘটবে এবং জনআস্থাও বৃদ্ধি পাবে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে র. আ. ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, মো. সুজন আহমেদ চৌধুরী বা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যুক্ত করা হবে।
সংবাদ শিরোনাম ::
উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর ভাতিজা সুজন বহাল তবিয়তে
-
নিজস্ব প্রতিবেদক - আপডেট সময় ০২:০২:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬
- ৬৩২ বার পড়া হয়েছে
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ























