ঢাকা ০৪:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ছাগল বাঁচাতে গিয়ে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ল বৃদ্ধ চুয়াডাঙ্গায় বজ্রপাতে শিক্ষার্থীসহ ২ জনের মৃত্যু কালিয়াকৈরে তুরাগ নদীর পানি হঠাৎ বৃদ্ধি, বাঁধে রক্ষা পেল হাজার একর ফসিল জমি  হাজারীবাগে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ২৫ চট্টগ্রামে বন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে ফেরা হলো না কলেজ ছাত্রের ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে বলল চীন প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় বেড়েছে অনুপস্থিতি সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর সঙ্গে মা‌র্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ভোলাহাটে জ্বালানী তেলের সঙ্কটে দিশেহারা কৃষক! পর্যাপ্ত তেল না পেয়ে ধান ও আমের মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা ভেস্তে যেতে বসেছে! ধান ও আমচাষীগণের উর্ধ্বতন  কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টির আহবান!!  টাইমের প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় তারেক রহমান, সংসদে ধন্যবাদ প্রস্তাব

বাঘায় ৩৯ জন শিক্ষার্থীর ফরম ফিলাপ অনিশ্চিত 

আর মাত্র সাত দিন পর শুরু হতে যাচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়েও রাজশাহীর বাঘা উপজেলার কেশবপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের ৩৯ জন পরীক্ষার্থী চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। কারণ, তাদের ফরম ফিলাপ ও রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়নি।
জানা গেছে, এ বছর প্রতিষ্ঠানটি থেকে মোট ৪০ জন পরীক্ষার্থীর পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও একজন ছাড়া বাকি ৩৯ জনই ফরম ফিলাপ না হওয়ায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। শুধু তাই নয়, এই ৩৯ জনের মধ্যে ৩৪ জনের নবম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশনও সম্পন্ন করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী পরীক্ষার্থী আব্দুর রাজ্জাক, আব্দুল্লাহ, সোনিয়া, খাদিজা ও ইতি খাতুনসহ একাধিক শিক্ষার্থী জানান, নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত ফি জমা দেওয়ার পরও তাদের ফরম পূরণ করা হয়নি। এতে করে তারা চরম উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
শিক্ষা বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (১৩ এপ্রিল) পর্যন্ত রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে যোগাযোগ করেও এসব শিক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশন ও ফরম ফিলাপের কোনো সমাধান হয়নি।
এদিকে, প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ কামারুজ্জামান বিষয়টির দায় অফিস সহকারীর ওপর চাপিয়ে বলেন, ফরম ফিলাপ সংক্রান্ত দায়িত্ব অফিস সহকারীকে দেওয়া হয়েছিল। কীভাবে এত শিক্ষার্থী বাদ পড়ল, তা তার জানা নেই। তবে তিনি দাবি করেন, শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে এবং বৃহস্পতিবারের মধ্যে ফরম ফিলাপ সম্পন্ন হবে।
রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের স্কুল পরিদর্শক শামীম হাসান বলেন, অধ্যক্ষ গত সোমবার বোর্ডে এলেও প্রয়োজনীয় হার্ডকপি জমা দেননি। বর্তমানে তিনি চেয়ারম্যানের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টির সমাধানের চেষ্টা করছেন।
এ বিষয়ে কেশবপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাম্মী আক্তার বলেন, ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ছাগল বাঁচাতে গিয়ে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ল বৃদ্ধ

বাঘায় ৩৯ জন শিক্ষার্থীর ফরম ফিলাপ অনিশ্চিত 

আপডেট সময় ০১:১০:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
আর মাত্র সাত দিন পর শুরু হতে যাচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়েও রাজশাহীর বাঘা উপজেলার কেশবপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের ৩৯ জন পরীক্ষার্থী চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। কারণ, তাদের ফরম ফিলাপ ও রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়নি।
জানা গেছে, এ বছর প্রতিষ্ঠানটি থেকে মোট ৪০ জন পরীক্ষার্থীর পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও একজন ছাড়া বাকি ৩৯ জনই ফরম ফিলাপ না হওয়ায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। শুধু তাই নয়, এই ৩৯ জনের মধ্যে ৩৪ জনের নবম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশনও সম্পন্ন করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী পরীক্ষার্থী আব্দুর রাজ্জাক, আব্দুল্লাহ, সোনিয়া, খাদিজা ও ইতি খাতুনসহ একাধিক শিক্ষার্থী জানান, নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত ফি জমা দেওয়ার পরও তাদের ফরম পূরণ করা হয়নি। এতে করে তারা চরম উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
শিক্ষা বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (১৩ এপ্রিল) পর্যন্ত রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে যোগাযোগ করেও এসব শিক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশন ও ফরম ফিলাপের কোনো সমাধান হয়নি।
এদিকে, প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ কামারুজ্জামান বিষয়টির দায় অফিস সহকারীর ওপর চাপিয়ে বলেন, ফরম ফিলাপ সংক্রান্ত দায়িত্ব অফিস সহকারীকে দেওয়া হয়েছিল। কীভাবে এত শিক্ষার্থী বাদ পড়ল, তা তার জানা নেই। তবে তিনি দাবি করেন, শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে এবং বৃহস্পতিবারের মধ্যে ফরম ফিলাপ সম্পন্ন হবে।
রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের স্কুল পরিদর্শক শামীম হাসান বলেন, অধ্যক্ষ গত সোমবার বোর্ডে এলেও প্রয়োজনীয় হার্ডকপি জমা দেননি। বর্তমানে তিনি চেয়ারম্যানের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টির সমাধানের চেষ্টা করছেন।
এ বিষয়ে কেশবপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাম্মী আক্তার বলেন, ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।