ঢাকা ১০:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বেরোবিতে চার দিনব্যাপী শহিদ আবু সাঈদ বইমেলার সমাপনী অনুষ্ঠিত ১০ লাখ মানুষের প্রাণ বাঁচাতে ভিক্ষা চাই, রাস্তাটা করে দিন ফেনীতে হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন সফল করতে এএইএফআইওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত ফেনীতে জ্বালানি তেল সরবরাহ ও বিপণনে শৃঙ্খলা রক্ষায় জরুরি সভা অনুষ্ঠিত চার সিটিতে লক্ষ্যমাত্রার ৯২ শতাংশ শিশুর টিকা সম্পন্ন ৩ কোটি টাকা দিয়ে বদলি! এক বছরে ২০ কোটির সম্পদের অভিযোগ সাব-রেজিস্ট্রার জাকিরের বিরুদ্ধে হয়তোবা আরো ৩ বছর জাতীয় দলে খেলতে পারতাম : রুবেল ট্রাম্পের চাপের মুখে নতি স্বীকার করবে না যুক্তরাজ্য বিশ্বকাপের আগে দুঃসংবাদ পেল ফ্রান্স বিশ্বকাপের আগে দুঃসংবাদ পেল ফ্রান্স

হয়তোবা আরো ৩ বছর জাতীয় দলে খেলতে পারতাম : রুবেল

সর্বশেষ ২০২১ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশের জার্সিতে খেলেছিলেন রুবেল হোসেন। এরপর আর জাতীয় দলে দেখা যায়নি তাকে। লম্বা সময় দলের বাইরে থাকা এই পেসার আজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছেন।

আজ বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অবসরের ঘোষণা দেন রুবেল। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় নিলেও ঘরোয়া আসরে খেলা চালিয়ে যাবেন তিনি।

হঠাৎ করে আজই কেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন?

রুবেল : বয়সটা তো হয়েছে, সবাইকে একদিন ক্রিকেট ছাড়তে হবে। অনেকদিন জাতীয় দলের হয়ে খেলি না। সবশেষ ঢাকা লিগ খেলা হয়নি, বিপিএল খেলা হয়নি, যে কারণে মনে হয়েছে যে এখন সঠিক সময়। আর ফিটনেসটা আগের মত নেই, সবকিছু চিন্তা করেই আসলে ঘোষণাটা দেওয়া আজ।

অবসরের সিদ্ধান্ত জানানোর আগে কী ভেবেছিলেন?

রুবেল : একটু খারাপ লাগছিল। অনেক বছর ধরে যুক্ত ছিলাম বিসিবির সঙ্গে, বয়সভিত্তিক দল থেকে। তো অবশ্যই খারাপ লাগবেই। গেল পাঁচ বছর ধরে আমি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলিও না। সবকিছু মিলে তরুণ যারা রয়েছে তারা কিন্তু ভালো খেলছে। আমি আসলে আর খেলতেও পারবো না, যে কারণে সিদ্ধান্তটা নেওয়া।

ঘরোয়া ক্রিকেটে আর কতদিন খেলবেন?

রুবেল : এখন ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলার ইচ্ছা আছে। কতদিন খেলতে পারবো জানি না। এরপরে কোচিং এর সঙ্গে যুক্ত হব কি না এখনো কোনো কিছু চিন্তা করিনি। কোচিংও করাতে পারি, কিংবা ব্যবসাও ভালোভাবে শুরু করতে পারি। তবে অবশ্যই ক্রিকেট নিয়ে বেশি চিন্তা করব।

আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার নিয়ে কোনো আফসোস আছে?

রুবেল : আফসোস তো থাকবেই। দেশের হয়ে যেমন ভালো খেলেছি, তেমন আবার অনেক খারাপও খেলেছি। যখন আমার ভালো সময় ছিল তখনও আমি রেগুলার খেলতে পারিনি। ভালো সময়েও প্রোপার ম্যাচ খেলার সুযোগ পাইনি। তাহলে আরো ম্যাচ সংখ্যা বাড়ত। ম্যাচ কম খেলার কারণে আমার উইকেটও কিন্তু ২০০ হয়নি। কিছু সময় সফল ছিলাম, কিছু সময় সফলতা পায়নি। আমাদের জীবনটা আসলে চ্যালেঞ্জিং যেহেতু পেস বল করি। তারপরও আলহামদুলিল্লাহ, যতটুকু আল্লাহ দিয়েছে খুশি।

ভালো খেলছি, ভালো সময় যাচ্ছে, তো সেই সময় যদি আমাকে ম্যাচ খেলা থেকে বঞ্চিত করা হয়, তখন কেন করেছে? কীসের কারণে করেছে? এর উত্তর আমার জানা নেই। এটাতে আমার আসলে কোনো ক্ষোভ নেই, তবে খারাপ লাগা রয়েছে। আমি হয়তো আরও তিনটা বছর জাতীয় দলের খেলতে পারতাম, ২০২৪-২৫ সাল পর্যন্ত।

আপনার ক্যারিয়ারের সেরা মুহূর্ত কোনগুলো?

Rubel Hossain is pumped up after dismissing Virat Kohli, Bangladesh v India, World Cup 2015, 2nd quarter-final, Melbourne, March 19, 2015

রুবেল : শচীন টেন্ডুলকারের উইকেট পেয়েছিলাম টেস্টে। সেটা আমার কাছে সেরা, কারণ তিনি ক্রিকেটের কিংবদন্তি। এ ছাড়া ডি ভিলিয়ার্সের উইকেটটাও সেরা। বিরাট কোহলির উইকেট পেয়েছি। এই তিনটা আমার কাছে সব সময় অন্যতম সেরা হয়ে থাকবে। কোহলিকে যখন আউট করেছি তখন কিন্তু আমার সেলিব্রেশন অন্যরকম ছিল। তাকে অবশ্য অনেকদিন ধরে চিনি, যুবা দল থেকেই। মাঠের মধ্যে অন্যরকম একটা আবহ তৈরি হতো তার বিপক্ষে যখন খেলা হত।

আপনার খেলা কোন ম্যাচগুলোকে এগিয়ে রাখবেন?

রুবেল : আমার এতদিনের ক্যারিয়ার… ২০১৫ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয় অন্যতম সেরা মুহূর্ত। এ ছাড়া আমার অনেক ভালো মুহূর্ত রয়েছে, এর মধ্যে ২০০৯ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হোয়াইটওয়াশ করা, ২০১৩ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হ্যাট্রিকসহ ৬ উইকেটের ম্যাচে জয় পাওয়া।

২০১৫ সালে ব্যক্তিগত কারণে সময়টা খারাপ যাচ্ছিল, তার পরও সেই বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম করেছিলেন… 

Rubel Hossain signals Bangladesh's progress into the quarter-finals, England v Bangladesh, World Cup 2015, Group A, Adelaide, March 9, 2015

রুবেল : চাপ ছিল তখন, ২০১৫ বিশ্বকাপ অবশ্যই চ্যালেঞ্জিং ছিল আমার জন্য। তখন একটা কঠিন সময়ের মধ্যে ছিলাম। সবকিছু মিলে পরিস্থিতি একটু বাজে ছিল। তবে আমি মাঠে পারফরম্যান্সটা দেখাতে পেরেছিলাম। সবাই আমাকে সাপোর্ট করেছিল। এরকম একটা জায়গায় আমি দেশকে জয় এনে দিতে পেরেছিলাম, আমার একটা ভালো কনট্রিবিউশন ছিল।

আপনার নাম আসলেই মুরালিধরন এবং কার্তিকের নাম চলে আসে, বিষয়টা কীভাবে দেখেন?

রুবেল : এই ম্যাচগুলো কষ্ট দেয় এখনো। আমার মনে পড়ে বিশেষ করে, নিদাহাস ট্রফির কথা। মুরালিরটা যদি বলেন ওটা আমার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ম্যাচ ছিল। তখন এতো মানুষের সামনে আমি কখনো খেলিনি। আমি হয়তো একটু নার্ভাস ছিলাম। তবে আমাকে বেশি কষ্ট দেয় নিদহাস ট্রফির ওইটা, ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটা। আমার আর একটু গোছানো বোলিং করা উচিত ছিল। সময় নেয়া উচিত ছিল, স্মার্ট বোলিং করা উচিত ছিল।

নতুন বিসিবি সভাপতির প্রতি আপনার কোন চাওয়া আছে?

রুবেল : তামিম ভাইয়ের জন্য অবশ্যই অনেক শুভকামনা। তিনি অনেক দেশে গিয়েছেন ক্রিকেটের ফ্যাসিলিটিজ দেখেছেন এটা অবশ্যই তিনি এখন কাজে লাগাবেন। তাকে কাছ থেকে দেখেছি, যতটুকু চিনি আমার কাছে মনে হয় যে ভালো কিছুই হবে। তার কাছ থেকে অবশ্যই ভালো কিছু পাব, তিনিও কাজ করতে পছন্দ করেন। আমাকে একদিন ফোন করেছিলেন।

পেসার হান্টের মাধ্যমে উঠে এসেছিলেন আপনি, সেটা এখন বন্ধ…

রুবেল : বিসিবির কাছে অনুরোধ থাকবে পেসার হান্ট চালু করার জন্য। আমি নিজেও গ্রামীণফোন পেসার হান্টের মাধ্যমে উঠে এসেছিলাম। আমাদের এখন পেসাররা ভালো অবস্থায় আছে। আমি চাই বিসিবির কাছে যে, এটা যেন অবশ্যই আবার শুরু করে। তাসকিন, ইবাদাত, শরিফুল এরা সবাই কিন্তু ভালো করছে। এরকম আরো প্রতিভা বের করে আনলে দেশেরই লাভ।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বেরোবিতে চার দিনব্যাপী শহিদ আবু সাঈদ বইমেলার সমাপনী অনুষ্ঠিত

হয়তোবা আরো ৩ বছর জাতীয় দলে খেলতে পারতাম : রুবেল

আপডেট সময় ০৯:০১:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

সর্বশেষ ২০২১ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশের জার্সিতে খেলেছিলেন রুবেল হোসেন। এরপর আর জাতীয় দলে দেখা যায়নি তাকে। লম্বা সময় দলের বাইরে থাকা এই পেসার আজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছেন।

আজ বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অবসরের ঘোষণা দেন রুবেল। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় নিলেও ঘরোয়া আসরে খেলা চালিয়ে যাবেন তিনি।

হঠাৎ করে আজই কেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন?

রুবেল : বয়সটা তো হয়েছে, সবাইকে একদিন ক্রিকেট ছাড়তে হবে। অনেকদিন জাতীয় দলের হয়ে খেলি না। সবশেষ ঢাকা লিগ খেলা হয়নি, বিপিএল খেলা হয়নি, যে কারণে মনে হয়েছে যে এখন সঠিক সময়। আর ফিটনেসটা আগের মত নেই, সবকিছু চিন্তা করেই আসলে ঘোষণাটা দেওয়া আজ।

অবসরের সিদ্ধান্ত জানানোর আগে কী ভেবেছিলেন?

রুবেল : একটু খারাপ লাগছিল। অনেক বছর ধরে যুক্ত ছিলাম বিসিবির সঙ্গে, বয়সভিত্তিক দল থেকে। তো অবশ্যই খারাপ লাগবেই। গেল পাঁচ বছর ধরে আমি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলিও না। সবকিছু মিলে তরুণ যারা রয়েছে তারা কিন্তু ভালো খেলছে। আমি আসলে আর খেলতেও পারবো না, যে কারণে সিদ্ধান্তটা নেওয়া।

ঘরোয়া ক্রিকেটে আর কতদিন খেলবেন?

রুবেল : এখন ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলার ইচ্ছা আছে। কতদিন খেলতে পারবো জানি না। এরপরে কোচিং এর সঙ্গে যুক্ত হব কি না এখনো কোনো কিছু চিন্তা করিনি। কোচিংও করাতে পারি, কিংবা ব্যবসাও ভালোভাবে শুরু করতে পারি। তবে অবশ্যই ক্রিকেট নিয়ে বেশি চিন্তা করব।

আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার নিয়ে কোনো আফসোস আছে?

রুবেল : আফসোস তো থাকবেই। দেশের হয়ে যেমন ভালো খেলেছি, তেমন আবার অনেক খারাপও খেলেছি। যখন আমার ভালো সময় ছিল তখনও আমি রেগুলার খেলতে পারিনি। ভালো সময়েও প্রোপার ম্যাচ খেলার সুযোগ পাইনি। তাহলে আরো ম্যাচ সংখ্যা বাড়ত। ম্যাচ কম খেলার কারণে আমার উইকেটও কিন্তু ২০০ হয়নি। কিছু সময় সফল ছিলাম, কিছু সময় সফলতা পায়নি। আমাদের জীবনটা আসলে চ্যালেঞ্জিং যেহেতু পেস বল করি। তারপরও আলহামদুলিল্লাহ, যতটুকু আল্লাহ দিয়েছে খুশি।

ভালো খেলছি, ভালো সময় যাচ্ছে, তো সেই সময় যদি আমাকে ম্যাচ খেলা থেকে বঞ্চিত করা হয়, তখন কেন করেছে? কীসের কারণে করেছে? এর উত্তর আমার জানা নেই। এটাতে আমার আসলে কোনো ক্ষোভ নেই, তবে খারাপ লাগা রয়েছে। আমি হয়তো আরও তিনটা বছর জাতীয় দলের খেলতে পারতাম, ২০২৪-২৫ সাল পর্যন্ত।

আপনার ক্যারিয়ারের সেরা মুহূর্ত কোনগুলো?

Rubel Hossain is pumped up after dismissing Virat Kohli, Bangladesh v India, World Cup 2015, 2nd quarter-final, Melbourne, March 19, 2015

রুবেল : শচীন টেন্ডুলকারের উইকেট পেয়েছিলাম টেস্টে। সেটা আমার কাছে সেরা, কারণ তিনি ক্রিকেটের কিংবদন্তি। এ ছাড়া ডি ভিলিয়ার্সের উইকেটটাও সেরা। বিরাট কোহলির উইকেট পেয়েছি। এই তিনটা আমার কাছে সব সময় অন্যতম সেরা হয়ে থাকবে। কোহলিকে যখন আউট করেছি তখন কিন্তু আমার সেলিব্রেশন অন্যরকম ছিল। তাকে অবশ্য অনেকদিন ধরে চিনি, যুবা দল থেকেই। মাঠের মধ্যে অন্যরকম একটা আবহ তৈরি হতো তার বিপক্ষে যখন খেলা হত।

আপনার খেলা কোন ম্যাচগুলোকে এগিয়ে রাখবেন?

রুবেল : আমার এতদিনের ক্যারিয়ার… ২০১৫ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয় অন্যতম সেরা মুহূর্ত। এ ছাড়া আমার অনেক ভালো মুহূর্ত রয়েছে, এর মধ্যে ২০০৯ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হোয়াইটওয়াশ করা, ২০১৩ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হ্যাট্রিকসহ ৬ উইকেটের ম্যাচে জয় পাওয়া।

২০১৫ সালে ব্যক্তিগত কারণে সময়টা খারাপ যাচ্ছিল, তার পরও সেই বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম করেছিলেন… 

Rubel Hossain signals Bangladesh's progress into the quarter-finals, England v Bangladesh, World Cup 2015, Group A, Adelaide, March 9, 2015

রুবেল : চাপ ছিল তখন, ২০১৫ বিশ্বকাপ অবশ্যই চ্যালেঞ্জিং ছিল আমার জন্য। তখন একটা কঠিন সময়ের মধ্যে ছিলাম। সবকিছু মিলে পরিস্থিতি একটু বাজে ছিল। তবে আমি মাঠে পারফরম্যান্সটা দেখাতে পেরেছিলাম। সবাই আমাকে সাপোর্ট করেছিল। এরকম একটা জায়গায় আমি দেশকে জয় এনে দিতে পেরেছিলাম, আমার একটা ভালো কনট্রিবিউশন ছিল।

আপনার নাম আসলেই মুরালিধরন এবং কার্তিকের নাম চলে আসে, বিষয়টা কীভাবে দেখেন?

রুবেল : এই ম্যাচগুলো কষ্ট দেয় এখনো। আমার মনে পড়ে বিশেষ করে, নিদাহাস ট্রফির কথা। মুরালিরটা যদি বলেন ওটা আমার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ম্যাচ ছিল। তখন এতো মানুষের সামনে আমি কখনো খেলিনি। আমি হয়তো একটু নার্ভাস ছিলাম। তবে আমাকে বেশি কষ্ট দেয় নিদহাস ট্রফির ওইটা, ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটা। আমার আর একটু গোছানো বোলিং করা উচিত ছিল। সময় নেয়া উচিত ছিল, স্মার্ট বোলিং করা উচিত ছিল।

নতুন বিসিবি সভাপতির প্রতি আপনার কোন চাওয়া আছে?

রুবেল : তামিম ভাইয়ের জন্য অবশ্যই অনেক শুভকামনা। তিনি অনেক দেশে গিয়েছেন ক্রিকেটের ফ্যাসিলিটিজ দেখেছেন এটা অবশ্যই তিনি এখন কাজে লাগাবেন। তাকে কাছ থেকে দেখেছি, যতটুকু চিনি আমার কাছে মনে হয় যে ভালো কিছুই হবে। তার কাছ থেকে অবশ্যই ভালো কিছু পাব, তিনিও কাজ করতে পছন্দ করেন। আমাকে একদিন ফোন করেছিলেন।

পেসার হান্টের মাধ্যমে উঠে এসেছিলেন আপনি, সেটা এখন বন্ধ…

রুবেল : বিসিবির কাছে অনুরোধ থাকবে পেসার হান্ট চালু করার জন্য। আমি নিজেও গ্রামীণফোন পেসার হান্টের মাধ্যমে উঠে এসেছিলাম। আমাদের এখন পেসাররা ভালো অবস্থায় আছে। আমি চাই বিসিবির কাছে যে, এটা যেন অবশ্যই আবার শুরু করে। তাসকিন, ইবাদাত, শরিফুল এরা সবাই কিন্তু ভালো করছে। এরকম আরো প্রতিভা বের করে আনলে দেশেরই লাভ।