সংবাদ শিরোনাম ::
অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করলো আমিরাত বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ নীলফামারীতে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত, সম্মাননা দেয়া হলো তিনটি স্কুলকে আত্রাইয়ে ৫০ জাতের দেশীয় ফলের প্রদর্শনী নিয়ে ব্যতিক্রমী ফল উৎসব অনুষ্ঠিত নি’হ’ত নন্দিনীর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ছুটে গেলেন ত্রাণমন্ত্রী ঝালকাঠি পৌর প্রশাসক ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী খেলায় ৯নং ওয়ার্ডের জয় কালিহাতীতে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

বিসিবি সভাপতি পরিবর্তন নিয়ে সিমন্স, ‘এখন আর জীবনে কিছুতেই অবাক হই না’

নিউজিল্যান্ড সিরিজের সংবাদ সম্মেলন করতে এসে ফিল সিমন্সকে উত্তর দিতে হয়েছে বারবার বিসিবি সভাপতি পরিবর্তন ইস্যুতেও। আগামী শুক্রবার ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামতে যাচ্ছে টাইগাররা। তার আগে প্রধান কোচের কাছে সংবাদ সম্মেলনে প্রথম বেশ কিছু প্রশ্নের মধ্যে ৫টিই ছিল ক্রিকেট বোর্ডের পরিবর্তন নিয়ে।

২০২৪ সালের অক্টোবরে হেড কোচ হিসেবে বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব নেন সিমন্স। তখন তামিম ইকবাল ক্রিকেট খেলেছেন, সেই তামিমই এখন বিসিবি সভাপতি। বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনজন সভাপতি পেলেন সিমন্স।

দায়িত্ব নেওয়ার পর দেড় বছরে তিনজন বিসিবি সভাপতি দেখে অবাক হয়েছেন কি না প্রশ্নে সিমন্স বলেন, ‘এখন আর জীবনে কিছুতেই আমি অবাক হই না। আর এর সঙ্গে বাংলাদেশ বা অন্য কিছুর কোনো সম্পর্ক নেই, এটা শুধু জীবনের ব্যাপার। আমি জীবনে অনেক কিছু দেখেছি, তাই জানি প্রতিদিনই অনেক কিছু ঘটে। তাই কোনো কিছুতেই আমি অবাক হই না।’

নতুন সভাপতি তামিম ইকবালের সঙ্গে এর মধ্যে আলাপও হয়েছে সিমন্সের, ‘হ্যাঁ, আমাদের স্টাফদের সঙ্গে তার কথা হয়েছে। এরপর দুই দিন আগে যখন খেলা চলছিল তখন তিনি ড্রেসিংরুমে এসেছিলেন এবং আমাদের সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বলেছেন। তাই হ্যাঁ, কয়েকবার কথা হয়েছে।’

সভাপতি পরিবর্তন হলে কোচ হিসেবে তার কাজে কোনো পরিবর্তন আনতে হয় কি না এমন প্রশ্নে সিমন্স বলেন, ‘আপনি যেমন বললেন, এটি তৃতীয় সভাপতি। তবে এতে আমার দায়িত্ব পালনে কোনো পার্থক্য থাকে না। আমরা কীভাবে দলকে প্রস্তুত করি বা সিরিজের জন্য কীভাবে কাজ করি তাতে কোনো পরিবর্তন আসেনি। কোচিং গ্রুপ হিসেবে আমরা যেভাবে কাজ করি সেটিও বদলায়নি। তারা তো হেড কোচ হয়ে আসছেন না। তাই আমি আমার কাজটাই করে যাচ্ছি, কারণ আমরা একটি লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি এবং কিছু গড়ে তোলার চেষ্টা করছি। আমরা এখনো সেই কাজটাই করে যাচ্ছি। কেউ এসে আমাদের পরিকল্পনা বদলানোর চেষ্টা করেনি। তাই আমরা যখন এসেছিলাম যে পরিকল্পনা বলেছিলাম, সেটিই এখনো গড়ে তোলার চেষ্টা করছি।’

মাঠের বাইরের এসব পরিবর্তন ক্রিকেটারদের প্রস্তুতিতেও কোনো প্রভাব ফেলছে না বলে মনে করেন সিমন্স, ‘প্রথমত, এতে আমাদের কাজ বা আমরা কীভাবে অনুশীলন করি—এসবের ওপর কোনো প্রভাব পড়েনি। আমাদের যে ক্যাম্প ছিল সেটাও প্রভাবিত হয়নি। পরিকল্পনা অনুযায়ী সেটি হয়েছে এবং আমরা সেটিই করেছি। খেলোয়াড়দের ওপর এর কোনো প্রভাব পড়েছে কি না জানতে চাইলে তাদেরই জিজ্ঞেস করতে হবে। কারণ আমি মনস্তাত্ত্বিক কোনো প্রভাব দেখিনি। তারা সব কাজই করেছে, যেমনটা সাধারণত করে, বরং কেউ কেউ আরও বেশি পরিশ্রম করেছে। তাই সিরিজের প্রস্তুতির জন্য যা যা দরকার তারা এখনো সেগুলোই করে যাচ্ছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের

বিসিবি সভাপতি পরিবর্তন নিয়ে সিমন্স, ‘এখন আর জীবনে কিছুতেই অবাক হই না’

আপডেট সময় ০৩:০৪:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

নিউজিল্যান্ড সিরিজের সংবাদ সম্মেলন করতে এসে ফিল সিমন্সকে উত্তর দিতে হয়েছে বারবার বিসিবি সভাপতি পরিবর্তন ইস্যুতেও। আগামী শুক্রবার ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামতে যাচ্ছে টাইগাররা। তার আগে প্রধান কোচের কাছে সংবাদ সম্মেলনে প্রথম বেশ কিছু প্রশ্নের মধ্যে ৫টিই ছিল ক্রিকেট বোর্ডের পরিবর্তন নিয়ে।

২০২৪ সালের অক্টোবরে হেড কোচ হিসেবে বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব নেন সিমন্স। তখন তামিম ইকবাল ক্রিকেট খেলেছেন, সেই তামিমই এখন বিসিবি সভাপতি। বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনজন সভাপতি পেলেন সিমন্স।

দায়িত্ব নেওয়ার পর দেড় বছরে তিনজন বিসিবি সভাপতি দেখে অবাক হয়েছেন কি না প্রশ্নে সিমন্স বলেন, ‘এখন আর জীবনে কিছুতেই আমি অবাক হই না। আর এর সঙ্গে বাংলাদেশ বা অন্য কিছুর কোনো সম্পর্ক নেই, এটা শুধু জীবনের ব্যাপার। আমি জীবনে অনেক কিছু দেখেছি, তাই জানি প্রতিদিনই অনেক কিছু ঘটে। তাই কোনো কিছুতেই আমি অবাক হই না।’

নতুন সভাপতি তামিম ইকবালের সঙ্গে এর মধ্যে আলাপও হয়েছে সিমন্সের, ‘হ্যাঁ, আমাদের স্টাফদের সঙ্গে তার কথা হয়েছে। এরপর দুই দিন আগে যখন খেলা চলছিল তখন তিনি ড্রেসিংরুমে এসেছিলেন এবং আমাদের সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বলেছেন। তাই হ্যাঁ, কয়েকবার কথা হয়েছে।’

সভাপতি পরিবর্তন হলে কোচ হিসেবে তার কাজে কোনো পরিবর্তন আনতে হয় কি না এমন প্রশ্নে সিমন্স বলেন, ‘আপনি যেমন বললেন, এটি তৃতীয় সভাপতি। তবে এতে আমার দায়িত্ব পালনে কোনো পার্থক্য থাকে না। আমরা কীভাবে দলকে প্রস্তুত করি বা সিরিজের জন্য কীভাবে কাজ করি তাতে কোনো পরিবর্তন আসেনি। কোচিং গ্রুপ হিসেবে আমরা যেভাবে কাজ করি সেটিও বদলায়নি। তারা তো হেড কোচ হয়ে আসছেন না। তাই আমি আমার কাজটাই করে যাচ্ছি, কারণ আমরা একটি লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি এবং কিছু গড়ে তোলার চেষ্টা করছি। আমরা এখনো সেই কাজটাই করে যাচ্ছি। কেউ এসে আমাদের পরিকল্পনা বদলানোর চেষ্টা করেনি। তাই আমরা যখন এসেছিলাম যে পরিকল্পনা বলেছিলাম, সেটিই এখনো গড়ে তোলার চেষ্টা করছি।’

মাঠের বাইরের এসব পরিবর্তন ক্রিকেটারদের প্রস্তুতিতেও কোনো প্রভাব ফেলছে না বলে মনে করেন সিমন্স, ‘প্রথমত, এতে আমাদের কাজ বা আমরা কীভাবে অনুশীলন করি—এসবের ওপর কোনো প্রভাব পড়েনি। আমাদের যে ক্যাম্প ছিল সেটাও প্রভাবিত হয়নি। পরিকল্পনা অনুযায়ী সেটি হয়েছে এবং আমরা সেটিই করেছি। খেলোয়াড়দের ওপর এর কোনো প্রভাব পড়েছে কি না জানতে চাইলে তাদেরই জিজ্ঞেস করতে হবে। কারণ আমি মনস্তাত্ত্বিক কোনো প্রভাব দেখিনি। তারা সব কাজই করেছে, যেমনটা সাধারণত করে, বরং কেউ কেউ আরও বেশি পরিশ্রম করেছে। তাই সিরিজের প্রস্তুতির জন্য যা যা দরকার তারা এখনো সেগুলোই করে যাচ্ছে।