সংবাদ শিরোনাম ::
সরকারের উচ্চপদস্থদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ পোস্ট, গ্রেপ্তার ৬ ‘অর্থনীতিতে সিএমএসএমই খাতের অবদান ৬০ শতাংশের বেশি করতে হবে : শিল্পমন্ত্রী একাধিক দুর্নীতি মামলার আসামি তবুও সিডিএর ক্ষমতাধর কর্মকর্তা হাসান! পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আইওএম মিশন প্রধানের বৈঠক দুই মাস পর আবারও শুরু চাল বিতরণ, সুবিধা পাচ্ছে ১৭ হাজার পরিবার বরগুনায় চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাধারণ সভা-২০২৬ অনুষ্ঠিত পানি প্রকল্পে ১০ কোটি টাকার লুট, কাজের আগেই কোটি টাকার বিল উত্তোলন একটি ঘরের অপেক্ষায় অসহায় রাসেল মন্ডল পরিবার-প্রতিবন্ধী মেয়েকে নিয়ে মানবেতর জীবন ১৬ জুলাইকে ‘শহীদ দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত : মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ডেটার স্বাধীনতা ও আস্থা বাড়াতে হবে : পরিকল্পনামন্ত্রী

ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তার

  • জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় ০১:৪৪:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৭৯ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালীর দুমকিতে সকালে মর্নিং ওয়াক করতে বের হয়ে দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন রূপালী ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ খাঁন (৭০)।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল আনুমানিক সাড়ে ৭টার দিকে দুমকি উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত হারুন অর রশিদ খাঁন উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চরবয়েড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মরহুম গিয়াস উদ্দিন খানের ছেলে এবং রূপালী ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছিলেন। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো সকালবেলা হাঁটতে বের হন হারুন অর রশিদ খাঁন। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা বাউফলগামী একটি মিনি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাকে জোরে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি সড়ক থেকে ছিটকে দূরে পড়ে যান। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ আরও জানায়, দুর্ঘটনার পর ট্রাকটি সড়কের পাশে একটি গাছের সঙ্গে ধাক্কা খায়। এতে চালক রফিক গুরুতর আহত হন। তাকে প্রথমে দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয় এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।

নিহতের স্ত্রী নাসিমা বেগম ডলি বলেন, সকালবেলা সে হাঁটতে বের হয়েছিলেন কিন্তু আর ফিরে আসলেন না। কীভাবে কী হয়ে গেল।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন বলেন, নিহত ব্যাংক কর্মকর্তা হারুন অর রশিদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কিন্তু পরিবারের পক্ষ থেকে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ নিয়ে যাওয়ার আবেদন জানিয়েছেন। পরিবার কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। পুলিশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে ।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারের উচ্চপদস্থদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ পোস্ট, গ্রেপ্তার ৬

ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তার

আপডেট সময় ০১:৪৪:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

পটুয়াখালীর দুমকিতে সকালে মর্নিং ওয়াক করতে বের হয়ে দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন রূপালী ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ খাঁন (৭০)।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল আনুমানিক সাড়ে ৭টার দিকে দুমকি উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত হারুন অর রশিদ খাঁন উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চরবয়েড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মরহুম গিয়াস উদ্দিন খানের ছেলে এবং রূপালী ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছিলেন। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো সকালবেলা হাঁটতে বের হন হারুন অর রশিদ খাঁন। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা বাউফলগামী একটি মিনি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাকে জোরে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি সড়ক থেকে ছিটকে দূরে পড়ে যান। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ আরও জানায়, দুর্ঘটনার পর ট্রাকটি সড়কের পাশে একটি গাছের সঙ্গে ধাক্কা খায়। এতে চালক রফিক গুরুতর আহত হন। তাকে প্রথমে দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয় এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।

নিহতের স্ত্রী নাসিমা বেগম ডলি বলেন, সকালবেলা সে হাঁটতে বের হয়েছিলেন কিন্তু আর ফিরে আসলেন না। কীভাবে কী হয়ে গেল।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন বলেন, নিহত ব্যাংক কর্মকর্তা হারুন অর রশিদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কিন্তু পরিবারের পক্ষ থেকে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ নিয়ে যাওয়ার আবেদন জানিয়েছেন। পরিবার কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। পুলিশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে ।