সংবাদ শিরোনাম ::
সন্ধ্যার মধ্যে ১১ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা যুক্তরাষ্ট্র ‘একমাত্র শক্তিশালী মিত্র’ নয়, ভারতকে টেনে ভ্যান্সকে নেতানিয়াহুর পাল্টা জবাব প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃ’ত বেড়ে ৩৩৪২, চলছে উদ্ধার অভিযান ১১ জুলাইয়ের মধ্যে ক্লিনিকে ডেলিভারি রুম স্থাপন না হলে লাইসেন্স বাতিল ১৮ জুলাই পালন হবে ‘প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি রেজিস্ট্যান্স ডে’ ‘এখানেই শুরু, এখানেই শেষ হলো’ বলে অবসরের ইঙ্গিত নেইমারের কক্সবাজারে পাহাড়ধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯ সরকারের উচ্চপদস্থদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ পোস্ট, গ্রেপ্তার ৬ ‘অর্থনীতিতে সিএমএসএমই খাতের অবদান ৬০ শতাংশের বেশি করতে হবে : শিল্পমন্ত্রী

চাঁপাইনবাবগঞ্জে হামের প্রকোপ, লক্ষণ নিয়ে চিকিৎসাধীন ১০৩ রোগী

  • জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় ১১:১৩:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৬৮ বার পড়া হয়েছে

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে হাম লক্ষণ নিয়ে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। জেলা হাসপাতাল থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, গত চব্বিশ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ৩৯ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, যাদের মধ্যে ১৯ জন ছেলে এবং ২০ জন মেয়ে।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গতকাল পর্যন্ত চিকিৎসাধীন ছিলেন ৬৯ জন রোগী। নতুন ভর্তি হওয়া রোগীদের নিয়ে বর্তমানে হাসপাতালে মোট ১০৩ জন সন্দেহজনক হাম আক্রান্ত রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। বর্তমানে ভর্তি থাকা এই রোগীদের মধ্যে ৪৫ জন ছেলে এবং ৫৮ জন মেয়ে শিশু রয়েছে। গত এক দিনে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন মাত্র ৫ জন রোগী, যার মধ্যে ৩ জন ছেলে এবং ২ জন মেয়ে। তবে আশাব্যঞ্জক বিষয় হলো, গত চব্বিশ ঘণ্টায় কোনো রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক না হওয়ায় কাউকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার করার প্রয়োজন হয়নি।

এদিকে চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত সংক্রমণের চিত্রটি বেশ উদ্বেগজনক। গত ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে আজ ১৫ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে সর্বমোট ৭০২ জন হাম লক্ষণ নিয়ে ভর্তি হয়েছেন এবং জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হামে আক্রান্ত হয়ে চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

হাসপাতালটির পরিস্থিতি নিয়ে তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মদ মশিউর রহমান বলেন, সম্প্রতি হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। রোগীর চাপ সামাল দিতে আমরা হাসপাতালের পুরাতন ভবনের তৃতীয় তলায় একটি পৃথক আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করেছি। পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও নার্স সংকটের মাঝেও আমরা বিকল্প উপায়ে লোকবল নিয়োগ দিয়ে নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি। এছাড়া হামের টিকা দান কর্মসূচি চালু রয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সন্ধ্যার মধ্যে ১১ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা

চাঁপাইনবাবগঞ্জে হামের প্রকোপ, লক্ষণ নিয়ে চিকিৎসাধীন ১০৩ রোগী

আপডেট সময় ১১:১৩:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে হাম লক্ষণ নিয়ে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। জেলা হাসপাতাল থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, গত চব্বিশ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ৩৯ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, যাদের মধ্যে ১৯ জন ছেলে এবং ২০ জন মেয়ে।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গতকাল পর্যন্ত চিকিৎসাধীন ছিলেন ৬৯ জন রোগী। নতুন ভর্তি হওয়া রোগীদের নিয়ে বর্তমানে হাসপাতালে মোট ১০৩ জন সন্দেহজনক হাম আক্রান্ত রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। বর্তমানে ভর্তি থাকা এই রোগীদের মধ্যে ৪৫ জন ছেলে এবং ৫৮ জন মেয়ে শিশু রয়েছে। গত এক দিনে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন মাত্র ৫ জন রোগী, যার মধ্যে ৩ জন ছেলে এবং ২ জন মেয়ে। তবে আশাব্যঞ্জক বিষয় হলো, গত চব্বিশ ঘণ্টায় কোনো রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক না হওয়ায় কাউকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার করার প্রয়োজন হয়নি।

এদিকে চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত সংক্রমণের চিত্রটি বেশ উদ্বেগজনক। গত ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে আজ ১৫ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে সর্বমোট ৭০২ জন হাম লক্ষণ নিয়ে ভর্তি হয়েছেন এবং জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হামে আক্রান্ত হয়ে চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

হাসপাতালটির পরিস্থিতি নিয়ে তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মদ মশিউর রহমান বলেন, সম্প্রতি হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। রোগীর চাপ সামাল দিতে আমরা হাসপাতালের পুরাতন ভবনের তৃতীয় তলায় একটি পৃথক আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করেছি। পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও নার্স সংকটের মাঝেও আমরা বিকল্প উপায়ে লোকবল নিয়োগ দিয়ে নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি। এছাড়া হামের টিকা দান কর্মসূচি চালু রয়েছে।