ঢাকা ১০:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এ-প্লাসের মরীচিকা বনাম প্রকৃত শিক্ষা: আমাদের মানসিকতার অবক্ষয় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টার সঙ্গে পাঁচ ইউরোপীয় রাষ্ট্রদূতের বৈঠক ধামরাইয়ের ঐতিহাসিক রথযাত্রার উদ্বোধনে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বার্তা দিলেন চীফ হুইপ ফ্যাসিস্ট আমলে শাহিন চেয়ারম্যানের সহযোগী হয়ে কেরানীগঞ্জে ব্যাপক ঘুষ দুর্নীতির অভিযোগ ফ্যাসিবাদের অবসান ঘটিয়ে অর্জিত স্বাধীনতার মর্যাদা রক্ষা করতে হবে : পবিপ্রবি উপাচার্য বড়লেখায় জমি বিরোধ মামলা তুলে নিতে হুমকি ও হয়রানির অভিযোগ রঞ্জু মিয়ার বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ ধামইরহাটে ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় গাছের ডাল থেকে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক ফুটবলার মেসি-কেইন কেন ওমর সানিকে চাবুক মারতেন মৌসুমী?

জাতীয় নির্বাচনে যেকোনো অস্ত্রই থ্রেট : আইজিপি

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ১২:০৮:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬২০ বার পড়া হয়েছে

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেকোনো অস্ত্রই থ্রেট বলে মন্তব্য করছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স‌‌‌ মিডিয়া সেন্টারে ‘জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি’ সম্পর্কে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

থানা থেকে লুট হওয়া ব্যক্তিগত অস্ত্রের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে আইজিপি বলেন, যেকোনো অস্ত্রই থ্রেট। এর বাইরে বিভিন্নভাবে অস্ত্র দেশে প্রবেশ করে। সেজন্য মোকাবিলা করার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এখন পর্যন্ত কতগুলো বৈধ অস্ত্র জমা দেওয়া হয়েছে এবং কতগুলো জমা দেওয়া হয়নি সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঘোষণার পর ২৭ হাজার ৯৯৫টি বৈধ অস্ত্র জমা দিয়েছেন মালিকরা। কতগুলো অস্ত্র জমা দেওয়া হয়নি তার সংখ্যা বেশি নয়। অনেকে হয়তো দেশে লকারে তালা মেরে রেখে বিদেশে আছেন। তাদের বৈধ অস্ত্রগুলো হয়তো জমা পড়েনি, তবে তার সংখ্যা খুবই কম।

আইজিপি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে করার লক্ষ্যে বৈধ অস্ত্রের বিষয়ে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়। শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখরভাবে যেন ভোটগ্রহণ হয় সেজন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এবার নির্বাচনে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা তিন ধরনের হবে উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, এবার নিরাপত্তার রক্ষায় প্রযুক্তির ব্যবহারে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ৯০ ভাগ কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে বডি ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। এছাড়া পুলিশ সুপাররা ড্রোন ব্যবহার করা হবে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এ-প্লাসের মরীচিকা বনাম প্রকৃত শিক্ষা: আমাদের মানসিকতার অবক্ষয়

জাতীয় নির্বাচনে যেকোনো অস্ত্রই থ্রেট : আইজিপি

আপডেট সময় ১২:০৮:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেকোনো অস্ত্রই থ্রেট বলে মন্তব্য করছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স‌‌‌ মিডিয়া সেন্টারে ‘জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি’ সম্পর্কে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

থানা থেকে লুট হওয়া ব্যক্তিগত অস্ত্রের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে আইজিপি বলেন, যেকোনো অস্ত্রই থ্রেট। এর বাইরে বিভিন্নভাবে অস্ত্র দেশে প্রবেশ করে। সেজন্য মোকাবিলা করার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এখন পর্যন্ত কতগুলো বৈধ অস্ত্র জমা দেওয়া হয়েছে এবং কতগুলো জমা দেওয়া হয়নি সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঘোষণার পর ২৭ হাজার ৯৯৫টি বৈধ অস্ত্র জমা দিয়েছেন মালিকরা। কতগুলো অস্ত্র জমা দেওয়া হয়নি তার সংখ্যা বেশি নয়। অনেকে হয়তো দেশে লকারে তালা মেরে রেখে বিদেশে আছেন। তাদের বৈধ অস্ত্রগুলো হয়তো জমা পড়েনি, তবে তার সংখ্যা খুবই কম।

আইজিপি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে করার লক্ষ্যে বৈধ অস্ত্রের বিষয়ে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়। শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখরভাবে যেন ভোটগ্রহণ হয় সেজন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এবার নির্বাচনে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা তিন ধরনের হবে উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, এবার নিরাপত্তার রক্ষায় প্রযুক্তির ব্যবহারে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ৯০ ভাগ কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে বডি ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। এছাড়া পুলিশ সুপাররা ড্রোন ব্যবহার করা হবে।