ঢাকা ১০:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এ-প্লাসের মরীচিকা বনাম প্রকৃত শিক্ষা: আমাদের মানসিকতার অবক্ষয় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টার সঙ্গে পাঁচ ইউরোপীয় রাষ্ট্রদূতের বৈঠক ধামরাইয়ের ঐতিহাসিক রথযাত্রার উদ্বোধনে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বার্তা দিলেন চীফ হুইপ ফ্যাসিস্ট আমলে শাহিন চেয়ারম্যানের সহযোগী হয়ে কেরানীগঞ্জে ব্যাপক ঘুষ দুর্নীতির অভিযোগ ফ্যাসিবাদের অবসান ঘটিয়ে অর্জিত স্বাধীনতার মর্যাদা রক্ষা করতে হবে : পবিপ্রবি উপাচার্য বড়লেখায় জমি বিরোধ মামলা তুলে নিতে হুমকি ও হয়রানির অভিযোগ রঞ্জু মিয়ার বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ ধামইরহাটে ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় গাছের ডাল থেকে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক ফুটবলার মেসি-কেইন কেন ওমর সানিকে চাবুক মারতেন মৌসুমী?

‎গণভোটে ‘হ্যা’-এর পক্ষে নিজ জন্মভূমিতে প্রচারণায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জিএস সালাহউদ্দীন আম্মার

  • খুলনা প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ০৪:৩৬:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬২৮ বার পড়া হয়েছে

‎রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক (জিএস) ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রাজশাহী অগ্রসৈনিক সালাহউদ্দীন আম্মার তার নিজ জন্মভূমি খুলনার কয়রা উপজেলায় গণভোটে ‘হ্যা’-এর পক্ষে গণসংযোগ ও প্রচারণা চালিয়েছেন।

‎সোমবার ৯ (ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে তিনি কালনা মাদ্রাসা,কালনা বাজার, মাদার বাড়িয়া বাজার,ঘুগরাকাটি ফাজিল মাদ্রাসা,চাঁদআলী বাজার,খান সাহেব কোমরউদ্দীন ডিগ্রী কলেজ,আমাদী ইউনিয়ন,দক্ষিণ বেদকাশি ইউনিয়নের বিভিন্ন স্কুল,মাদ্রাসা ও বাজারে গণ ভোটে হ্যা এর পক্ষে প্রচারণা চালান।
‎ এ সময় গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জুলাই অভ্যুত্থানের কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে রায় দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

‎রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জিএস সালাহউদ্দীন আম্মার বলেন, দেশব্যাপী ‘হ্যাঁ মার্চ’ এর অংশ হিসেবে কয়রা উপজেলায় প্রচারণা করা হচ্ছে। একটি বৈষম্যহীন, ইনসাফভিত্তিক দেশ গঠনে ‘হ্যাঁ’কে জয়ী করতে হবে। শহীদদের রক্তের বিনিময়ে আমরা নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি। এখনও নানা মহল ষড়যন্ত্র করে চলেছে, জুলাই অভ্যুত্থান ব্যর্থ করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে। সমস্ত অপচেষ্টাকে রুখে দিয়ে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন এগিয়ে যাবে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে।

‎ জুলাই গণ অভ্যুত্থানে আমরা রক্ত দিয়েছি।একটি সুন্দর ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে আগামীতে আমরা সবাই গণভোটে হ্যা এর পক্ষে ভোট দিবো।

‎গত ৮ ফেব্রুয়ারি তিনি নিজ জন্মভূমিতে আগমন করেন। আগমনের পর থেকেই কয়রা উপজেলার বিভিন্ন সড়ক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগমস্থলে গণভোটে ‘হ্যা’ ভোটের পক্ষে জনসচেতনতা সৃষ্টি করছেন। পাশাপাশি শহীদ ওসমান হাদীর হত্যার বিচার দাবিতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় ও গণসংযোগ করছেন।

‎সালাহউদ্দীন আম্মার বলেন, “গণভোটের মাধ্যমে জনগণের মতামতই হবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ভিত্তি। অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো এবং শহীদ ওসমান হাদীর বিচার নিশ্চিত করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”

‎তার এই গণসংযোগ কর্মসূচিতে স্থানীয় শিক্ষার্থী, তরুণ সমাজ ও সাধারণ জনগণের মধ্যে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা যায়। অনেকেই তার সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে গণভোটে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়ার অঙ্গীকার করেন।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এ-প্লাসের মরীচিকা বনাম প্রকৃত শিক্ষা: আমাদের মানসিকতার অবক্ষয়

‎গণভোটে ‘হ্যা’-এর পক্ষে নিজ জন্মভূমিতে প্রচারণায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জিএস সালাহউদ্দীন আম্মার

আপডেট সময় ০৪:৩৬:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

‎রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক (জিএস) ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রাজশাহী অগ্রসৈনিক সালাহউদ্দীন আম্মার তার নিজ জন্মভূমি খুলনার কয়রা উপজেলায় গণভোটে ‘হ্যা’-এর পক্ষে গণসংযোগ ও প্রচারণা চালিয়েছেন।

‎সোমবার ৯ (ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে তিনি কালনা মাদ্রাসা,কালনা বাজার, মাদার বাড়িয়া বাজার,ঘুগরাকাটি ফাজিল মাদ্রাসা,চাঁদআলী বাজার,খান সাহেব কোমরউদ্দীন ডিগ্রী কলেজ,আমাদী ইউনিয়ন,দক্ষিণ বেদকাশি ইউনিয়নের বিভিন্ন স্কুল,মাদ্রাসা ও বাজারে গণ ভোটে হ্যা এর পক্ষে প্রচারণা চালান।
‎ এ সময় গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জুলাই অভ্যুত্থানের কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে রায় দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

‎রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জিএস সালাহউদ্দীন আম্মার বলেন, দেশব্যাপী ‘হ্যাঁ মার্চ’ এর অংশ হিসেবে কয়রা উপজেলায় প্রচারণা করা হচ্ছে। একটি বৈষম্যহীন, ইনসাফভিত্তিক দেশ গঠনে ‘হ্যাঁ’কে জয়ী করতে হবে। শহীদদের রক্তের বিনিময়ে আমরা নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি। এখনও নানা মহল ষড়যন্ত্র করে চলেছে, জুলাই অভ্যুত্থান ব্যর্থ করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে। সমস্ত অপচেষ্টাকে রুখে দিয়ে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন এগিয়ে যাবে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে।

‎ জুলাই গণ অভ্যুত্থানে আমরা রক্ত দিয়েছি।একটি সুন্দর ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে আগামীতে আমরা সবাই গণভোটে হ্যা এর পক্ষে ভোট দিবো।

‎গত ৮ ফেব্রুয়ারি তিনি নিজ জন্মভূমিতে আগমন করেন। আগমনের পর থেকেই কয়রা উপজেলার বিভিন্ন সড়ক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগমস্থলে গণভোটে ‘হ্যা’ ভোটের পক্ষে জনসচেতনতা সৃষ্টি করছেন। পাশাপাশি শহীদ ওসমান হাদীর হত্যার বিচার দাবিতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় ও গণসংযোগ করছেন।

‎সালাহউদ্দীন আম্মার বলেন, “গণভোটের মাধ্যমে জনগণের মতামতই হবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ভিত্তি। অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো এবং শহীদ ওসমান হাদীর বিচার নিশ্চিত করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”

‎তার এই গণসংযোগ কর্মসূচিতে স্থানীয় শিক্ষার্থী, তরুণ সমাজ ও সাধারণ জনগণের মধ্যে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা যায়। অনেকেই তার সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে গণভোটে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়ার অঙ্গীকার করেন।