ঢাকা ০৯:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এ-প্লাসের মরীচিকা বনাম প্রকৃত শিক্ষা: আমাদের মানসিকতার অবক্ষয় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টার সঙ্গে পাঁচ ইউরোপীয় রাষ্ট্রদূতের বৈঠক ধামরাইয়ের ঐতিহাসিক রথযাত্রার উদ্বোধনে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বার্তা দিলেন চীফ হুইপ ফ্যাসিস্ট আমলে শাহিন চেয়ারম্যানের সহযোগী হয়ে কেরানীগঞ্জে ব্যাপক ঘুষ দুর্নীতির অভিযোগ ফ্যাসিবাদের অবসান ঘটিয়ে অর্জিত স্বাধীনতার মর্যাদা রক্ষা করতে হবে : পবিপ্রবি উপাচার্য বড়লেখায় জমি বিরোধ মামলা তুলে নিতে হুমকি ও হয়রানির অভিযোগ রঞ্জু মিয়ার বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ ধামইরহাটে ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় গাছের ডাল থেকে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক ফুটবলার মেসি-কেইন কেন ওমর সানিকে চাবুক মারতেন মৌসুমী?

রাজনৈতিক নেতাদের নাম ভাঙ্গিয়ে ভোলা,পটুয়াখালী’র সীমান্তে অবস্থিত চর-হায়দার ও আজমাইনে’র চর-বন উজাড়

সরকার চরাঞ্চলের বনায়ন রক্ষায় জোরালো ভুমিকা রাখলেও প্রতিদিনই এসব সংরক্ষিত বনের গাছ কেটে উজার করা হচ্ছে। তেমনি ভোলা, পটুয়াখালী’র সিমান্তে অবস্থিত চর-হায়দার ও চর-আজমাইন বনের গাছ প্রকাশ্যে কেটে ফেলছে অসাধু ব্যক্তিরা। সেখান থেকে প্রতিদিন একাধিক ট্রলার বোঝাই কাট যাচ্ছে বিভিন্ন ইটভাটা গুলোতে। তবে এসব গাছ কাটার সাথে স্থানীয় বন বিভাগের কর্মকর্তারা জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে দশমিনা রেঞ্জ কর্মকর্তাকে একাধিক বার ফোন দিয়ে জানতে চাইলে, তিনি জানান কিছুদিন আগে চরের গাছ কাটার ব্যাপারে খবর পেয় আমি সাথে সাথে সরেজমিনে গিয়ে অসাধু ব্যাক্তিদের ধাওয়া করেও ধরতে না পেরে গাছ কাটার কিছু সরঞ্জাম জব্দ করেছি,যা আমাদের কাছে রয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, চর-হায়দার ও চর-আজমাইন পটুয়াখালী জেলার অন্তর ভুক্ত না হওয়ায় আমরা মামলা দিতে পারছি না। এগুলা ভোলা জেলার ভীতর। পরবর্তীতে হস্তান্তরে’র ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা উপরস্থ কর্মকর্তাদের বিষয়-টি জানিয়েছি, এ ব্যাপারে তাদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একাধিক চরে বনায়ন থাকায় ঝড় আর জলোচ্ছাস থেকে রক্ষা পাচ্ছে হাজার হাজার মানুষ ও গৃহপালিত পশু। সেই বনায়ন উজার করে ফেলছে স্থানীয় অসাধু ব্যক্তি, আরিফ ও বাচ্চু বাহিনী, এমনটাই জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।

গত ৫/৬মাস ধরে প্রতিদিন ১২থেকে ২০ জন মিলে এই বনের গাছ কাটার কাজ করছে। বনের গাছ কাটার কাজ করা শ্রমিকদের ১হাজার টাকা করে মজুরী দেয়া হচ্ছিল বলে এমনটাই জানিয়েছেন এলাকাবাসী। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়
বনের ভিতর ঢুকতেই নজরে আসে,ছরিয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকা কেটে ফেলে রাখা গাছের মুড়ি (টুকরো), ডালপালা গুলো। বন জুরেই কেটে ফেলে রাখা গাছ আর গাছের মুড়ি। যা দেখার পরে যে কেউ বুঝতে পারবে, কী ভাবে গাছ কেটে উজার করা হচ্ছে বন। নিরাপত্তার জন্য নাম না প্রকাশ করার স্বর্তে স্থানীয় লোকজন ৩/৪ জন ব্যাক্তিদের মুখে উঠে আসে জড়িতদের কথা। একই সাথে ভোলা-৩ আসনে সাবেক মন্ত্রী, মেজর (অব:) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ( বীর বিক্রম)
এর নাম পরিচয় ব্যাবহার করে, বাচ্চু ও আরিফ বাহিনী এমন অনৈতিক কর্মকান্ড করছেন বলে তাদের কাছ থেকে জানতে পাড়া।
এ বিষয়ে তাঁকে একাধিক বার ফোন করেও পাওয়া যায়নি।
এদিকে পটুয়াখালী জেলার, দশমিনা উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী আবুল কালাম বলেন, ম্যাপ অনুসারে চর হায়দার ও চর আজমাইন আমার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের মধ্যে, কিন্তু রেঞ্জ অফিসার বলেন ভোলার মধ্যে, আমরা পদক্ষেপ নিতে পারি না, প্রশাসন তদন্ত করলে আমি তাদেরকে সার্বিক সহযোগীতা করব। এদের সঠিক বিচার হওয়া উচিৎ।
এ বিষয়ে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কে একাধিক ফোন করে না পাওয়ায় তার অফিসে গিয়েও দেখা মিলেনি, তিনি ট্রেনিংয়ে ছিলেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এ-প্লাসের মরীচিকা বনাম প্রকৃত শিক্ষা: আমাদের মানসিকতার অবক্ষয়

রাজনৈতিক নেতাদের নাম ভাঙ্গিয়ে ভোলা,পটুয়াখালী’র সীমান্তে অবস্থিত চর-হায়দার ও আজমাইনে’র চর-বন উজাড়

আপডেট সময় ০১:২১:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সরকার চরাঞ্চলের বনায়ন রক্ষায় জোরালো ভুমিকা রাখলেও প্রতিদিনই এসব সংরক্ষিত বনের গাছ কেটে উজার করা হচ্ছে। তেমনি ভোলা, পটুয়াখালী’র সিমান্তে অবস্থিত চর-হায়দার ও চর-আজমাইন বনের গাছ প্রকাশ্যে কেটে ফেলছে অসাধু ব্যক্তিরা। সেখান থেকে প্রতিদিন একাধিক ট্রলার বোঝাই কাট যাচ্ছে বিভিন্ন ইটভাটা গুলোতে। তবে এসব গাছ কাটার সাথে স্থানীয় বন বিভাগের কর্মকর্তারা জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে দশমিনা রেঞ্জ কর্মকর্তাকে একাধিক বার ফোন দিয়ে জানতে চাইলে, তিনি জানান কিছুদিন আগে চরের গাছ কাটার ব্যাপারে খবর পেয় আমি সাথে সাথে সরেজমিনে গিয়ে অসাধু ব্যাক্তিদের ধাওয়া করেও ধরতে না পেরে গাছ কাটার কিছু সরঞ্জাম জব্দ করেছি,যা আমাদের কাছে রয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, চর-হায়দার ও চর-আজমাইন পটুয়াখালী জেলার অন্তর ভুক্ত না হওয়ায় আমরা মামলা দিতে পারছি না। এগুলা ভোলা জেলার ভীতর। পরবর্তীতে হস্তান্তরে’র ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা উপরস্থ কর্মকর্তাদের বিষয়-টি জানিয়েছি, এ ব্যাপারে তাদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একাধিক চরে বনায়ন থাকায় ঝড় আর জলোচ্ছাস থেকে রক্ষা পাচ্ছে হাজার হাজার মানুষ ও গৃহপালিত পশু। সেই বনায়ন উজার করে ফেলছে স্থানীয় অসাধু ব্যক্তি, আরিফ ও বাচ্চু বাহিনী, এমনটাই জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।

গত ৫/৬মাস ধরে প্রতিদিন ১২থেকে ২০ জন মিলে এই বনের গাছ কাটার কাজ করছে। বনের গাছ কাটার কাজ করা শ্রমিকদের ১হাজার টাকা করে মজুরী দেয়া হচ্ছিল বলে এমনটাই জানিয়েছেন এলাকাবাসী। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়
বনের ভিতর ঢুকতেই নজরে আসে,ছরিয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকা কেটে ফেলে রাখা গাছের মুড়ি (টুকরো), ডালপালা গুলো। বন জুরেই কেটে ফেলে রাখা গাছ আর গাছের মুড়ি। যা দেখার পরে যে কেউ বুঝতে পারবে, কী ভাবে গাছ কেটে উজার করা হচ্ছে বন। নিরাপত্তার জন্য নাম না প্রকাশ করার স্বর্তে স্থানীয় লোকজন ৩/৪ জন ব্যাক্তিদের মুখে উঠে আসে জড়িতদের কথা। একই সাথে ভোলা-৩ আসনে সাবেক মন্ত্রী, মেজর (অব:) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ( বীর বিক্রম)
এর নাম পরিচয় ব্যাবহার করে, বাচ্চু ও আরিফ বাহিনী এমন অনৈতিক কর্মকান্ড করছেন বলে তাদের কাছ থেকে জানতে পাড়া।
এ বিষয়ে তাঁকে একাধিক বার ফোন করেও পাওয়া যায়নি।
এদিকে পটুয়াখালী জেলার, দশমিনা উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী আবুল কালাম বলেন, ম্যাপ অনুসারে চর হায়দার ও চর আজমাইন আমার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের মধ্যে, কিন্তু রেঞ্জ অফিসার বলেন ভোলার মধ্যে, আমরা পদক্ষেপ নিতে পারি না, প্রশাসন তদন্ত করলে আমি তাদেরকে সার্বিক সহযোগীতা করব। এদের সঠিক বিচার হওয়া উচিৎ।
এ বিষয়ে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কে একাধিক ফোন করে না পাওয়ায় তার অফিসে গিয়েও দেখা মিলেনি, তিনি ট্রেনিংয়ে ছিলেন।