তালার ৮০ হাজার হিন্দু ভোটার আজও নিরাপত্তাহীনতার ভেতর দিন কাটাচ্ছেন। ৫ তারিখের পর থেকে তৈলকুপী গ্রামের হিন্দুরা রাত জেগে পালা করে পাহারা দিচ্ছেন নিজেদের মহল্লা। ভোটের মাত্র পাঁচ দিন বাকি, অথচ তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়নি।
ধানের শীষে ভোট দিলে তাঁদের রক্ষার দায়িত্ব নেওয়ার কথা প্রকাশ্যে বলেছেন কেবল হাবিবুল ইসলাম হাবিব। অন্য কোনো দলের নেতা প্রকাশ্যে এমন প্রতিশ্রুতি দেননি – গোপনে যা বলা হচ্ছে, তা জনগণ জানে না। এই গোপনীয়তা তাঁদের শঙ্কা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
জন্মভূমিতে সকলের সমান অধিকার থাকা সত্ত্বেও তাঁরা বঞ্চিত বোধ করছেন। আওয়ামী আমলে কিছু সুবিধা পেলেও আজ তাঁদের আস্থা ভঙ্গুর। তাই তাঁরা যদি আস্থা হারান, তবে বড় সংকটে পড়বেন। তাঁদের ভোটের মূল্য অপরিসীম, অথচ নিরাপত্তাবোধ তৈরি হয়নি।
সাতক্ষীরার মানুষ জানে হাবিবের সংগ্রামের ইতিহাস – শেখ হাসিনার সাজানো মামলায় ৭৫ বছরের সাজা, পাঁচ বছরের কারাবাস, এবং ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানে মুক্তি। তালার মানুষ তাঁকে হৃদয়ে ধারণ করে। এবারও তাঁদের ভোট নির্ধারণ করবে হাবিবের ভবিষ্যৎ।
তালার হিন্দুরা যদি সত্য, ন্যায় ও ইনসাফের পাশে থাকেন, তবে হাবিব তাঁদের রক্ষায় জীবন দিতে প্রস্তুত। তিনি এমপি হলে নিশ্চিত মন্ত্রী হবেন – আর মন্ত্রী মানে তালার হিন্দুদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা।
আজ তাঁদের ভোট নিয়ে সব দল অপেক্ষা করছে। হিন্দু মানে নৌকা – এই ধারণা ভাঙতে না পারলে তাঁরা পড়বেন দ্বৈত সংকটে। তাই পাহারায় কাটানো রাতগুলো শুধু নিরাপত্তার নয়, বরং গণতন্ত্রের পরীক্ষার প্রতীক।
স্টাফ রিপোর্টার 





















