ঢাকা ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঝালকাঠি শহরে গৃহবধূর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, হত্যার আশঙ্কা মেসির প্রশংসায় পঞ্চমুখ শাকিরা, সাফল্যের কৃতিত্ব দিলেন রোকুজ্জোকেও এ-প্লাসের মরীচিকা বনাম প্রকৃত শিক্ষা: আমাদের মানসিকতার অবক্ষয় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টার সঙ্গে পাঁচ ইউরোপীয় রাষ্ট্রদূতের বৈঠক ধামরাইয়ের ঐতিহাসিক রথযাত্রার উদ্বোধনে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বার্তা দিলেন চীফ হুইপ ফ্যাসিস্ট আমলে শাহিন চেয়ারম্যানের সহযোগী হয়ে কেরানীগঞ্জে ব্যাপক ঘুষ দুর্নীতির অভিযোগ ফ্যাসিবাদের অবসান ঘটিয়ে অর্জিত স্বাধীনতার মর্যাদা রক্ষা করতে হবে : পবিপ্রবি উপাচার্য বড়লেখায় জমি বিরোধ মামলা তুলে নিতে হুমকি ও হয়রানির অভিযোগ রঞ্জু মিয়ার বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ ধামইরহাটে ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় গাছের ডাল থেকে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার
দুদক অনুসন্ধান

বড়পুকুরিয়া কয়লাখনিতে পুরাতন মালামাল বিক্রিতে নয়-ছয়

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:১৪:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬৬৮ বার পড়া হয়েছে

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনিতে বিভিন্ন ধরনের অকেজো ঘোষিত লৌহ, রাবার ও তামা জাতীয় মালামাল বিক্রিতে ১০ থেকে ১৫ কোটি টাকার সরকারের আর্থিক ক্ষতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সম্প্রতি দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর দিনাজপুর জেলা কার্যালয়ে অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুদকের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি জানিয়েছেন।

দুদক সূত্রে জানা যায়, দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লি. (বিসিএমসিএল) ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকায় সংরক্ষিত বিভিন্ন ধরনের অকেজো ঘোষিত লৌহ, রাবার ও তামা জাতীয় মালামাল ওজনের ভিত্তিতে এবং খুচরা যন্ত্রাংশ নিলামে বিক্রয়ের জন্য ২০২৪ সালের মার্চ মাসে দরপত্র আহ্বান করেন। সেই দরপত্রে নির্দিষ্ট ১২টি প্রতিষ্ঠানকে অংশগ্রহণ করার সুযোগ দিয়ে দরপত্র আহ্বান করে মালামাল বিক্রয় করা হয়েছে। দরপত্রের ধারাবাহিকতায় লৌহ জাতীয় মালামাল ৫৯৯৯ টন যার একক দর ৩০ টাকা, রাবার জাতীয় মাল ২৫ টন যার একক দর ৪ টাকা, তামা জাতীয় মালামাল ২.৫ টন যার একক দর ৫৭৩ টাকা নির্ধারণ করে পণ্য বিক্রয় হয়। অথচ ওই বছরের জানুয়ারি মাসে পেট্রোবাংলার অধীন কোম্পানি মধ্যপাড়া গ্রানাই মাইনিং কোম্পানি লি. তাদের ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকায় লৌহ, রাবার ও তামা জাতীয় মালামালের একক দর ছিল লৌহ ৪২ টাকা, রাবার ১৫ ও তামা পিতল ৫০০ টাকা। লি. দরপত্রে অর্থাৎ সবাইকে দরপত্রের অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়। দরপত্রে প্রতিযোগিতা হওয়ায় ৪২ টাকার লৌহ ৫৭ টাকা দরে বিক্রয় হয় এবং অন্যান্য মালামালের দর বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় করে।

অভিযোগ বলছে, পেট্রোবাংলার অধীন কোম্পানি বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে তার বিপরীত দরপত্রে প্রতিযোগিতা না হওয়ায় সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে। সবাই অংশগ্রহণে দরপত্র করা হলে সরকার অন্তত ১০ থেকে ১৫ কোটি টাকা বেশি রাজস্ব পেত। অর্থাৎ ওই পরিমাণ অর্থ থেকে সরকারকে বঞ্চিত করা হয়েছে বা ক্ষতি করা হয়েছে বলে অভিযোগ।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঝালকাঠি শহরে গৃহবধূর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, হত্যার আশঙ্কা

দুদক অনুসন্ধান

বড়পুকুরিয়া কয়লাখনিতে পুরাতন মালামাল বিক্রিতে নয়-ছয়

আপডেট সময় ০২:১৪:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনিতে বিভিন্ন ধরনের অকেজো ঘোষিত লৌহ, রাবার ও তামা জাতীয় মালামাল বিক্রিতে ১০ থেকে ১৫ কোটি টাকার সরকারের আর্থিক ক্ষতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সম্প্রতি দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর দিনাজপুর জেলা কার্যালয়ে অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুদকের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি জানিয়েছেন।

দুদক সূত্রে জানা যায়, দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লি. (বিসিএমসিএল) ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকায় সংরক্ষিত বিভিন্ন ধরনের অকেজো ঘোষিত লৌহ, রাবার ও তামা জাতীয় মালামাল ওজনের ভিত্তিতে এবং খুচরা যন্ত্রাংশ নিলামে বিক্রয়ের জন্য ২০২৪ সালের মার্চ মাসে দরপত্র আহ্বান করেন। সেই দরপত্রে নির্দিষ্ট ১২টি প্রতিষ্ঠানকে অংশগ্রহণ করার সুযোগ দিয়ে দরপত্র আহ্বান করে মালামাল বিক্রয় করা হয়েছে। দরপত্রের ধারাবাহিকতায় লৌহ জাতীয় মালামাল ৫৯৯৯ টন যার একক দর ৩০ টাকা, রাবার জাতীয় মাল ২৫ টন যার একক দর ৪ টাকা, তামা জাতীয় মালামাল ২.৫ টন যার একক দর ৫৭৩ টাকা নির্ধারণ করে পণ্য বিক্রয় হয়। অথচ ওই বছরের জানুয়ারি মাসে পেট্রোবাংলার অধীন কোম্পানি মধ্যপাড়া গ্রানাই মাইনিং কোম্পানি লি. তাদের ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকায় লৌহ, রাবার ও তামা জাতীয় মালামালের একক দর ছিল লৌহ ৪২ টাকা, রাবার ১৫ ও তামা পিতল ৫০০ টাকা। লি. দরপত্রে অর্থাৎ সবাইকে দরপত্রের অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়। দরপত্রে প্রতিযোগিতা হওয়ায় ৪২ টাকার লৌহ ৫৭ টাকা দরে বিক্রয় হয় এবং অন্যান্য মালামালের দর বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় করে।

অভিযোগ বলছে, পেট্রোবাংলার অধীন কোম্পানি বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে তার বিপরীত দরপত্রে প্রতিযোগিতা না হওয়ায় সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে। সবাই অংশগ্রহণে দরপত্র করা হলে সরকার অন্তত ১০ থেকে ১৫ কোটি টাকা বেশি রাজস্ব পেত। অর্থাৎ ওই পরিমাণ অর্থ থেকে সরকারকে বঞ্চিত করা হয়েছে বা ক্ষতি করা হয়েছে বলে অভিযোগ।