সংবাদ শিরোনাম ::
এআই প্রযুক্তির পোষ্টার প্রদর্শনী ৩১ দফা বাস্তবায়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবে : আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম অতিরিক্ত আইজিপিসহ পুলিশের ২১ কর্মকর্তাকে বদলি মৌলভীবাজার সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা,কঠোর অবস্থানে বিজিবি নওগাঁয় এক মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার ক্রীড়া কার্ডের সংখ্যা বাড়ছে, আরও ২০০ ক্রীড়াবিদ পাবেন ভাতা বিশ্বজুড়ে সাড়ে ২৫ কোটিরও বেশি মানুষ গাঁজাখোর! উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত থাকতে হবে : প্রধানমন্ত্রী বরগুনায় তিন দিনব্যাপী ফল উৎসবের শুভ উদ্বোধন সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি ইকবাল বাহারকে গ্রেপ্তারের আবেদন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জন বাংলাদেশের

ফ্যাটি লিভারের কারণে লিভার ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে কি?

  • জীবনযাপন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:০২:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬১২ বার পড়া হয়েছে

লিভারে অতিরিক্ত চর্বি জমে যাওয়াকে সহজ ভাষায় ফ্যাটি লিভার বলা হয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এটিকে মেটাবলিক ডিসফাংশন-অ্যাসোসিয়েটেড স্টিটোটিক লিভার ডিজিজ বলা হয়। আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাপনের কিছু অভ্যাস এই রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

ফ্যাটি লিভারে লিভারের স্বাভাবিক কাজ বাধাগ্রস্ত হয় এবং ধীরে ধীরে লিভারের কোষে প্রদাহ ও ক্ষতি শুরু হয়।

তাই প্রশ্ন আসে—ফ্যাটি লিভার থেকে কি লিভার ক্যানসার হতে পারে?
অনেকের ফ্যাটি লিভার শনাক্ত হয় নিয়মিত পরীক্ষার মাধ্যমে। অতিরিক্ত জাংক ফুড খাওয়া, অনেক সময় শারীরিক কার্যকলাপ না করা; এসব কারণে লিভারে চর্বি জমতে থাকে। তাই ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি বাড়ে।

চিকিৎসকের মতে, যাদের ডায়াবেটিস, উচ্চ কোলেস্টেরল বা উচ্চ রক্তচাপ আছে, তাদের ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি বেশি।

এ ছাড়া রেড মিট, চিজ ইত্যাদি অতিরিক্ত খেলে এই সমস্যার সম্ভাবনা বাড়ে।”
ফ্যাটি লিভারকে সাধারণ সমস্যা ভেবে এড়ানো ঠিক নয়। দীর্ঘ সময় অবহেলার ফলে এটি গুরুতর রোগে, এমনকি ক্যানসারেও পরিণত হতে পারে। লিভারে অতিরিক্ত ফ্যাট জমার ফলে প্রদাহ শুরু হয়।

এরপর নন-অ্যালকোহলিক স্টিয়াটোহেপাটাইটিস হতে পারে। এই অবস্থাকে যত বেশি উপেক্ষা করা হবে, ক্যানসারের ঝুঁকিও তত বেশি হবে।
চিকিৎসকরা বলছেন, ফ্যাটি লিভার অবহেলার ফলে ১০০ জনের মধ্যে ১৫ জন লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হতে পারেন। অর্থাৎ, মদ্যপান বা হেপাটাইটিস ছাড়াও ফ্যাটি লিভারের কারণেই সিরোসিস হতে পারে। আর যারা সিরোসিসে আক্রান্ত হন, তাদের লিভারে ক্যানসারের ঝুঁকি ২০-৩০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।

তাই শুধুমাত্র মদ্যপান না করলে সিরোসিস হবে না এমন ধারণা ঠিক নয়। ফ্যাটি লিভার থেকেও সিরোসিস ও ক্যানসারের সম্ভাবনা থাকে।
চিকিৎসকরা তাই ফ্যাটি লিভারকে অবহেলা না করার পরামর্শ দেন। সময়মতো ডায়াগনোসিস ও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

সূত্র: আনন্দবাজার

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এআই প্রযুক্তির পোষ্টার প্রদর্শনী ৩১ দফা বাস্তবায়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবে : আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম

ফ্যাটি লিভারের কারণে লিভার ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে কি?

আপডেট সময় ০২:০২:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

লিভারে অতিরিক্ত চর্বি জমে যাওয়াকে সহজ ভাষায় ফ্যাটি লিভার বলা হয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এটিকে মেটাবলিক ডিসফাংশন-অ্যাসোসিয়েটেড স্টিটোটিক লিভার ডিজিজ বলা হয়। আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাপনের কিছু অভ্যাস এই রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

ফ্যাটি লিভারে লিভারের স্বাভাবিক কাজ বাধাগ্রস্ত হয় এবং ধীরে ধীরে লিভারের কোষে প্রদাহ ও ক্ষতি শুরু হয়।

তাই প্রশ্ন আসে—ফ্যাটি লিভার থেকে কি লিভার ক্যানসার হতে পারে?
অনেকের ফ্যাটি লিভার শনাক্ত হয় নিয়মিত পরীক্ষার মাধ্যমে। অতিরিক্ত জাংক ফুড খাওয়া, অনেক সময় শারীরিক কার্যকলাপ না করা; এসব কারণে লিভারে চর্বি জমতে থাকে। তাই ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি বাড়ে।

চিকিৎসকের মতে, যাদের ডায়াবেটিস, উচ্চ কোলেস্টেরল বা উচ্চ রক্তচাপ আছে, তাদের ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি বেশি।

এ ছাড়া রেড মিট, চিজ ইত্যাদি অতিরিক্ত খেলে এই সমস্যার সম্ভাবনা বাড়ে।”
ফ্যাটি লিভারকে সাধারণ সমস্যা ভেবে এড়ানো ঠিক নয়। দীর্ঘ সময় অবহেলার ফলে এটি গুরুতর রোগে, এমনকি ক্যানসারেও পরিণত হতে পারে। লিভারে অতিরিক্ত ফ্যাট জমার ফলে প্রদাহ শুরু হয়।

এরপর নন-অ্যালকোহলিক স্টিয়াটোহেপাটাইটিস হতে পারে। এই অবস্থাকে যত বেশি উপেক্ষা করা হবে, ক্যানসারের ঝুঁকিও তত বেশি হবে।
চিকিৎসকরা বলছেন, ফ্যাটি লিভার অবহেলার ফলে ১০০ জনের মধ্যে ১৫ জন লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হতে পারেন। অর্থাৎ, মদ্যপান বা হেপাটাইটিস ছাড়াও ফ্যাটি লিভারের কারণেই সিরোসিস হতে পারে। আর যারা সিরোসিসে আক্রান্ত হন, তাদের লিভারে ক্যানসারের ঝুঁকি ২০-৩০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।

তাই শুধুমাত্র মদ্যপান না করলে সিরোসিস হবে না এমন ধারণা ঠিক নয়। ফ্যাটি লিভার থেকেও সিরোসিস ও ক্যানসারের সম্ভাবনা থাকে।
চিকিৎসকরা তাই ফ্যাটি লিভারকে অবহেলা না করার পরামর্শ দেন। সময়মতো ডায়াগনোসিস ও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

সূত্র: আনন্দবাজার